একটি ব্যবসায় Bank Finance করার সময় কিভাবে Working Capital Requirement বের করে থাকে?
Working Capital Requirement-এর Formula হলো:
Working Capital Requirement = Annual COGS × CCC ÷ 360
অর্থাৎ, বছরে যত টাকার পণ্য/সেবা বিক্রয়ের cost হচ্ছে, তার Cash Conversion Cycle (CCC) পরিমাণ দিনের সমপরিমাণ অর্থ ব্যবসায় আটকে থাকবে।
Cash Conversion Cycle (CCC) কিভাবে বের করতে হয়, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আগের পোস্টে আলোচনা করেছিলাম।
সহজ একটি উদাহরণঃ
ধরুন একটি কোম্পানির:
Annual COGS = Tk. 36,000,000
Inventory Period = 30 days
Debtors Period = 20 days
Creditors Period = 10 days
তাহলে:
CCC = 30 + 20 − 10 = 40 days
এখন,
Working Capital Requirement = 36,000,000 × 40 ÷ 360
= Tk. 4,000,000
অর্থাৎ কোম্পানির estimated 100% working capital requirement = Tk. 40 lakh।
এই 40.00 Lac থেকে Existing loan এর outstanding ( যদি অন্য ব্যাংকের লোন থেকে থাকে) amount বাদ দিয়ে যেই পরিমাণ Working Capital requirement অবশিষ্ট থাকে ব্যাংক সাধারণত তার ৭৫% নতুনভাবে Loan/Finance করে থাকে।
EASY Business Associates Firms
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EASY Business Associates Firms, Financial Consultant, 348/12, Khan Jahan Ali Road, Jamat Khana, Khulna.
Our Service Limited Company, Proprietorship Firm, NGO, Trust Audit, Registrar of Joint Stock Companies & Firm (RJSC) Company All Work, Partnership Company Registration & Deed, Society, Foundation, Trust Registration, Search Report, Share Transfer etc
★★★ WORKING CAPITAL REQUIREMENT — একদম সহজ ভাষায় বুঝি----
★Working Capital Requirement কী?
একটি ব্যবসার দৈনন্দিন কাজ স্বাভাবিকভাবে চালানোর জন্য যে পরিমাণ চলতি টাকার প্রয়োজন হয়, সেটিই Working Capital Requirement.
অর্থাৎ ব্যবসা চালু রাখতে যে টাকা দরকার—
যেমন-
📦 পণ্য/কাঁচামাল কিনতে
🏭 পণ্য তৈরি করতে
🛒 পণ্য বিক্রি করতে
💳 Customer-এর কাছ থেকে টাকা পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
—সেই অর্থের প্রয়োজনই হলো Working Capital Requirement।
★ ব্যবসার টাকা কোথায় যায়?
একটি ব্যবসার টাকা সাধারণত এভাবে ঘুরতে থাকে:
Cash
⬇️
Inventory / Stock
⬇️
Sales
⬇️
Receivables
⬇️
আবার Cash
এই Cash → Stock → Sales → Receivable → Cash প্রক্রিয়াটিই ব্যবসার Cash Conversion।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় সমস্যা হলো— ব্যবসায় যখন পণ্য কিনছে, তখনই Customer-এর কাছ থেকে টাকা পাচ্ছে না। যেমন ধরুন-
-আজ ব্যবসা ৳10 লাখের পণ্য কিনল।
কিন্তু সেই পণ্য বিক্রি হতে লাগল 30 দিন।
আবার Customer বলল—এই টাকা 30 দিন পরে দেব।
তাহলে ব্যবসার ৳10 লাখ টাকা 60 দিন পর্যন্ত আটকে থাকতে পারে।
এই সময় ব্যবসা কীভাবে চলবে? এখানেই প্রয়োজন Working Capital।
★ Working Capital Cycle কী?
