09/03/2026
পরিবারের সদস্যকে Sponsor করবেন? Affidavit of Support-এ এসেছে গুরুত্বপূর্ণ নতুন পরিবর্তন!
যারা পরিবারভিত্তিক ইমিগ্রেশনে পরিবারের সদস্যের জন্য Affidavit of Support বা Form I-864 দিচ্ছেন, তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নতুন পরিবর্তন এসেছে।
৩১ আগস্ট ২০২৬ থেকে USCIS নতুন edition-এর Form I-864 চালু করেছে। নতুন করে Form I-864 জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান edition ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন Form I-864-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো, USCIS এবং U.S. Department of State প্রয়োজনে sponsor-এর আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য consumer reporting agency থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। এর মধ্যে credit-related information-ও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
তবে নতুন নিয়মে sponsor হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট minimum credit score ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ credit score কম হলেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে sponsor হওয়ার অযোগ্য হয়ে যাবেন, এমন কোনো নিয়ম বর্তমানে নেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, sponsor-এর credit report-এ security freeze বা credit freeze থাকলে এবং USCIS সেই তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে, USCIS-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সেই freeze release করার প্রয়োজন হতে পারে।
তবে Affidavit of Support-এর মূল income requirement পরিবর্তন হয়নি। সাধারণভাবে sponsor-কে household size অনুযায়ী Federal Poverty Guidelines-এর 125 শতাংশ income requirement পূরণ করতে হয়। Joint Sponsor ব্যবহারের সুযোগও এখনো রয়েছে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে Household Member-এর income ব্যবহারের জন্য Form I-864A ব্যবহার করা যায়।
Form I-864A এবং Form I-864EZ-এরও নতুন edition প্রকাশ করা হয়েছে। তাই পুরোনো সংরক্ষিত form ব্যবহার না করে USCIS-এর বর্তমান form ব্যবহার করা উচিত।
তথ্যসূত্র: U.S. Citizenship and Immigration Services (USCIS)
Disclaimer: আমি Attorney নই। এটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্য, কোনো Legal Advice নয়।
-864
08/24/2026
Birth Tourism ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৯০০ ভিসা বাতিল
বছরের পর বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে আসতেন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে। স্ত্রী সন্তানসম্ভবা, আর পরিকল্পনা ছিল শিশুটির জন্ম হবে আমেরিকার মাটিতে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশু সাধারণভাবে জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। এই সুযোগকে ঘিরেই বিস্তার ঘটে Birth Tourism-এর। পরে বিদেশিদের আবাসন, হাসপাতাল ও সন্তান জন্মের ব্যবস্থা করে দিতে গড়ে ওঠে নানা প্রতিষ্ঠান ও মধ্যস্থতাকারী নেটওয়ার্ক।
বারাক ওবামার প্রশাসনের সময় ২০১৫ সালের মার্চে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এ ধরনের ব্যবসার বিরুদ্ধে বড় অভিযান চালায় ফেডারেল এজেন্টরা। অভিযানে ৩৫টি তল্লাশি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়। তদন্তে এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা মূলত চীনা নারীদের পর্যটক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এনে সন্তান জন্ম দেওয়ার ব্যবস্থা করত। তদন্তকারীদের অভিযোগ ছিল, গ্রাহকদের ভিসা সাক্ষাৎকারে সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করা এবং অভিবাসন কর্মকর্তাদের কাছে কী বলতে হবে, সে বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হতো।
ওই তদন্তের ধারাবাহিকতায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের সময় ২০১৯ সালে ১৯ জনের বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়। মার্কিন বিচার বিভাগ জানায়, Birth Tourism ব্যবসার অপারেটর ও গ্রাহকদের বিরুদ্ধে সেটিই ছিল এ ধরনের প্রথম ফেডারেল ফৌজদারি মামলা। Birth Tourism যে বড় অঙ্কের ব্যবসায় পরিণত হয়েছিল, তার নমুনাও পাওয়া যায় ওই মামলায়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, একটি প্রতিষ্ঠান পাঁচ শতাধিক চীনা নারীকে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে এনেছিল এবং জনপ্রতি ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার মার্কিন ডলার নিত। আরেক প্রতিষ্ঠানের ‘VIP’ প্যাকেজের মূল্য ছিল এক লাখ ডলার পর্যন্ত।
এরপর ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন B শ্রেণির নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার নিয়ম পরিবর্তন করে। নতুন বিধিতে বলা হয়, কোনো কনস্যুলার কর্মকর্তা যদি মনে করার যথেষ্ট কারণ পান যে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রধান উদ্দেশ্য সেখানে সন্তান জন্ম দিয়ে শিশুর মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা, তাহলে সেই উদ্দেশ্যে B ভিসা দেওয়া হবে না।
জো বাইডেনের প্রশাসনেও ওই ভিসা বিধি বহাল থাকে এবং আগের Birth Tourism মামলাগুলোর বিচার চলতে থাকে। ২০২৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় এ ধরনের একটি ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুজনকে ষড়যন্ত্র ও আন্তর্জাতিক অর্থপাচারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ফেডারেল জুরি। অর্থাৎ প্রশাসন বদলালেও Birth Tourism ঘিরে ভিসা প্রতারণা ও সংগঠিত ব্যবসার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ অব্যাহত ছিল।
দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে ট্রাম্প এ অভিযান আরও বিস্তৃত করেন। চলতি বছরের এপ্রিলে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা ICE Birth Tourism নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নেয়। এরপর ৬ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প Ending Birth Tourism শিরোনামে Executive Order 14419 জারি করেন। এতে পররাষ্ট্র দপ্তর ও ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে Birth Tourism ঠেকাতে ভিসা ও প্রবেশসংক্রান্ত ক্ষমতা সক্রিয়ভাবে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্বাহী আদেশে Birth Tourism-এ অংশ নেওয়া ব্যক্তির পাশাপাশি এতে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ভিসা বা অন্যান্য ভ্রমণ অনুমোদন প্রত্যাহার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে কোনো নারী গর্ভবতী হলেই তার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হয় না। বৈধ চিকিৎসার প্রয়োজনেও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন, যদি ভিসার শর্ত পূরণ করেন এবং সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন না করেন।
১২ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গঠন করে Birth Tourism Prevention Task Force। দপ্তরটি জানায়, এই দল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসাধারীদের ভ্রমণের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনা করছে এবং Birth Tourism-এ অংশ নেওয়া বা এতে সহায়তার তথ্য পাওয়া গেলে ভিসা বাতিলসহ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
২০ আগস্ট পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, Birth Tourism-সংক্রান্ত অভিযানে প্রায় ৯০০টি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয়তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এর মধ্যে কোন দেশের কতজন নাগরিক রয়েছেন, তা জানা যায়নি।
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের আওতা সীমিত করতে Executive Order 14160 জারি করেন। এতে অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের সন্তানের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিষয়টি আদালতে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে।
২০২৬ সালের ৩০ জুন সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটে ট্রাম্প প্রশাসনের ওই উদ্যোগের বিরুদ্ধে রায় দেয়। আদালত জানায়, অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশিদের সেখানে জন্ম নেওয়া সন্তানরাও চতুর্দশ সংশোধনীর নাগরিকত্ব সুরক্ষার আওতায় পড়ে।
ফলে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব এবং Birth Tourism এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্ব সাংবিধানিক প্রশ্ন। আর সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভিজিটর ভিসা নেওয়া ভিসা ও অভিবাসন আইনের আলাদা বিষয়।
Birth Tourism-এর মাধ্যমে বছরে ঠিক কত শিশু যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়, তার নির্ভরযোগ্য হালনাগাদ সরকারি হিসাব নেই। একইভাবে প্রায় ৯০০ বাতিল ভিসার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন কি না, সে তথ্যও এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
তবে সাম্প্রতিক অভিযান একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ভিসা আবেদনে সফরের উদ্দেশ্য গোপন করা, মিথ্যা তথ্য দেওয়া কিংবা কোনো নেটওয়ার্কের সহায়তায় ভিসা ব্যবস্থাকে পাশ কাটানোর চেষ্টা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তাই সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্বের আশায় ভুল তথ্য বা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে Birth Tourism-এর পথে পা বাড়ানোর আগে এর আইনি পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি।
তথ্যসূত্র:
U.S. Department of State, Birth Tourism Prevention Task Force
U.S. Department of Justice, Birth Tourism Cases
08/22/2026
৭৫টি দেশের ইউএস ভিসা স্থগিতাদেশ অবৈধ ঘোষণা—জানুন আদালতের রায় ও পরবর্তী প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন প্রত্যাশী এবং তাঁদের পরিবারগুলোর দীর্ঘ উদ্বেগের অবসান ঘটিয়ে একটি ঐতিহাসিক রায় এসেছে। ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ওপর দেওয়া ঢালাও ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের নীতিকে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বলে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত।
ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ জিনেট ভার্গাস (Jeannette Vargas) তাঁর রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) তাঁর আইনি এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যা ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইনের পরিপন্থী।
আদালতের রায়ের মূল বিষয়সমূহ (Key Takeaways):
১. নীতিটি বাতিল (Vacated): এই রায় প্রকাশের পর থেকে ৭৫ দেশের নাগরিকদের ওপর দেওয়া সেই নিষেধাজ্ঞা আইনগতভাবে আর কার্যকর নেই।
২. পূর্বের প্রত্যাখ্যান অবৈধ: এই স্থগিতাদেশের দোহাই দিয়ে বিগত মাসগুলোতে যেসব ভিসা আবেদন সরাসরি 'ডিনাই' বা রিজেক্ট করা হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্তগুলোও বাতিল হয়ে গেছে।
৩. একক সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা: আদালত মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, আইন অনুযায়ী কোনো একক দেশের নাগরিকদের ঢালাওভাবে আটকাতে পারেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী; প্রতিটি ভিসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা কনস্যুলার অফিসারদের।
কাদের ওপর এর প্রভাব পড়বে এবং এখন কী হবে?
