আলহামদুলিল্লাহ! টার্নওভার ট্যাক্স এর নতুন সিদ্ধান্ত:
২ কোটি টাকা টার্ণওভার পর্যন্ত শুন্য কর
২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকা টার্ণওভারের ক্ষেত্রে ০.৫% এবং
৪ কোটির অধিক হলে পুর্বের নিয়মে ১% টার্ণওভার ট্যাক্স নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হলো।
আয়কর রিটার্ন জমা দিতে এখনি যোগাযোগ করুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে-০১৮৬৭০৪৪৪৭১
Ayan Income Tax & VAT Consultancy
Financial Advisor
Specialist in Income Tax, VAT, TIN,BIN, RJSC,IRC,ERC.
ITP (Appeared), NBR
BBA,MBA(Finance)
Please Feel free to Contact- Whats app-01867044471
ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
প্রযোজ্য হারের চেয়ে ৫০% বেশি উৎসে কর কর্তন এড়াতে আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ (PSR) দ্রুত ব্যাংকে জমা দিন।
বর্তমান আয়কর আইনের বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ না থাকলে প্রযোজ্য উৎসে করের ওপর অতিরিক্ত ৫০% হারে কর কর্তনের বিধান রয়েছে।
তাই ব্যাংক হিসাব, FDR/DPS বা অন্যান্য প্রযোজ্য আয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উৎসে কর কর্তন এড়াতে PSR/রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ ব্যাংকে জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন ০১৮৬৭০৪৪৪৭১
15/08/2026
বিন সার্টিফিকেট রেজিষ্ট্রেশন করতে চান?
বা বিন/ভ্যাট সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যায় আছেন?
তাহলে নিন সমাধান-
✅ নতুন BIN / VAT রেজিস্ট্রেশন
✅ নিয়মিত VAT Return জমা দেওয়া
✅ পূর্বের পেন্ডিং বা বকেয়া রিটার্ন ক্লিয়ারেন্স
✅ লক হয়ে যাওয়া User ID আনলক করা
✅ ভ্যাট সংক্রান্ত যেকোনো জটিল সমস্যার আইনি সমাধান ও পরামর্শ
আপনার ব্যবসার সকল ভ্যাট ও ট্যাক্স সংক্রান্ত সেবা নিশ্চিন্তে পেতে পাশে আছে আয়ান ইনকাম ট্যাক্স এন্ড ভ্যাট কনসালট্যান্সি।
📱ঘরে বসে সমাধান পেতে আজই যোগাযোগ করুন (WhatsApp): 01867-044471
📍 ঠিকানা: হাউজ ২৫, রোড ২০, ব্লক সি, মিরপুর ১১, ঢাকা।
Investment Tax Credit বা কর রেয়াত ।
আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ৭৮-এর এই বিধানটি একজন করদাতার জন্য আইনি উপায়ে কর দায় হ্রাস করার সবচেয়ে বড় সুযোগ। একজন করদাতা তার কষ্টার্জিত আয়ের একটি অংশ যদি সরকারের নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করেন, তবে তিনি সরাসরি তার প্রদেয় কর থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ ছাড় পান। এটি কোনো কর ফাঁকি নয়, বরং আইনের পরিধির মধ্যে থেকে কর সাশ্রয় করার সুযোগ।
রেয়াত পেতে হলে বিনিয়োগকে অবশ্যই ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩-এর শর্ত, সীমা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী হতে হবে। ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩-এর শর্ত মোতাবেক জীবন বীমার প্রিমিয়াম,
সরকারি সঞ্চয়পত্র ক্রয়,
অনুমোদিত ডিপিএস,
শেয়ার বাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ,
প্রভিডেন্ট ফান্ডে অবদান
এবং কল্যাণ তহবিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো এর অন্তর্ভুক্ত।
Investmant: Total yearly gross salary 20% (maximum 15 lac)
Rebate :10% of Investment
৩০শে সেপ্টেম্বর এর মধ্যে রিটার্ন সাবমিট এ প্রণোদনা বা ইন্সেন্টিব প্রাপ্তির এর নিয়ম-
📢 ই-রিটার্নে প্রত্যাশিত ইনসেনটিভ পাচ্ছেন না—ক্যালকুলেশনে কি ভুল হচ্ছে?
অনেকেই আমাকে নক দিয়ে জানতে চেয়েছেন—
“ইনসেনটিভ হিসেবে যে পরিমাণ টাকা পাওয়ার কথা, তা পাচ্ছি না। অনলাইনে কি ক্যালকুলেশন ভুল দেখাচ্ছে?”
