K360

K360

Share

Knowledge360 (K360, in short) is an organisation based around connecting and coordinating knowledge

Knowledge360 (K360, in short) is an organisation based around connecting and coordinating knowledge resources. It has a specialist resource pool capable of catering to a wide range of business needs. And because of the unique organisational structure, K360 is able to provide highly specialised services at an affordable cost. The strength of K360 lies in its highly skilled, diverse and experienced

Photos from K360's post 24/07/2026

যুক্তরাষ্ট্র কি ব্রিটেনের কাছ থেকে ফকল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জ পুনরুদ্ধারে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দেবে?

২৩শে জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেয়ার হুমকি ইউরোপিয়দেরকে একত্রিত করেছে। আবার ইরান যুদ্ধের সময়ে ইউরোপিয়দের সমর্থন না পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউরোপিয় দেশগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যায়, সেটাও ইউরোপিয়দেরকে একত্রিত করবে। আর ফকল্যান্ডসকে লক্ষ্য করে যেকোন আর্জেন্টাইন সামরিক মিশনকে ইউরোপিয়দের বিরূপ দৃষ্টিতে দেখার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, নরওয়ে, পর্তুগাল এবং স্পেনের মতো দেশগুলি এখনও নিজেদের মূল ভূখন্ড থেকে বহু দূরে উপনিবেশ ধরে রেখেছে। তথাপি, ভেঙ্গে পড়া বিশ্বব্যবস্থার মাঝে প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরের সংযোগস্থলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন উভয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্য। এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার শেষ মাথায় একটা সামরিক ঘাঁটি খনিজ সমৃদ্ধ এন্টার্কটিকা মহাদেশে ঢোকার পথ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইউরোপের দূরত্ব এমন সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের গাজা ও ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রাইলকে শর্তহীন সমর্থন দিয়েছে আর্জেন্টিনা। যদি ইউরোপিয়রা ইরান যুদ্ধে সহায়তা না দেয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শাস্তির মাঝে পড়ে, তাহলে ঠিক একই কারণে আর্জেন্টিনা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা পুরষ্কৃত হতেই পারে। তবে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ব্রিটেনের ভূরাজনৈতিক দরকষাকষির বাইরে যাবে না।

https://koushol.blogspot.com/2026/07/us-support-argentina-falklands-recapture-britain.html?m=1

Photos from K360's post 30/06/2026

যুক্তরাষ্ট্র-ইস্রাইল দ্বন্দ্ব আসলে কতটুকু গভীর?

৩০শে জুন ২০২৬

মূলতঃ স্বার্থের সেকুলার রাজনীতিতে ইস্রাইল এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ১৯৪৮ সালে ইস্রাইলের জন্মের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইস্রাইলকে তেমন কোন আর্থিক সহায়তা দেয়নি। তবে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে ইস্রাইলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হতে থাকে; বিশেষ করে যখন থেকে ব্রিটেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তল্পিতল্পা গুটাতে থাকে। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সময়োচিত সমর্থন ব্যাতীত ইস্রাইলের অস্তিত্ব প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছিল। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় ইস্রাইল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্ব পেয়েছিল। ঠান্ডা যুদ্ধের পর তথাকথিত ‘ওয়ার অন টেরর’এর মাধ্যমে ইস্রাইল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ থেকেছিল। কিন্তু দুই দশকের ব্যার্থ ‘ওয়ার অন টেরর’এর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এখন চীন; যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইস্রাইলের কোন গুরুত্ব নেই। যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে চাইছে চীনকে মোকাবিলা করতে; যা ইস্রাইলকে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলেছে। তবে নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, ২০২২ সালের ৭ই অক্টোবর থেকে ইস্রাইল সত্যিকারের অস্তিত্ব সংকটের মাঝে পড়ে গেছে, যখন থেকে ইস্রাইলের দুর্বলতাগুলি ক্রমেই হাইলাইট হতে শুরু করে। ইস্রাইলের সামরিক দুর্বলতা তার প্রতিবেশীদের দৃষ্টি এড়ায়নি; বিশেষ করে তুর্কি-সৌদি-পাকিস্তানের জোট বাঁধার কারণে ইস্রাইল সামরিক দিক থেকে আগের অবস্থানে নেই। এবং একই সময়ে ইস্রাইল মার্কিন জনগণের সমর্থন ; যা কিনা এমন এক বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে, যে ইস্রাইল এখন নিশ্চিত নয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটা যুদ্ধে ইস্রাইল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে কিনা।

https://koushol.blogspot.com/2026/06/us-israel-rift-how-deep.html?m=1

Want your business to be the top-listed Accountant in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Sir Sayed Ahmed Road, Mohammadpur
Dhaka
1207