11/06/2026
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী বার বার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারে...
It is an emerging project design and management consultancy house.
We provide services like project design (DPP, TAPP), project management, project monitoring and evaluation, impact evaluation, capacity building, proposal and report (PCR, ICR) writing.
11/06/2026
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী বার বার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারে...
10/06/2026
একনেক সভায় ৩৩ জেলার সার্কিট হাউসসহ ১০ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৫টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৩টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প ২টি।
সভায় অনুমোদিত ১০টি প্রকল্প হলো– পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) (আর-১৭০) আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউস এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও এ লিফট সংযোজন’ প্রকল্প।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’ প্রকল্প।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘ঢাকা সিএমএইচ এ ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প (১) ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প, (২) ‘দেশের ৬৫৩টি মাদরাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্প।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রীর ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ৬টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো– ১. বাংলাদেশের ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; ২. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধিভুক্ত এলাকায় বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা, সড়ক মেরামতে ব্যবহৃত আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং ম্যাকানাইজড পার্কিং স্থাপনের মাধ্যমে যানজট নিরসনকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; ৩. নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ; ৪. ঢাকা সেনানিবাস এমইএস ট্রেনিং সেল এর অবকাঠামো সুবিধাদি সম্প্রসারণ প্রকল্প; ৫. এক্সিলারেটিং অ্যাকশন টু এন্ড চাইল্ড ম্যারিজ ইন বাংলাদেশ (পেজ-২) প্রকল্প; ৬. পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন, খুলনা (২য় সংশোধন) প্রকল্প।
একনেক সভায় ৩৩ জেলার সার্কিট হাউসসহ ১০ প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন ক....
07/06/2026
যানজট যেন রাজধানীবাসীর নিত্যদিনের অবধারিত সঙ্গী। বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় পা রাখলে যানজটের মুখোমুখি হতে হবে না— এই দৃশ্য যেন ঢাকা শহরের মানুষের কাছে এক অলীক কল্পনা। তবে এবার সত্যিকার অর্থেই রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কগুলোকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত করতে এবং সিগন্যালের দীর্ঘ লাল-হলুদ-সবুজ বাতির অপেক্ষা দূর করতে এক মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট’ নামের এই বিশেষ প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজধানীর উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম বরাবর মোট ১০৫ কিলোমিটার সড়ককে সংযুক্ত করে একটি সমন্বিত এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে। এই রুটে কোনও ধরনের প্রথাগত ট্রাফিক সিগন্যাল থাকবে না; ফলে যানবাহন একবার এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করলে কোনও বাধা বা থামা ছাড়াই সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এতে করে একদিকে যেমন বিপুল কর্মঘণ্টা বাঁচবে, অপরদিকে সাশ্রয় হবে কোটি কোটি টাকার জ্বালানি। রাজধানী ঘিরে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিক আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা।
ঢাকার যানজট কাটাতে আড়াই হাজার কোটির মেগা প্রকল্পে যা থাকছে যানজট যেন রাজধানীবাসীর নিত্যদিনের অবধারিত সঙ্গী। বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় পা রাখলে যানজটের মুখোমুখি হতে হবে না&...
04/06/2026
জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং পুষ্টি খাতে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন (গ্রিন)’ প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি সই করেছে পিকেএসএফ এবং অর্থ বিভাগ।
কৃষি ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নে ৭০ মিলিয়ন ডলারের ‘গ্রিন’ প্রকল্প জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং পুষ্টি খাতে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ‘গ....
01/06/2026
প্রকল্পটিতে ছিল সড়কের মাঝখান দিয়ে শুধু বিশেষ বাস চলাচল করবে। এতে যানজট ও সিগন্যালে আটকে থাকতে হবে না। চার বছরের প্রকল্প ১৪ বছর চলছে। বাসও নামেনি, দুর্ভোগও যায়নি। এই হলো বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্পের অবস্থা। গত ১৮ মে টঙ্গীর আবদুল্লাহপুর চৌরাস্তায়ছবি: দীপু মালাকার
বিআরটি প্রকল্প নেওয়ার সময় বলা হয়েছিল, বাস্তবায়ন হলে দিনে প্রায় ২৫ হাজার যাত্রী বিশেষ বাসে যাতায়াত করতে পারবে। যানজট, সড়কপথের সংকেত (সিগন্যাল) কিংবা অন্য কোনো বাধায় বাস আটকে থাকবে না। ১৪ বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করার পর জানা গেল, এই উদ্দেশ্য পূরণ হওয়ার নয়; বরং যানজট ও জনভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। তাই প্রকল্পটি এখন পুরোপুরি বাতিল করে দেওয়ার আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকল্পটি সম্পর্কে এমন মত দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি বিশেষজ্ঞ দল। বুয়েটের চারজন বিশেষজ্ঞের এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক। তাঁরা গত মাসে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছেন।
১৪ বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচা, এখন বিআরটি বাতিলের আলোচনা বিআরটি প্রকল্প নেওয়ার সময় বলা হয়েছিল, বাস্তবায়ন হলে দিনে প্রায় ২৫ হাজার যাত্রী বিশেষ বাসে যাতায়াত করতে পারবে।
20/05/2026
বাতিল নয়, প্রকৌশলগত সমস্যার সমাধান করে ডেডিকেটেড লেন নিশ্চিত করতে হবে ঢাকা থেকে গাজীপুরে যাতায়াত করা লাখেরও বেশি যাত্রীর ভোগান্তি লাঘবে ২০১২ সালে ঢাকা-গাজীপুর বাস র্যাপিড ট্রানজিট (...
