IFA Consultancy - IFAC

IFA Consultancy - IFAC

Share

We provide professional training and workshops on Islamic Finance.

IFA Consultancy (IFAC) is a research and training oriented institution, dedicated to human welfare and betterment through spreading the true spirit and beauty of Halal & Islamic Economy and Finance. IFA Consultancy (IFAC) is a research and training-oriented institution, dedicated to human welfare and betterment through spreading the true spirit and beauty of Halal & Islamic Economy and Finance. Ou

Photos from IFA Consultancy - IFAC's post 23/08/2026

গত ২২ আগস্ট বাংলাদেশের শরীয়াহ কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান IFA Consultancy - IFAC এবং পাকিস্তানের করাচিস্থ ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া বিনোরিয়া আলামিয়া Binoria Media (JBA) ও Centre for Islamic Economics Studies - CIES-র মধ্যে ইসলামী অর্থনীতি, শরীয়াহ শিক্ষা ও গবেষণায় কৌশলগত সহযোগিতার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (LOI) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো যৌথভাবে শিক্ষা কোর্স, কর্মশালা, সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজন করা, শরীয়াহ গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পন্ন করা এবং পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময় করা। IFA Consultancy - IFAC র পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ড. মুফতি Yousuf Sultan হাফি. । এই আয়োজনে প্রধান অতিথির হাতে IFA Consultancy - IFAC পক্ষ থেকে স্ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং Yousuf Sultan হাফি. সাম্প্রতিক একটি গবেষণাপত্র প্রদান করেন , এবং Centre for Islamic Economics Studies - CIES এবং ত্রৈমাসিক বিশেষ সংখ্যা প্রদান করা হয়।

On August 22, 2026, a non-binding Letter of Intent (LOI) was executed among IFA Consultancy - IFAC , Centre for Islamic Economics Studies - CIES, and Binoria Media Jamia Binoria Aalamia (JBA), an Islamic educational institution in Karachi, Pakistan, for strategic collaboration in Shariah education, training, and research. Valid for six months, the agreement aims to foster joint development of educational courses and workshops, organization of seminars and conferences, exchange of professional expertise, and collaboration on Shariah research and publications.

22/08/2026

ছোট্ট স্টেশনটিতে মাত্রই এসে দাঁড়িয়েছেন হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলি থানবি। হঠাৎ তুমুল বেগে বৃষ্টি শুরু হলো। স্টেশনে দাঁড়াবার ভালো ব্যবস্থা নেই। বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে হবে। স্টেশন মাস্টার লক্ষ করলেন ব্যাপারটা। হযরতকে তিনি নিয়ে গেলেন গুদাম ঘরে।

একটু পরেই সন্ধ্যা নামল। চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছে। স্টেশন মাস্টার এক কর্মচারিকে ডেকে বলল, গুদামঘরে বাতি জ্বেলে দিয়ে আয়। ব্যক্তিটি যেহেতু থানবি, হারাম তো দূর, সন্দেহজনক বস্তু থেকেও যিনি লক্ষ গুণ দূরে থাকার চেষ্টা করেন, তার জন্য এ এক বড় পরীক্ষার মুহূর্ত। গুদামে যে বাতিটি জ্বালানো হবে তা কি স্টেশন মাস্টারের ব্যক্তিগত, না রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের? যদি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের হয় সেটা কি তার জন্য ব্যবহার করা ঠিক হবে?

সহজ সমাধান আছে, নিষেধ করে দেওয়া। কিন্তু সমস্যা সেখানেও। স্টেশন মাস্টার হিন্দু। তার যদি মনে হয় ইসলাম অনেক কঠিন ধর্ম! এটাও তো করা যাবে না। তাহলে উপায়?

এ সময় এক কুদরতি ব্যাপার ঘটল। বান্দা যখন নিজেকে অন্যায় থেকে বাঁচাতে পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করে আল্লাহর রহমত তখন তাকে সাহায্য করে। স্টেশন মাস্টার হঠাৎ চিৎকার করে বলল, এই! আমাদের ব্যক্তিগত প্রদীপ জ্বালাবি। স্টেশনের না!

থানবি রহ. হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন!