Working Capital Cycle বলে—ব্যবসায় বিনিয়োগ করা টাকা কত সময় পরে আবার Cash হিসেবে ফিরে আসে। সহজভাবে:
Cash → Inventory → Sales → Receivables → Cash
এই পুরো Cycle যত দীর্ঘ হবে, ব্যবসার টাকা তত বেশি সময় আটকে থাকবে।
Working Capital Cycle-এর Formula
Working Capital Cycle = Inventory Period + Receivables Period − Payables Period
একটি সহজ Example
ধরুন একটি ব্যবসার—
📦 Inventory Period = 60 দিন
💳 Receivables Period = 30 দিন
🤝 Payables Period = 20 দিন
তাহলে—
Working Capital Cycle
= 60 + 30 − 20
= 70 দিন
অর্থাৎ ব্যবসার টাকা গড়ে প্রায় 70 দিন Operating Cycle-এর মধ্যে আটকে থাকতে পারে।
★ ব্যাংক এখানে কেন আসে?
সব ব্যবসার মালিকের কাছে প্রয়োজনীয় পুরো টাকা নাও থাকতে পারে। তাই ব্যবসার Working Capital-এর একটি অংশ ব্যাংক থেকে নেওয়া হতে পারে। যেমন—
Total Working Capital Requirement = ৳10 কোটি
ব্যবসা নিজে দিল = ৳3 কোটি
ব্যাংক Finance করল = ৳7 কোটি
অর্থাৎ—
💰 মোট প্রয়োজন = ৳10 কোটি
🏦 ব্যাংকের Finance = ৳7 কোটি
👤 ব্যবসার নিজস্ব অর্থ = ৳3 কোটি
Total Requirement = Own Fund + Bank Finance + Other Sources
★ ব্যাংক কী কী দেখে?
ব্যাংক যখন Working Capital Finance-এর প্রয়োজন মূল্যায়ন করে, তখন সাধারণত দেখে—
📈 Sales — ব্যবসার বিক্রি কত?
📦 Inventory — কত টাকার Stock আছে?
💳 Receivables — Customer-এর কাছে কত টাকা পাওনা?
🤝 Payables — Supplier কত টাকা Credit দিচ্ছে?
🔄 Working Capital Cycle — টাকা কতদিন আটকে থাকে?
💵 Cash Flow — ব্যবসায় Cash তৈরি হচ্ছে কি না?
🧠 পুরো বিষয়টি একসঙ্গে বুঝি
📦 Inventory
পণ্য কিনে রাখলাম।
⬇️
🛒 Sales
পণ্য বিক্রি করলাম।
⬇️
💳 Receivables
Customer-এর কাছে টাকা পাওনা হলো।
⬇️
💰 Cash
Customer টাকা পরিশোধ করল।
এই পুরো প্রক্রিয়ায়—
🔄 কতদিন লাগে = Working Capital Cycle
💰 এই সময়ে ব্যবসা চালাতে যত টাকা লাগে = Working Capital Requirement
>>>> এই প্রয়োজনের যে অংশ ব্যাংক দেয় = Working Capital Finance
📌 মনে রাখার Formula
Working Capital Cycle = Inventory Period + Receivables Period − Payables Period
আর সবশেষে, এগুলো মিলিয়েই বোঝা যায় ব্যবসার প্রকৃত Working Capital Requirement কত।
Note: Picture attached for attention purpose.
14/07/2026
হিসাববিজ্ঞানের সূত্রগুলো দেওয়া হলো:
১. সমন্বয় সূত্রাবলি
(১) সম্পদ = দায় + মূলধন
(২) মূলধন = সম্পদ - দায়
(৩) দায় = সম্পদ - মূলধন
(৪) আয় - ব্যয় = নিট লাভ (অথবা) নিট ক্ষতি
(৫) মোট আয় = মোট ব্যয় + নিট লাভ
(৬) মোট ব্যয় = মোট আয় - নিট লাভ
(৭) উত্তোলন = মূলধন + নিট লাভ - সমাপনী মূলধন
(৮) সমাপনী মূলধন = মূলধন + নিট লাভ - উত্তোলন
(৯) নিট লাভ = সমাপনী মূলধন + উত্তোলন - মূলধন
(১০) মূলধন (শেষ) = মূলধন (প্রারম্ভ) + নিট লাভ - উত্তোলন = ০
২. আর্থিক অনুপাতের সূত্রাবলি
১চলতি অনুপাত (Current Ratio)চলতি সম্পদ / চলতি দায়
২দ্রুত অনুপাত (Acid Test Ratio)চলতি সম্পদ - মজুদ / চলতি দায়
৩নগদ অনুপাত (Cash Ratio)নগদ ও নগদ সমতুল্য / চলতি দায়
৪মোট ঋণ অনুপাত (Debt Ratio)মোট ঋণ / মোট সম্পদ × ১০০
৫ঋণ-স্বত্ব অনুপাত (Debt to Equity Ratio)মোট ঋণ / মালিকদের স্বত্ব
৬স্থায়ী সম্পদ অনুপাত (Fixed Assets Ratio)স্থায়ী সম্পদ / মোট সম্পদ × ১০০
৭মজুদ বিক্রয় অনুপাত (Inventory Turnover Ratio)বিক্রয় / গড় মজুদ
৮প্রাপ্য হিসাব বিক্রয় অনুপাত (Debtors Turnover Ratio)ক্রেডিট বিক্রয় / গড় প্রাপ্য হিসাব
৯মোট সম্পদ বিক্রয় অনুপাত (Total Assets Turnover Ratio)বিক্রয় / মোট সম্পদ
১০স্থায়ী মূলধন বিক্রয় অনুপাত (Fixed Assets Turnover Ratio)বিক্রয় / স্থায়ী সম্পদ
৩. শতকরা সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) শতকরা হার = (অংশ / পূর্ণ) × ১০০
(২) অংশ = (শতকরা হার × পূর্ণ) / ১০০
(৩) পূর্ণ = (অংশ × ১০০) / শতকরা হার
(৪) বৃদ্ধি/হ্রাসের শতকরা হার = (বৃদ্ধি/হ্রাসের পরিমাণ / মূল পরিমাণ) × ১০০
(৫) নতুন মান = মূল মান + বৃদ্ধি/হ্রাসের পরিমাণ
(৬) বৃদ্ধি/হ্রাসের পরিমাণ = মূল মান × বৃদ্ধি/হ্রাসের শতকরা হার / ১০০
(৭) অনুপাতকে শতকরা হার = অনুপাত × ১০০
৪. গড় সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) সাধারণ গড় = উপাত্তসমূহের যোগফল / উপাত্তের সংখ্যা
(২) ওজনিক গড় = Σ (মান × ওজন) / মোট ওজন
৫. মুনাফা-ক্ষতি সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) মুনাফা = বিক্রয় মূল্য - ক্রয় মূল্য
(২) ক্ষতি = ক্রয় মূল্য - বিক্রয় মূল্য
(৩) মুনাফার হার = মুনাফা / ক্রয় মূল্য × ১০০
(৪) ক্ষতির হার = ক্ষতি / ক্রয় মূল্য × ১০০
(৫) বিক্রয় মূল্য = ক্রয় মূল্য + মুনাফা
(৬) বিক্রয় মূল্য = ক্রয় মূল্য - ক্ষতি
(৭) মুনাফা = বিক্রয় মূল্য × মুনাফার হার / ১০০ + মুনাফার হার
(৮) ক্ষতি = বিক্রয় মূল্য × ক্ষতির হার / ১০০ - ক্ষতির হার
৬. সুদ সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) সাধারণ সুদ = মূলধন × হার × সময়
(২) সুদসহ মোট টাকা = মূলধন + সুদ
(৩) হার = সুদ × ১০০ / মূলধন × সময়
(৪) সময় = সুদ × ১০০ / মূলধন × হার
(৫) মূলধন = সুদ × ১০০ / হার × সময়
৭. অংশীদারি ব্যবসার সূত্রাবলি
(১) লাভ-ক্ষতির বণ্টন = লাভ-ক্ষতির পরিমাণ × অংশীদারের অনুপাত
(২) অংশীদারের অনুপাত = অংশীদারের অংশ / মোট অংশ
(৩) নতুন অনুপাত = (নতুন অংশীদারসহ) মোট অংশ অনুযায়ী