19/05/2026
ঢাকায় মোট ছয়টি মেট্রোরেলের কাজ চলমান। এমআরটি লাইন-৬ এর মতিঝিল-কমলাপুর বর্ধিতাংশের কাজ শেষ পর্যায়ে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এটিসহ তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে ১৩ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি তিন প্রকল্পের বিষয়ে সরকার তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেবে।
ঢাকায় তিন মেট্রোরেলে বড় বরাদ্দ, ঝুলে গেল তিনটি ঢাকায় মোট ছয়টি মেট্রোরেলের কাজ চলমান। এমআরটি লাইন-৬ এর মতিঝিল-কমলাপুর বর্ধিতাংশের কাজ শেষ পর্যায়ে। ২০২৬-২৭ অর্থব...
18/05/2026
আগামী অর্থবছরের জন্য তিন লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এই বাজেট অনুমোদন করা হয়।
পরিকল্পনা কমিশনের কার্যপত্র অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার ধরা হয়েছে তিন লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পে আরো আট হাজার ৯২৪ কোটি টাকা যুক্ত হলে মোট উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে তিন লাখ আট হাজার ৯২৪ কোটি টাকার বেশি।
উপস্থাপিত প্রস্তাবনায় বলা হয়, এবারের উন্নয়ন কর্মসূচি পাঁচ বছর মেয়াদি সংস্কার ও উন্নয়ন কৌশলগত কাঠামোর আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে। উন্নয়ন পরিকল্পনাকে পাঁচটি প্রধান স্তম্ভে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিভিত্তিক সামাজিক সংহতি জোরদার।
রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার অংশে বিচার ও আইনগত সেবা সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর, সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়নকে এবারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কারিগরি শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। খাতভিত্তিক বরাদ্দে সবচেয়ে বেশি পাচ্ছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত। এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫০ হাজার ৯২ কোটি টাকা, যা মোট উন্নয়ন কর্মসূচির ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৪৭ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ৩৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩২ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধা খাতে ২০ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা।
মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক বরাদ্দে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বিভাগের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, যার বরাদ্দ ৩০ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ বিভাগও বড় বরাদ্দ পেয়েছে।
তবে এবারের উন্নয়ন কর্মসূচির সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত দিক হচ্ছে থোক বরাদ্দের ব্যাপক সম্প্রসারণ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা মিলিয়ে প্রায় এক লাখ ১৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিপরীতে সরাসরি প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ রয়েছে প্রায় এক লাখ ৮১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ নির্দিষ্ট প্রকল্পের বাইরে থাকায় আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
কার্যপত্রে দেখা যায়, বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা খাতে ৩৮ হাজার ২৭ কোটি টাকা এবং সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে আরো ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আওতায় থোক বরাদ্দ হিসেবে রাখা হয়েছে ৫৯ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা। অতীতের তুলনায় এ ধরনের অনির্দিষ্ট বরাদ্দ এবার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পাশাপাশি থোক বরাদ্দও বড় আকারে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের চলমান প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ছয় হাজার আট কোটি টাকা, কিন্তু একই বিভাগের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। একইভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পে বরাদ্দ পাঁচ হাজার ৪৮ কোটি টাকা হলেও থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগেও তিন হাজার ৭৯ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দও রাখা হয়েছে এবারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে। সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা খাতের ১৭ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিবার কার্ড কর্মসূচির জন্য। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় কৃষক কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ের দায়িত্ব পালনকারীদের সম্মানী বাবদ আরো এক হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট এক হাজার ১২১টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৯৪৯টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১০৭টি এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৪৩টি প্রকল্প রয়েছে। পাশাপাশি এক হাজার ২৭৭টি নতুন অননুমোদিত প্রকল্পও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে অনুমোদনের জন্য বিবেচনা করা হবে। এছাড়া আগামী জুনের মধ্যে ২২৩টি প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উন্নয়ন কর্মসূচিতে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা, পার্বত্য অঞ্চল ও বন্দরকেন্দ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মোংলাকে পণ্য পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, উপকূলীয় সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে এত বড় উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের হার হয়েছে মাত্র ৩৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হার ৩৩ শতাংশের সামান্য বেশি এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ব্যবহার হয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। এই বাস্তবতায় আরো বড় আকারের উন্নয়ন কর্মসূচি কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো, আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং জুন ২০২৭ সালের মধ্যে সমাপ্তিযোগ্য প্রকল্প দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পে নতুন ব্যয় সীমিত রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
৩ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আগামী অর্থবছরের জন্য তিন লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। সোমবার ...
18/05/2026
প্রকল্পটির নকশাগত ত্রুটির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে গত বছরের আগস্টে এ দুই কমিটি গঠিত হয়। তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সম্প্রতি একই ধরনের মত দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ‘রিভিউ কমিটি’।
এসব কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে করিডোরটি বিআরটি ব্যবস্থার বদলে সব ধরনের যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। আর নির্মাণ ব্যয় তুলে আনতে যানবাহন থেকে আদায় করা হবে টোল। এদিকে, ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বিআরটি প্রকল্পটি মন্ত্রিপরিষদের সভায় উপস্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা বিমানবন্দর-গাজীপুর করিডোরে নির্মিত বাস র্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) অবকাঠামোকে সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য উ.....
13/05/2026
পরিকল্পিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে আছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন, মডেল স্কুল ও সিটি করপোরেশনভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়ন, জরাজীর্ণ বিদ্যালয় পুনর্নির্মাণ, খেলাধুলার মাঠ উন্নয়ন, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ আকর্ষণীয়ভাবে সাজানো, মিড-ডে মিল কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়, নেক্সটজেন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম, পার্বত্য অঞ্চলের বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, ঢাকা মহানগরীর বিদ্যালয় উন্নয়ন, পিটিআই অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ইউনিয়ন মডেল স্কুল উন্নয়ন প্রকল্প।
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নতুন ১৩ প্রকল্পের উদ্যোগ দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ১৩টি নতুন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ....