ই-মেইল আর মোবাইলেও করা যাবে আইপিও’র আবেদন
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পদ্ধতি সংস্কারের ফলে আগের চেয়ে সহজে করা যাবে আইপিও আবেদন। এমন কি ই-মেইল আর মোবাইল ফোনেও আবেদন করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। অবশ্য বিষয়টি নির্ভর করবে গ্রাহক ও ব্রোকারহাউজের পারস্পরিক বোঝাপড়ার উপর। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বর্তমান পদ্ধতিতে আইপিও’র আবেদন জমা দিতে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয় বিনিয়োগকারীদের। অল্প কয়েকটি ব্যাংকের নির্বাচিত শাখায় থাকে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ লাইন। অন্যদিকে এসব আবেদনপত্র প্রক্রিয়াজাত করতেও বেশ সময় লাগে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পদ্ধতিটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। চলতি মাসের শেষভাগে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হতে পারে। আর জুন থেকে এটি বাধ্যতামূলক হবে সব কোম্পানির আইপিও’র ক্ষেত্রে।
জানা গেছে, বর্তমান পদ্ধতিতে আবেদনপত্রে অনেকগুলো তথ্য দিতে হয়। এতে সই করতে হয় আবেদনকারীকে। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে আবেদনপত্রে তথ্য দিতে হবে মাত্র চারটি। ব্যাক্তির নাম, বিও নাম্বার, ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার এবং শেয়ার সংখ্যা। আর সেগুলোও আবেদনপত্রে বারবার লিখতে হবে না। বিনিয়োগকারী তার ডিপি বা ব্রোকারকে আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করলে তিনি গ্রাহকের হয়ে ওই আবেদন জমা দেবেন। আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে গ্রাহকের আবেদনপত্র। তাতে থাকবে ডিজিটাল সিগনেচার (স্বাক্ষর)।
সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন পদ্ধতির মত একই উপায়ে গ্রাহক আইপিওতে আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারবেন। বর্তমানে একজন গ্রাহক স্বশরীরে ব্রোকারহাউজে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে শেয়ার কেনা বা বেচার আদেশ দিতে পারেন। আবার ফোন বা ই-মেইলেও শেয়ার কেনা-বেচার আদেশ দেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে ব্রোকার ও গ্রাহকের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ও বোঝাপড়া থাকতে হয়।
একই পদ্ধতিতে আইপিও’র ক্ষেত্রেও আদেশ দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ব্রোকারের কাছে সংরক্ষিত নির্ধারিত ফরমে আগাম সই করে রাখতে হবে। ফোন বা ই-মেইলে আদেশের পর সই করা আগের ফরমটির বাকী অংশ পূরণে করে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবে ব্রোকারহাউজ। অবশ্যই ব্রোকারহাউজে সংরক্ষিত বিনিয়োগকারীর হিসাবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ারে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ থাকতে হবে।
Initial Public Offering News Bangladesh
Want to share everything abou Ipo news IPO. The first sale of stock by a company to the public.
The most common reason for a company to initiate an IPO is in order to raise more capital.