(৪) গুডউইল = গড় মুনাফা × বছরের সংখ্যা; গড় মুনাফা = মোট মুনাফার যোগফল / বছরের সংখ্যা
৮. অবচয় (Depreciation) সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) স্থির কিস্তি পদ্ধতি (Straight Line Method): অবচয় = (মূল্য - অবশিষ্ট মূল্য) / আয়ুষ্কাল
(২) অবশিষ্ট মূল্য = মূল্য - মোট অবচয়
৯. হিসাব যাচাই (Trial Balance) সম্পর্কিত সূত্রাবলি
মোট জমান (Debit) = মোট জমা (Credit)
১০. প্রাপ্য হিসাব (Debtors Account) সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) মোট প্রাপ্য = উদ্বোধনী প্রাপ্য + ক্রেডিট বিক্রয় - নগদ আদায় - রাইট অফ
(২) আদায় হার = (নগদ আদায় / মোট প্রাপ্য) × ১০০
(৩) রাইট অফ এর পর অবশিষ্ট প্রাপ্য = মোট প্রাপ্য - রাইট অফ
১১. মজুদ (Inventory) সম্পর্কিত সূত্রাবলি
(১) গড় মজুদ = (উদ্বোধনী মজুদ + সমাপনী মজুদ) / ২
(২) বিক্রিত পণ্যের মূল্য (COGS) = উদ্বোধনী মজুদ + ক্রয় - সমাপনী মজুদ
১২. ব্যাংক সমন্বয় (Bank Reconciliation) এর সূত্রাবলি
সমাপনী জমার ব্যালেন্স = ব্যাংক ব্যালেন্স
ব্যাংকের কাছে জমা কিন্তু লেজারে জমা হয়নি
লেজারে জমা কিন্তু ব্যাংকে জমা হয়নি
± ব্যাংকের ভুল বা লেজারে সংশোধন হয়নি
বি: দ্র: উপরোক্ত সকল সূত্র হিসাববিজ্ঞানের কার্যপত্র প্রস্তুতের প্রয়োজন হয়।
02/07/2026
📊 CIB (Credit Information Bureau) — আপনার আর্থিক পরিচয়ের আয়না
আপনি কি জানেন, ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করার পর প্রথমেই যে বিষয়টি যাচাই করা হয়, সেটি হলো আপনার CIB রিপোর্ট? এটি হলো আপনার ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের ইতিহাসের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র, যা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে আপনার আর্থিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা দেয়।
সময়ের মধ্যে ঋণের কিস্তি পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল নিয়মিত দেওয়া এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা একটি ইতিবাচক CIB প্রোফাইল গঠনে সহায়তা করে। অন্যদিকে, অনিয়মিত পরিশোধ, খেলাপি ঋণ কিংবা গ্যারান্টর হিসেবে দায়বদ্ধতা আপনার ভবিষ্যৎ ঋণ গ্রহণের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
শুধু ঋণগ্রহীতা নয়, অনেক ক্ষেত্রে জামিনদার বা যৌথ ঋণগ্রহীতার তথ্যও CIB রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
মনে রাখবেন, একটি ভালো CIB প্রোফাইল শুধু ঋণ অনুমোদনের সম্ভাবনাই বাড়ায় না, বরং আপনার আর্থিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেও শক্তিশালী করে। আজকের আর্থিক শৃঙ্খলাই আগামী দিনের বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নের ভিত্তি।
25/06/2026
Top 20 Accounting Formulas every students Should know World of Learning
25/06/2026
Bank Reconciliation Statement
25/06/2026
Financial Statement Analysis
03/06/2026
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিল থেকে ভ্যাট, ট্যাক্স কাটার নিয়ম
31/05/2026
ব্যবসায়ে অবচয়ের সুবিধা কীভাবে নিবেন?
আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৭১ অবচয় ভাতার জের টানা সংক্রান্ত বিধান রাখে যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপধারা (১) অনুযায়ী অনুমোদিত কোনো অবচয় কোনো করবর্ষের গ্রস আয়ের বিপরীতে ব্যয় হিসাবে সম্পূর্ণরূপে চার্জ করা না গেলে তাহা পরবর্তী করবর্ষের অবচয়ের সহিত যুক্ত হইবে। ধরুন এবিসি লিমিটেড নামক একটি কোম্পানি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের মেশিনারি ক্রয় করে যার বার্ষিক অবচয় হার ২০ শতাংশ বা ১০ লাখ টাকা। ঐ বৎসরে কোম্পানির গ্রস আয় ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাদ দিয়ে নিট আয় ৮ লাখ টাকা। অবচয় ভাতা ১০ লাখ টাকা হলেও নিট আয় ৮ লাখ টাকা হওয়ায় সম্পূর্ণ ১০ লাখ টাকা অবচয় চার্জ করা গেল না। কেবল ৮ লাখ টাকা অবচয় চার্জ হলো এবং বাকি ২ লাখ টাকা অবচয় পরবর্তী ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের অবচয়ের সহিত যুক্ত হইবে। ২০২৬-২০২৭ বৎসরে ঐ মেশিনারির নতুন অবচয় হবে ৮ লাখ টাকা এবং জের টানা ২ লাখ টাকা মিলে মোট অবচয় ভাতা দাঁড়াবে ১০ লাখ টাকা। ঐ বৎসরে যদি কোম্পানির নিট আয় ১৫ লাখ টাকা হয় তবে সম্পূর্ণ ১০ লাখ টাকা অবচয় চার্জ হবে। উপধারা (২) অনুযায়ী এই আইনের কোনো বিধান পরিপালনে ব্যত্যায়ের কারণে কোনো অবচয় ভাতা অননুমোদিত হইলে উহার জের টানা যাইবে না। ধরুন এবিসি লিমিটেড অবচয় গণনায় ভুল করে মেশিনারির বাজার মূল্যের পরিবর্তে ক্রয় মূল্যের চেয়ে বেশি দেখায় বা অবচয় হার ভুল প্রয়োগ করে। এমন ব্যত্যায়ের কারণে অননুমোদিত অবচয় হলে তা জের টানা যাবে না এবং কর কর্তৃপক্ষ সংশোধন করে অতিরিক্ত অবচয় বাতিল করতে পারে। উপধারা (৩) অনুযায়ী জের টানা অবচয়ের ভাতা চার্জ করিবার পূর্বে জের টানা ক্ষতির সমন্বয় করিতে হইবে। ধরুন এবিসি লিমিটেড ২০২৫-২০২৬ বৎসরে ৫ লাখ টাকা ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং ৩ লাখ টাকা অবচয় জের টানা ছিল। ২০২৬-২০২৭ বৎসরে কোম্পানির নিট আয় ১০ লাখ টাকা হলে প্রথমে ৫ লাখ টাকা ক্ষতি সমন্বয় করিতে হইবে। ক্ষতি সমন্বয়ের পর বাকি ৫ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ৩ লাখ টাকা জের টানা অবচয় চার্জ হবে। অবশিষ্ট ২ লাখ টাকা আয়ের উপর নতুন অবচয় চার্জ হবে। উপধারা (৪) অনুযায়ী অনুমোদিত অবচয় ভাতা সম্পূর্ণরূপে সমন্বয়কৃত হওয়া পর্যন্ত জের টানা যাইবে। ধরুন এবিসি লিমিটেডের একটি ভবনের মোট অবচয় ২০ লাখ টাকা। ২০২৫-২০২৬ বৎসরে ৩ লাখ চার্জ হলো বাকি ১৭ লাখ জের। ২০২৬-২০২৭ বৎসরে ৪ লাখ চার্জ হলো বাকি ১৩ লাখ জের। ২০২৭-২০২৮ বৎসরে ৫ লাখ চার্জ হলো বাকি ৮ লাখ জের। এভাবে সম্পূর্ণ ২০ লাখ টাকা অবচয় সমন্বয়কৃত না হওয়া পর্যন্ত জের টানা যাবে। মেশিনারি বা ভবন বিক্রয় বা অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত অবচয় জের টানা চলতে থাকবে।
“আজকের অবচয়, কালের জের টানা; ব্যবসার লাভ বাড়ান ”
31/05/2026
কৃষি পণ্য রপ্তানি করতে হলে যে যে কাগজপত্র প্রয়োজন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
348/12, Khan Jahan Ali Road, Jamat Khana
Khulna
9100