13/06/2026
কোন সন্দেহ নেই ২০২৬-২০২৭ কর বর্ষে সবার করের চাপ বেশ বাড়বে! কারণ এই কর বর্ষ থেকে ১ লক্ষ টাকার উপর ৫% কর প্রদানের স্ল্যাবটি বাতিল করা হয়েছে এবং ১০% ও ১৫% স্ল্যাব দুটি থেকে ১ লক্ষ টাকা করে কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া রিবেট (রেয়াত) এর হার ১৫% থেকে কমিয়ে ১০% করা হয়েছে এবং গ্রাম ও শহর সর্বত্র নূন্যতম কর ৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
12/06/2026
সবাই এবার করের জালে আটকা পড়তে যাচ্ছে!
12/06/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:
■ জুলাই – সেপ্টেম্বর: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।
■ অক্টোবর – ডিসেম্বর: এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।
■ জানুয়ারি – মার্চ: এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।
■ এপ্রিল – জুন: এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
#করযোগ্য #আয়কর
12/06/2026
২০২৬-২০২৭ কর বর্ষ থেকে শুরু করে ২০৩০-২০৩১ কর বর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছর আপনাকে কোন বছরে কত হারে আয়কর দিতে হবে তা জেনে নিন।
মনে রাখবেন, এখন থেকে দেশের যে কোন স্থানে কোন ব্যক্তির আয় করযোগ্য সীমা অতিক্রম করলেই তাকে নূন্যতম ৫,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে। তবে যারা নতুন করদাতা এবং প্রথমবার রিটার্ন জমা দিবেন তাদের জন্য নূন্যতম ট্যাক্স ১,০০০ টাকা প্রযোজ্য হবে।
08/06/2026
করযোগ্য সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে সরকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) বাধ্যতামূলক করতে চলেছে।বিদ্যমান অ্যাকাউন্টধারীদেরও তাদের অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখতে টিআইএন প্রয়োজন হবে।
তবে,জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সূত্র অনুযায়ী,শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রী,সরকারি ভাতা প্রাপক এবং গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই এই ছাড় প্রযোজ্য হতে পারে।
বর্তমানে, বিপুল সংখ্যক ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারীর টিআইএন (TIN) নেই।এক্ষেত্রে,সুদের আয়ের উপর উচ্চ হারে উৎস কর আরোপ করা হয়,যদিও ব্যাংকিং পরিষেবা পাওয়ার জন্য টিআইএন থাকা কখনোই বাধ্যতামূলক ছিল না।
ব্যাংকাররা সতর্ক করেছেন যে এই শর্তগুলো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেনকে ধীর করে দিতে পারে।তবে,বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেন যে ব্যাংকিং কার্যক্রমকে কর পরিপালনের সাথে যুক্ত করলে নজরদারি উন্নত হবে এবং কর ফাঁকি কমবে।
এনবিআর-ও ব্যাংকগুলোর সাথে ব্যাপক ডেটা ইন্টিগ্রেশনের পরিকল্পনা করছে।ব্যাংকিং ডেটার বাইরেও,একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এর সিস্টেমগুলোকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ইউটিলিটি পরিষেবা,সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য সরকারি ডেটাবেসের সাথে সংযুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
゚viralシfypシ゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ
02/06/2026
মোটরসাইকেলে বসছে না অগ্রিম আয়কর! বাদ পড়ছে সম্পদ কর বসানোর প্রস্তাব
31/05/2026
Short Question for ITP-2026
6. Income from salary falls under:
A. Employment Income
B. Business Income
C. Capital Gain
D. Financial Asset Income
7.Dividend income is generally classified as:
A. Employment Income
B. Rent Income
C. Financial Asset Income
D. Agricultural Income
8. Agricultural income in Bangladesh is:
A. Fully taxable
B. Partially taxable
C. Exempt subject to conditions
D. Never reported
9. The assessment year follows:
A. Income year
B. Calendar year
C. VAT year
D. Budget year only
10. A non-resident individual is generally taxed on:
A. Worldwide income
B. Foreign income only
C. Bangladesh-source income
D. Agricultural income only
Answer : please see 1st comment....
31/05/2026
Short questions for ITP-2026
1. The Income Tax Act 2023 came into effect on:
A. 1 January 2023
B. 22 June 2023
C. 1 July 2023
D. 1 January 2024
2. Income Tax Act 2023 replaced:
A. VAT Act 2012
B. Finance Act 2023
C. Income Tax Ordinance 1984
D. Gift Tax Act 1990
3. Which authority administers income tax in Bangladesh?
A. Bangladesh Bank
B. NBR
C. BIDA
D. Ministry of Commerce
4. TIN stands for:
A. Tax Identification Number
B. Taxpayer Identification Number
C. Tax Income Number
D. Tax Invoice Number
5. The head of NBR is called:
A. Chairman
B. Governor
C. Commissioner
D. Secretary
Answer : please see 1st comment....