উত্তর: না, অনলাইনের ক্যালকুলেশন ঠিক আছে।
ইনসেনটিভের হার ৫% বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা। তবে এই ৫% ইনসেনটিভ আপনার মোট কর বা নেট করদায়ের ওপর পাওয়া যাবে না। আইনে বলা হয়েছে, ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে পরিশোধযোগ্য করের ওপর।
তাহলে জানতে হয়, পরিশোধযোগ্য কর কী?
নেট করদায় থেকে ইতোমধ্যে পরিশোধিত কর বাদ দেওয়ার পর রিটার্নের সঙ্গে যে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, সেটিই পরিশোধযোগ্য কর।
ইতোমধ্যে পরিশোধিত করের মধ্যে থাকতে পারে—
✅ উৎসে কর্তিত কর (TDS)
✅ উৎসে সংগৃহীত কর (TCS)
✅ অগ্রিম পরিশোধিত কর (Advance Tax)
অর্থাৎ—
পরিশোধযোগ্য কর = নেট করদায় − উৎসে কর্তিত/সংগৃহীত কর − অগ্রিম পরিশোধিত কর
এই অবশিষ্ট পরিশোধযোগ্য করের ওপরই ৫% ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে; আপনার সম্পূর্ণ নেট করদায়ের ওপর নয়।
আবার ইনসেনটিভ বেশি পাওয়ার জন্য ইচ্ছা করলেই পুরো কর রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধ করার সুযোগ নেই। যেসব করদাতার আয় ১০ লাখ টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে নেট করদায়ের ন্যূনতম ৭৫% অগ্রিম কর হিসেবে পরিশোধ করতে হয়। তা না হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১০% হারে সুদ আরোপ হতে পারে।
🔎 একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক—
ধরা যাক, একজন করদাতার—
নেট করদায় = ১,০০,০০০ টাকা
উৎসে কর্তিত কর = ৬০,০০০ টাকা
অগ্রিম পরিশোধিত কর = ১৫,০০০ টাকা
তাহলে তাঁর পরিশোধযোগ্য কর হবে—
১,০০,০০০ − ৬০,০০০ − ১৫,০০০ = ২৫,০০০ টাকা
এখন ৫% হারে ইনসেনটিভ হবে—
২৫,০০০ × ৫% = ১,২৫০ টাকা
অর্থাৎ, তাঁর নেট করদায় ১,০০,০০০ টাকা হলেও ইনসেনটিভ হিসাব করা হবে শুধু ২৫,০০০ টাকা পরিশোধযোগ্য করের ওপর। তাই তিনি ইনসেনটিভ পাবেন ১,২৫০ টাকা।
বিশেষ করে বেসরকারি চাকরিজীবীরা অনেক ক্ষেত্রে এই সুবিধা একেবারেই পাবেন না অথবা খুব কম পাবেন। কারণ তাঁদের বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সমন্বয়ের পর অধিকাংশ বা সম্পূর্ণ কর সাধারণত বেতন থেকেই উৎসে কেটে নেওয়া হয়। ফলে রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য কর খুব কম থাকে বা থাকেই না।
সুতরাং, ই-রিটার্নে ইনসেনটিভের পরিমাণ কম দেখালে আগে দেখতে হবে—আপনার নেট করদায় কত এবং উৎসে কর্তিত, সংগৃহীত ও অগ্রিম কর বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত পরিশোধযোগ্য কর কত রয়েছে।
📢 টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে
আয়কর আইনের সংশোধিত ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী, এখন গ্রস প্রাপ্তির কোনো ন্যূনতম সীমা নেই। ফলে নিয়মিত পদ্ধতিতে নির্ধারিত আয়কর যদি টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে টার্নওভার ট্যাক্সই পরিশোধ করতে হবে।
---
🔎 উদাহরণ
ব্যবসার ধরন: ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসা
বার্ষিক বিক্রয় (Gross Receipt) = ৪০,০০,০০০ টাকা
নিট আয় (Taxable Income) = ৫,৩৫,০০০ টাকা
---
📌 আগের বিধান (ধারা ১৬৩(৫))