তথ্যসূত্র:
আকাবির উলামায়ে দেওবন্দ কা তাকওয়া পৃ. ৪৯

#সালাফের সান্যিধ্যে

21/08/2026

আমাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম চলবে এই শুক্র-শনিবার , আপনার যে কোন শারিয়াহ সার্ভিসের জন্য অনলাইন অফলাইনে আমাদের সাথেই থাকুন।

19/08/2026

আধুনিক ডিজিটাল যুগে ব্যবসার প্রসার ঘটাতে কনটেন্ট মার্কেটিং অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলেও, একজন মুসলিম উদ্যোক্তা বা ডিজিটাল ক্রিয়েটর হিসেবে আমাদের অর্জিত উপার্জনের হালাল-হারাম ও বারাকাহর বিষয়টি নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আমরা প্রতিদিন না জেনে বা ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার অজুহাতে মার্কেটিংয়ে এমন কিছু অনৈতিক কৌশল অবলম্বন করে ফেলি যা শরীয়াহর মূলনীতির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক—যেমন বিজ্ঞাপনে বাদ্যযন্ত্রযুক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ব্যবহার, ছবি ও ভিডিওতে শালীনতার সীমা লঙ্ঘন, দ্রুত বিক্রির আশায় অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন, গ্রাহককে বিভ্রান্ত করার মতো কৃত্রিম অফার এবং অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করে বানানো ব্যঙ্গাত্মক মিমিক্রি কনটেন্ট। বাহ্যিক দৃষ্টিতে এসব চটকদার কৌশলে সাময়িক সেলস বা রিচ বাড়লেও, তা ব্যবসার মূল ভিত্তি থেকে বরকত ছিনিয়ে নেয়। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে আপনার ব্যবসা ও কনটেন্টকে শতভাগ শরীয়াহসম্মত ও বারাকাহপূর্ণ করতে IFA Consultancy তৈরি করেছে ‘মার্কেটিং শরীয়াহ গাইডলাইন’; যেখানে অতি সংক্ষিপ্ত ও সহজ উপায়ে তুলে ধরা হয়েছে—ছবি ও ভিডিও ব্যবহারের শরঈ বিধান, বাদ্যযন্ত্রের বিকল্প হিসেবে ন্যাচারাল সাউন্ড ও ভয়েসওভার প্রয়োগের মাধ্যম, মিমিক্রি মার্কেটিংয়ের শরীয়াহ স্বীকৃত সীমানা এবং প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তা যাচাই করার জন্য একটি কার্যকরী ‘শরীয়াহ চেকলিস্ট’। সাময়িক বিক্রির চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হালাল রিজিকই একজন মুমিনের আসল সাফল্য—তাই আজই আপনার মার্কেটিং কৌশলকে সম্পূর্ণ ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে রূপান্তর করতে গাইডলাইনটি সংগ্রহ করুন , গাইডলাইনটি কিনতে কমেন্টের লিংক চেক করুন।

19/08/2026

আজ বুধবার , দুপুর ৩-৪ টা পর্যন্ত আমাদের হটলাইন নাম্বার আপনার জন্য খোলা ।

19/08/2026

ইসলামী অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সে আগ্রহীদের জন্য এ বিষয়ক একটি স্বতন্ত্র সাময়িকী দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল। আইএফএ কনসালটেন্সি ও আদল অ্যাডভাইজরির সহযোগিতায় মারকাযু দিরাসা সেই দাবি পূরণেই কাজ শুরু করেছে এবং ‘ইসলামী অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স’ নামে একটি সমৃদ্ধ ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশ করছে। ইতিমধ্যে পত্রিকাটির চমৎকার কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। আজ আমরা পরিচিত হব এর এপ্রিল-জুন সংখ্যাটির সঙ্গে।

পত্রিকাটির নিয়মিত আয়োজনগুলোর মধ্যে রয়েছে “অর্থনীতির সবক: কোরআন ও হাদিস থেকে”। এই আয়োজনে ইসলামী অর্থনীতি সংক্রান্ত আয়াত ও হাদিসের অনুবাদ এবং সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়। চলতি সংখ্যায় বিষয় হিসেবে চয়ন করা হয়েছে রিশওয়াহ বা ঘুষকে। অল্প কথায় ঘুষের পরিচিতি ও ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে এই আলোচনাটি খুবই ফায়দা দেবে।

নিয়মিত অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে রয়েছে পাঠকের জিজ্ঞাসার জবাব। যেখানে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সংক্রান্ত শরিয়াহ প্রশ্নের জবাব প্রদান করা হয়। এ সংখ্যায় ঋণ ও ওয়াকফ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর রয়েছে। এর বাইরে আছে ইসলামী অর্থনীতির ব্যক্তি ও গ্রন্থ পরিচিতি। ব্যক্তি পরিচিতিতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আলেম ও ফকিহ শায়েখ মুহাম্মদ মুস্তফা যারকা এবং গ্রন্থ পরিচিতিতে আলোচনা করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি সম্পর্কিত কালজয়ী গ্রন্থ ‘কিতাবুল আমওয়াল’ সম্পর্কে।
এর বাইরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ বিযুক্ত হয়েছে যথাক্রমে ক্রাউডফান্ডিং ও ইসলামী ক্রাউডফান্ডিংয়ের রূপরেখা এবং CPA মার্কেটিং ও তার শরিয়াহ সম্পর্কে। প্রবন্ধদুটি লিখেছেন যথাক্রমে মুফতি যুবায়ের আব্দুল্লাহ ও মুফতি লুকমান হাসান।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘোষিত বাজেট সম্পর্কেও দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা এ সংখ্যার গুরুত্ব অনেক দূর বৃদ্ধি করেছে। পর্যালোচনা দুটি লিখেছেন বাংলাদেশের শীর্ষ দুই ইসলামী অর্থনীতিবিদ আলেম ড. মুফতি ইউসুফ সুলতান ও মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম। শায়েখ ইউসুফ সুলতান করভিত্তিক বাজেটের সমস্যার দিক এবং সুদনির্ভরতার ভয়াবহ পরিণতিগুলো তুলে ধরেন। শায়েখ আব্দুল্লাহ মাসুম প্রস্তাবনা রাখেন কর/ভ্যাট না বাড়িয়েও কীভাবে রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব।