27/05/2026
প্রতি বছর কুরবানির ঈদ এলেই পশুর হাটে লাখ টাকার, এমনকি অর্ধ কোটি টাকার বংশীয় গরুর খবর আমাদের নজর কাড়ে। ২০ লাখ, ৩০ লাখ বা তার চেয়েও বেশি দামে কুরবানির পশু কেনা এখন আর খুব একটা বিরল ঘটনা নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এত বিশাল অঙ্কের টাকায় কুরবানির গরু কিনলে কি আলাদা করে কোনো আয়কর দিতে হয় কি?
সহজ উত্তর হলো, গরু কেনার ওপর সরাসরি কোনো স্পেসিফিক ‘আয়কর’ নেই। কিন্তু আয়কর আইনের আসল খেলাটা শুরু হয় অন্য জায়গায়— আপনার আয়ের উৎস এবং আয়কর রিটার্নে। চলুন বিষয়টি একটু বিশ্লেষণ করা যাক।
আপনি ২০ লাখ টাকায় একটি গরু কিনলেন, এর মানে হলো আপনার ব্যক্তিগত বা উৎসবকেন্দ্রিক ব্যয় অনেক বেশি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্বাভাবিকভাবেই আপনার কাছে জানতে চাইতে পারে— এই ২০ লাখ টাকা আপনি কোথায় পেলেন?
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় নির্দিষ্ট শর্তে করদাতাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবরণী বা আইটি-১০বিবি (IT-10BB) ফরম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আপনি যখন ২০ লাখ টাকার গরু কিনবেন, তখন উৎসব বা ব্যক্তিগত খরচের খাতে এই টাকা আপনার ফাইলে প্রতিফলিত হতে হবে। আপনার রিটার্নে যদি এই পরিমাণ টাকা খরচ করার মতো পর্যাপ্ত বৈধ আয় বা সঞ্চয় দেখানো না থাকে, তবে আপনি কর বিভাগের নজরে পড়বেন।
ধরা যাক, আপনার আয়কর ফাইলে বাৎসরিক আয় দেখানো আছে ৫ লাখ টাকা বা আপনার তেমন কোনো দৃশ্যমান জমানো টাকা নেই। অথচ আপনি কুরবানির গরু কিনলেন ২০ লাখ টাকার।
এক্ষেত্রে আয়কর আইনের বিধান অনুযায়ী, আয়কর কর্তৃপক্ষ এই অতিরিক্ত ব্যয়ের টাকাকে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ (Undisclosed Income) বা ব্যাখ্যাহীন ব্যয় হিসেবে গণ্য করবে।
এর পরিণতি কী?
এই টাকার ওপর আপনাকে সাধারণ হারে আয়কর দিতে হবে এবং একইসাথে কর ফাঁকির দায়ে জরিমানাও গুনতে হতে পারে।
অনেকে বলতে পারেন, আমি নিজে কিনিনি, আমার প্রবাসী ভাই বা আত্মীয় উপহারের টাকা পাঠিয়েছেন।
সেক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার প্রমাণ এবং যিনি টাকা দিয়েছেন, তার আয়ের বৈধ উৎস আপনাকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে হতে পারে। নগদ টাকায় এমন দাবি খুব একটা ধোপে টেকে না।
এখন আপনি যদি গরু কেনার খরচই না দেখান?
এটাই হয় বেশি। করদাতাদের পারিবারিক খরচ এই মূল্যস্ফীতির যুগেও সচরাচর ২-৩ লাখের বেশি হয় না।
অডিট হলে কিন্তু পারিবারিক ব্যয় নতুন করে প্রাক্কলন করা হয়। তদন্তে গেলে আমরা এই বিষয়গুলো যাচাই করার চেষ্টা করি এবং তদন্ত প্রতিবেদনে তা উল্লেখও করি।
ধরেন অডিটে আপনার আয়ের নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেল না, কিন্তু আপনার ব্যয় হিসাব করে দেখা গেল আয়ের চাইতে ব্যয় বেশি। তাহলে বেশি ব্যয়টুকু আপনার আয় হিসেবেই গণ্য হবে।
২০ লাখ টাকার কুরবানির গরু কিনলেই যে সাথে সাথে গরুর হাটে আয়কর দিয়ে আসতে হবে, বিষয়টা এমন নয়। তবে আপনার আয়কর নথিতে যদি এই বিশাল পরিমাণ ব্যয়ের বিপরীতে বৈধ ও কর পরিশোধিত আয়ের উৎস দেখানো না থাকে, তবে উৎসবের এই আনন্দ পরবর্তীতে আয়কর নোটিশের কারণ হতে পারে।
তাই শখ করে দামি গরু কেনার আগে নিজের আয়কর ফাইলের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
সুতরাং, গরু-ছাগল কিনুন; সামর্থ্য থাকলে উটও কিনুন। কিন্তু আয়কর ফাইলের হিসাবটাও একটু মাথায় রাখুন।