গ্রস প্রাপ্তি ৪ কোটি টাকার কম হওয়ায় টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো না।
নিয়মিত করের হিসাব
প্রথম ৪,০০,০০০ × ০% = ০ টাকা
অবশিষ্ট আয় = ৫,৩৫,০০০ − ৪,০০,০০০ = ১,৩৫,০০০ টাকা
১,৩৫,০০০ × ১০% = ১৩,৫০০ টাকা
👉 মোট প্রদেয় কর = ১৩,৫০০ টাকা
---
📌 বর্তমান বিধান (ধারা ১৬৩(৬))
নিয়মিত কর
= ১৩,৫০০ টাকা
টার্নওভার ট্যাক্স
৪০,০০,০০০ × ১%
= ৪০,০০০ টাকা
যেহেতু—
টার্নওভার ট্যাক্স (৪০,০০০ টাকা) > নিয়মিত কর (১৩,৫০০ টাকা)
তাই প্রদেয় কর হবে ৪০,০০০ টাকা।
✅ অতিরিক্ত করের দায়
৪০,০০০ − ১৩,৫০০
= ২৬,৫০০ টাকা
⚖️ আইনগত রেফারেন্স
পূর্বের বিধান: আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৩(৫)
বর্তমান বিধান: সংশোধিত ধারা ১৬৩(৬)
22/07/2026
শুরু হয়ে গেলো নতুন আয়কর ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের রিটার্ন জমা দেয়া। মাত্র ১ দিনে সঠিক ভাবে রিটার্ন সাবমিট করতে যোগাযোগ করুন আয়ান ইনকাম ট্যাক্স এন্ড ভ্যাট কনসালট্যান্সি তে।
হোয়াটসঅ্যাপ করুন- 01867-044471
*৫% অতিরিক্ত ট্যাক্স রিবেট*
📢 সুসংবাদ, সম্মানিত করদাতা!
১ জুলাই–৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দিলে প্রদেয় করের উপর ৫% অতিরিক্ত ট্যাক্স রিবেট (সর্বোচ্চ ৳২৫,০০০) পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ✅
⏰ কখন জমা দিলে কী সুবিধা?
১ম কোয়ার্টার (জুলাই-সেপ্টেম্বর): ৫% রেয়াত ✅
২য় কোয়ার্টার (অক্টোবর-ডিসেম্বর): কোনো সুবিধা/জরিমানা নেই
৩য় কোয়ার্টার (জানুয়ারি-মার্চ): ৫% অতিরিক্ত কর
৪র্থ কোয়ার্টার (এপ্রিল-জুন): ১০% অতিরিক্ত কর
✅ নতুন করহার ২০২৬-২০২৭:
৪ লাখ পর্যন্ত – শূন্য
পরবর্তী ৩ লাখ – ১০%
পরবর্তী ৪ লাখ – ১৫%
পরবর্তী ৫ লাখ – ২০%
পরবর্তী ২০ লাখ – ২৫%
অবশিষ্ট – ৩০%
দেরি করলে জরিমানা, আগে জমা দিলে সাশ্রয় — সিদ্ধান্ত এখন আপনার হাতে।
📁 আপনার ট্যাক্স রিটার্ন ফাইলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ এই নম্বরে WhatsApp করুন:
📞 01867-044471
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে সময় নষ্ট করছেন ? আয়ান ইনকাম ট্যাক্স এন্ড ভ্যাট কনসালট্যান্সির মাধ্যমে
মাত্র ১ দিনের মধ্যে আপনার ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করুন।
ব্যবসা সচল রাখতে এবং আইনি ঝামেলা এড়াতে সময়মতো ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। দেরি হলে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল বা অন্যান্য জটিলতার সম্মুখীন হতে পারেন।
কম খরচ, বিশ্বস্ত দ্রুত ও প্রফেশনাল সার্ভিস।
আয়ান ইনকাম ট্যাক্স এন্ড ভ্যাট কনসালট্যান্সির অন্যান্য সেবা সমূহ-
✅ নতুন ট্রেড লাইসেন্স মাত্র ৩-৫ দিনে।
✅ আয়কর রিটার্ন
✅ মাসিক ভ্যাট রিটার্ন
✅ টিন ও বিন সার্টিফিকেট নিবন্ধন, সংশোধন,উত্তোলন
✅ ইমপোর্ট লাইসেন্স IRC ও এক্সপোর্ট লাইসেন্স ERC, লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন RJSC
✅পাসপোর্ট আবেদন এবং রিনিউ
সব এক জায়গায়।
এছাড়াও টিন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় সমাধান পেতে 📞 আজই হোয়াটসঅ্যাপ করুন:
📱 01867-044471
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
House-25, Road-20, Block C, Mirpur/12
Dhaka