10/06/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:
■ জুলাই – সেপ্টেম্বর: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।
■ অক্টোবর – ডিসেম্বর: এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।
■ জানুয়ারি – মার্চ: এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।
■ এপ্রিল – জুন: এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
12/05/2026
📘 আয়কর রিটার্ন অডিট লিস্টে নাম এসেছে, এখন করণীয় কী?
অনেকেই আমাকে নক দিচ্ছেন—ফাইল অডিটে পড়েছে, এখন কী করবেন?
এই বিষয় টি নিয়েই আজকের লেখা।
সম্প্রতি কর বর্ষ ২০২৩-২৪ এর জন্য Risk Based Audit Criterion এর ভিত্তিতে ৭২,৩৪১টি রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
প্রথমেই একটি বিষয় জানা গুরুত্বপূর্ণ—
অডিটে নির্বাচিত হওয়া মানেই কোনো অপরাধ বা সমস্যা নয়। এটি আয়কর ব্যবস্থার একটি নিয়মিত ও আইনগত প্রক্রিয়া। কাজেই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে বিষয়টি সচেতনভাবে মোকাবিলা করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 একজন করদাতা হিসেবে আপনার করণীয় হতে পারে—
✅ প্রথমে নিশ্চিত হোন আপনার রিটার্নটি সত্যিই অডিটে নির্বাচিত হয়েছে কিনা।
প্রকাশিত তালিকা বা অনলাইন টুলের মাধ্যমে আপনার TIN যাচাই করে বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
✅ নিশ্চিত হওয়ার পর চাইলে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে নিজেই যোগাযোগ করতে পারেন।
অথবা ট্যাক্স অফিস থেকেও পরবর্তীতে নোটিশ ইস্যু করা হবে।
✅ ট্যাক্স অফিসের নোটিশ ও যোগাযোগ গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করুন।
অনেক ক্ষেত্রে কর অফিস ব্যাখ্যা, তথ্য বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইতে পারে। সময়মতো সেগুলো প্রদান করে সহযোগিতা করুন। এতে অডিট কার্যক্রম সহজভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
⚠️ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
যদি কোনো করদাতা ট্যাক্স অফিসের সাথে যোগাযোগ না করেন বা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না করেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তা বিদ্যমান তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বিবেচনায় কর নির্ধারণ করতে পারেন। ফলে অতিরিক্ত কর, জরিমানা বা অন্যান্য জটিলতা তৈরি হতে পারে, যা পরবর্তীতে করদাতার জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
✅ নিজের রিটার্ন ও তথ্যগুলো আরেকবার মিলিয়ে দেখুন।
আয়, ব্যয়, ব্যাংক তথ্য, সম্পদ-দায়, বিনিয়োগসহ দাখিলকৃত তথ্য বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা যাচাই করুন।
✅ কোনো ভুল বা অসামঞ্জস্য না থাকলে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই।
সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্টস থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো যথাযথভাবে সমাধান করা সম্ভব।
✅ যদি মনে হয় বিষয়টি নিজে পরিচালনা করা কঠিন, তাহলে একজন অভিজ্ঞ আয়কর প্রফেশনালের পরামর্শ নিন।
বিশেষ করে জটিল আয়, ব্যবসায়িক লেনদেন বা বড় অংকের সম্পদের ক্ষেত্রে একজন বিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী বা ট্যাক্স প্রফেশনালের সহায়তা উপকারী হতে পারে।
⚖️ মনে রাখবেন—
সচেতনতা, সঠিক তথ্য এবং যথাযথ ডকুমেন্টসই একজন করদাতার সবচেয়ে বড় শক্তি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
27/04/2026
📢 **আয়কর রিটার্ন না দিলে বাসায় আসতে পারেন ট্যাক্স ইন্সপেক্টর — কঠোর অবস্থানে National Board of Revenue (NBR)**
ই-টিআইএন (e-TIN) থাকার পরও যারা নিয়মিত **আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন না**, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে **National Board of Revenue (NBR)**।
বর্তমানে কর প্রশাসন দ্রুত **ডিজিটাল নজরদারি ও অটোমেশন** ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে—যা Non-filer দের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।
31/01/2026
ব্যাক্তি আয়কর রিটার্ন দাখিল এর সময় বাড়লো আরো ১ মাস। অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন - 01761021098
28/01/2026
কর দাতার কথা বিবেচনা নিয়ে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার সময় বাড়ানো হবে আরো ১ মাস। আগামীকাল প্রজ্ঞাপন।
11/01/2026
চলতি কর বছরে ৩০ লাখের বেশি করদাতা ই রিটার্ন দাখিল করেছে। জরিমানা এড়াতে আপনিও আপনার রিটার্ন সময় মত দাখিল করুন। যে কোনো পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন : ০১৬২৫৯০৪৪৩১
#আয়কর
#রিটার্ন