এছাড়াও মারকাজে বিশ্ববিখ্যাত আলেম মুফতি তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লার সুযোগ্য সন্তান মুফতি ইমরান আশরাফ উসমানি প্রদত্ত বয়ানের অনুবাদ এবং ইসলামি ফিন্যান্স সংক্রান্ত তার আরেকটি লেখার অনুবাদ সংখ্যাটির সমৃদ্ধি আরও বাড়িয়ে তুলে।

সংখ্যাটি সংগ্রহ করতে কিংবা আগামী সংখ্যার জন্য এজেন্ট বা নিয়মিত গ্রাহক হিসেবে যুক্ত হতে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

WhatsApp: 01954932730

#গ্রন্থ পরিচিতি

18/08/2026

Our hotline number is open for you today, Tuesday, from 3-4pm.

18/08/2026

এ সপ্তাহের প্রশ্ন:

বন্ধকি বস্তু থেকে উপকৃত হওয়া রিবার কোন প্রকারে পড়বে?

ক. রিবাল করজ
খ. রিবাদ দাইন
গ. রিবাল বুয়ু
ঘ. রিবান নাসিআ

16/08/2026

রফিক একজন তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি একটি অর্গানিক ফার্ম করতে চান। কিন্তু অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে ইচ্ছুক নন, এর নানাবিধ জটিল প্রক্রিয়া এবং সুদের কারণে। তিনি বুদ্ধি করে একটি অনলাইন প্লাটফর্ম খুললেন। তার ব্যবসার উদ্দেশ্য, ধরণ, পদ্ধতি ও লক্ষ্য ইত্যাদি যাবতীয় বিবরণ উল্লেখ করে আগ্রহীদের অর্থায়নের জন্য আবেদন করলেন। বুদ্ধিতে কাজ হলো। অল্পদিনে তিনি কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ পেয়ে গেলেন।

ধরণটা কি পরিচিত মনে হচ্ছে?

হ্যা, বর্তমানে গণঅর্থায়নের এই পদ্ধতিটি ব্যাপকতা লাভ করছে। এক সময় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো গণচাঁদার ভিত্তিতে পরিচালিত হতো। এখন বিভিন্ন নতুন ব্যবসা বা সৃজনশীল উদ্যোগেও এভাবে গণঅর্থায়নের আবেদন করা হয়। রাজনীতিবিদ নিজের নির্বাচনী খরচ চালাতে বা রাজনৈতিক দল চালাতেও এই পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন।

পদ্ধতিটির পারিভাষিক নাম—ক্রাউডফান্ডিং (Crowdfunding) যাকে ভাঙলে দুটি শব্দ পাওয়া যায়—Crowd যার অর্থ ভিড় বা জনসমাগম। আর Funding অর্থ টাকা সরবরাহ করা। ফলে উভয়টির সম্মিলত অর্থ দাঁড়ায় গণঅর্থায়ন।

ইন্টারনেটের সাহায্যে সাধারণ জনগণের একটি বড় সমষ্টির কাছ থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংকের অর্থ সংগ্রহ করে নতুন কোনো ব্যবসা, প্রকল্প বা সামাজিক কাজে তহবিল গঠন করার আধুনিক প্রক্রিয়াকেই ক্রাউডফান্ডিং বলে। এই অর্থায়ন যেমন ঋণভিত্তিক বা শেয়ারভিত্তিক হয়, তেমনি অনুদাননির্ভরও হয়।

উপরের আলোচনা থেকেই অনুমেয় যে, এখানে মোট তিনটি পক্ষ থাকে:

১। উদ্যোক্তা: যে অর্থের সন্ধানে তার আইডিয়া বা উদ্যোগটি উপস্থাপন করে।
২। জনগণ: যারা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অর্থ প্রদানে সম্মত হয়।
৩। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম: যে ডিজিটাল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে উভয়পক্ষ একত্রিত হয় এবং লেনদেন সম্পন্ন হয়।