ফ্যামিলি ও ওয়ার্ক ভিসা: IR5 (বাবা-মা), F4 (ভাই-বোন), IR1/CR1 (স্বামী-স্ত্রী) সহ ফ্যামিলি স্পন্সরড এবং এমপ্লয়মেন্ট-ভিত্তিক সমস্ত পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি (গ্রিন কার্ড) ভিসার জট এখন খুলবে।
যাঁদের ইন্টারভিউ হয়ে গেছে: যাঁদের ইন্টারভিউ ইতিবাচকভাবে শেষ হওয়ার পরও এই নীতির কারণে পাসপোর্ট আটকে ছিল বা কেস 'Refused' দেখাচ্ছিল, তাঁদের ভিসা ইস্যু করার আইনি বাধা দূর হলো।
ব্যাকলগ প্রসেসিং: জানুয়ারি ২০২৬ থেকে স্থগিত থাকার কারণে দূতাবাসে বিপুল আবেদন জমে আছে। তাই স্বাভাবিক গতিতে ইন্টারভিউ বা ভিসা প্রিন্ট হতে দূতাবাসগুলোর কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।
ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বর্তমান করণীয়:
১. CEAC স্ট্যাটাস চেক: অবিলম্বে ceac.state.gov-এ গিয়ে আপনার ইমিগ্র্যান্ট কেস নম্বর দিয়ে বর্তমান স্ট্যাটাস পরীক্ষা করুন।
২. ইমেইল ও মেসেজ নজরদারি: দূতাবাস থেকে কোনো অতিরিক্ত ডকুমেন্ট (যেমন: মেয়াদোত্তীর্ণ মেডিকেল রিপোর্ট বা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স) চাওয়া হচ্ছে কি না, তা জানতে ইমেইল নিয়মিত চেক করুন।
৩. টিকিট কাটায় সতর্কতা: আইনগত বাধা কাটলেও, যতক্ষণ না ফিজিক্যাল পাসপোর্ট এবং ভিসা স্ট্যাম্প হাতে পাচ্ছেন, ততক্ষণ আমেরিকার বিমান টিকিট বুকিং করবেন না।
মামলার পরবর্তী ধাপ:
আদালত আগামী ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত দুই পক্ষকে সময় দিয়েছেন মামলার বাকি প্রক্রিয়াগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে তার প্রস্তাব জমা দেওয়ার জন্য। ফেডারেল সরকার চাইলে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারে, তবে আপাতত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর হচ্ছে না।
সবার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হোক এবং দ্রুত পরিবারের সাথে পুনর্মিলন ঘটুক!
(তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই শেয়ার করে অন্য ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে জানার সুযোগ করে দিন)
08/14/2026
অফিস ভাড়া দেওয়া হবে - Cheektowaga-তে প্রাইম লোকেশন!
আপনি কি আপনার ব্যবসার জন্য একটি নতুন, সুসজ্জিত অফিস স্পেস খুঁজছেন? তাহলে আমাদের এই অফিসটি আপনার জন্য আদর্শ হতে পারে। বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
মূল সুবিধা:
✅ প্রশস্ত এবং উন্নত অফিস স্পেস
✅ পর্যাপ্ত কার পার্কিং-এর সুবিধা
✅ ব্যবসার জন্য চমৎকার লোকেশন
ঠিকানা:
📍 1114 Walden Ave, Cheektowaga, NY 14211
আপনার ব্যবসা বৃদ্ধি করার জন্য এখনই এই সুযোগটি লুফে নিন! আরও বিস্তারিত জানতে এবং অফিস দেখার জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগের জন্য:
📞 716-713-0167