পদ্ধতিটিকে শরিয়াসম্মত রাখতে এর সকল প্রক্রিয়ায় শরিয়া নির্দেশনাগুলোর প্রতি লক্ষ রাখা এবং শরিয়া নিষিদ্ধ বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। যা একে সাধারণ ক্রাউডফান্ডিং থেকে ইসলামী ক্রাউডফান্ডিংয়ে রুপান্তরিত করবে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে মারকাযু দিরাসাতিল ইকতিসাদিল ইসলামী-এর মুখপত্র ‘ইসলামী অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স’ পত্রিকার এপ্রিল-জুন সংখ্যাটি পড়া যেতে পারে।

#নলেজ শেয়ার

15/08/2026

ইমাম সুফিয়ান সাওরির এক বন্ধু ছিল বড় আপন। তিনি প্রায়ই বন্ধুর বাড়ি যেতেন। রাত কাটাতেন। বন্ধুও তার কাছে আসতো খুব। বন্ধুর ইন্তেকালের পর তার ছেলে একদিন সুফিয়ান সাওরির সঙ্গে দেখা করতে এলেন। সঙ্গে থলেভর্তি টাকা। ছেলেটি ছিল বড় চালাক। সরাসরি সে হাদিয়া পেশ না করে একটু ভিন্ন পথে এগোলো। সুফিয়ান সাওরিকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, আব্বার প্রতি কি আপনার মনে কোনো ধরণের অসন্তুষ্টি আছে? কোনো বিরক্তি বা ক্ষোভ?

সাওরি বললেন, না তো! সে তো বড় ভালো মানুষ ছিল। আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন!

ছেলেটি আবার বলল, আমাদের উপার্জন সম্পর্কেও তো আপনার বেশ জানাশোনা আছে। কোথা থেকে কীভাবে আমাদের কামাই হয় আপনি খুব ভালো করেই জানেন।

সাওরি বললেন, হ্যা, জানি তো।

এবার ছেলেটি আসল কথা পাড়ল, তাহলে অনুগ্রহ করে এই হাদিয়াটুকু গ্রহণ করুন। অনেক খুশি হব।

সুফিয়ান সাওরি হাদিয়া গ্রহণ করলেন। ছেলেটি বেরিয়ে গেল। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ছোট ভাই মোবারককে বললেন, যাও, হাদিয়ার টাকাগুলো তাকে ফেরত দিয়ে এসো।

মোবারক হাদিয়া ফেরত দিতে গেলে বন্ধুর ছেলে আবার ফিরে এলো। বলল, আপনি কি কোনো কারণে আমার উপর রাগ করেছেন? সাওরি বললেন, না।

তাহলে আমার হাদিয়া ফেরত দিয়ে দিচ্ছেন কেন?

বললেন, বেটা! আমি তো তোমার হাদিয়া গ্রহণ করেছি। তোমার প্রতি কোনো অনুযোগ থাকলে তা করতাম না। তবে আমি চাই এগুলো তুমি ফেরত নিয়ে যাও। ছেলেটি অনেক পীড়াপীড়ি করল। কিন্তু তিনি রাখলেনই না শেষ পর্যন্ত। অগত্যা বাধ্য হয়ে সে চলে গেল।

ছেলেটি চলে যেতেই মোবারক তাকে ধরে বসলেন। ভাই! আপনার মনে কি দয়ামায়া বলতে কিছুই নাই? মন কি পাথর হয়ে গেছে আপনার? ধরলাম আপনার পরিবার বলতে কেউ নাই। কিন্তু আমার তো আছে। আপনার ভাতিজা-ভাতিজি মানে আমার সন্তানরা আছে। হাদিয়া আপনি নিজের জন্য নাইবা রাখলেন, আমাকে তো দিয়ে দিতে পারতেন।

সুফিয়ান সাওরি জবাব দিলেন, বাহ! বেশ তো মতলব তোমার! তুমি আরামসে এসব ভোগ করবে আর আখেরাতে এর জন্য জবাবদিহি করব আমি? মনে রেখো! এমনটা কখনও হবে না।

হাশরে প্রতিটি সম্পদের হিসাব দিতে হবে, এই ভয়ে তারা বৈধ সম্পদের প্রাচুর্যও প্রচন্ড ভয় পেতেন।

তথ্যসূত্র:
হিলয়াতুল আউলিয়া, আবু নুয়াইম ইস্ফাহানি,
তারিখে বাগদাদ, খতিব আবু বকর বাগদাদি

#সালাফের সান্যিধ্যে

Want your business to be the top-listed Accountant in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Kha, 215/2 JS Tower, Merul Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00