পুঁজিবাজারে আসবে রূপসা ফিস
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় আছে খাদ্য খাতের কোম্পানি রূপসা ফিস লিমিটেড। কোম্পানিটি বাজারে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, কোম্পানিটি বাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের ওপর।
জানা গেছে, ১০ টাকার সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামের জন্য বিএসইসিতে আবেদন করবে। কোম্পানিটি তিন কোটি বাজারে শেয়ার ছাড়বে । এর মাধ্যমে বাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সোনালী ইনভেস্টমেন্টের উপ- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুরুজিত কুমার সাহা অর্থসূচককে বলেন, আমরা বিএসইসিতে প্রতিষ্ঠানটির আইপিও’র প্রসপেক্টাস শিগগিরই জমা দিবো। কমিশনের আনুমোদন পেলে কোম্পানিটি বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করবে
সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদন
এপ্রিল ০১:শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আজ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১৪তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটির শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।
৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক হিসেব অনুযায়ী এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৪.১১ টাকা।
আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ফ্যাক্টরি বিল্ডিং সম্প্রসারণ, মেশিনারিজ ক্রয়, গ্যাস জেনারেটর ক্রয়, ব্যাংক লোন পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।
এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)
মার্চে বিও বেড়েছে প্রায় ৬০ হাজার
এপ্রিল ০১: দেশে ১০ম জাতীয় সংসদ নিবার্চন পরবর্তী দুই মাস শেয়ারবাজার কিছুটা স্থিতিশীলতার মধ্যে থাকলেও মার্চ ছিলো তার ব্যতিক্রম। মার্চ মাস জুড়ে শেয়ারবাজার ছিলো পতনে নিমজ্জিত। এ মাসে কমেছে সূচক এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও। তার পরও থেমে নেই বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট খোলার প্রবণতা। প্রতি কার্যদিবসেই বেড়ে চলছে বিও অ্যাকাউন্ট। মার্চে বিও বেড়েছে প্রায় ৬০ হাজার। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, মার্চের শেষ দিন পর্যন্ত বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫০ হাজার ৯০৮টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩১টি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিওধারীর এ সংখ্যা ছিল ২৯ লাখ ৪ হাজার ৮২৩টি।
জানা যায়, মোট ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩১টি বিও অ্যাকাউন্টের মধ্যে পুরুষ বিওধারীর সংখ্যা ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৩০৫টি। ২৮ ফেব্রুয়ারি এ সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৭টি। অর্থাৎ পুরুষ বিও বেড়েছে ৩৪ হাজার ৩৮৮টি। অন্যদিকে মার্চ মাসে নারী বিওধারী ১৬ হাজার ৪৬৭টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৯টি। ২৮ ফেব্রুয়ারি নারী বিওধারীর সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৫১ হাজার ১০২টি। এ সময়ে কোম্পানি বিও বেড়েছে ৫৩টি। মার্চ শেষে কোম্পানি বিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৫৭টি। ফেব্রুয়ারি শেষে এ সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৮০৪টি।
এদিকে দেশে অবস্থারত বিনিয়োগকারীদের বিও সংখ্যা মার্চ শেষে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৭টি। আর ২৮ ফেব্রুয়ারি এ সংখ্যা ছিল ২৭ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩৭টি। অর্থাৎ মার্চে দেশে অবস্থারত বিনিয়োগকারীদের বিও বেড়েছে ৪৯ হাজার ৩৭০টি। অন্যদিকে এ সময়ে প্রবাসী বিও বেড়েছে ১ হাজার ৪৮৫টি। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী বিওধারীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮২টি, যা মার্চে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৭টি।
United Power IPOs get BSEC nod
The BSEC approved the bidding of United Power Generation and Distribution Company for 3.30 crore shares to fix the issue price under the book-building method.
The indicative share price of United Power Generation was approved at Tk 60 per share, including Tk 50 premium, by 28 eligible institutional investors.
After the bidding, the issue price will be fixed and the commission will approve the IPO prospectus, said a BSEC press release issued on the day.
According to the 31 December 2012 financial statement of the United Power, the earning per shares is Tk 10.21 and the company will repay its long-term debt and arrange current capital from the IPO proceeds.
Initial Public Offering News Bangladesh Want to share everything abou Ipo news
আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পেল ফার ইস্ট নিটিং
প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজারে শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পেয়েছে ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড।
কোম্পানিটি ২৭ টাকা দরে আইপিওতে শেয়ার ইস্যু করবে। এর মধ্যে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা, বাকী ১৭ টাকা প্রিমিয়াম।
কোম্পানিটির মার্কেট লট ২০০ শেয়ার নিয়ে। প্রতি লটের জন্য আবেদন করতে ৫ হাজার ৪০০ টাকা প্রয়োজন হবে।
ফার ইষ্ট নিটিং আইপিওতে ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এর মাধ্যমে সংগ্রহ করবে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরসহ গত ৫ বছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী অনুসারে শেয়ারের ভারীত্ব গড় আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ২৮ পয়সা পয়সা।
এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
পুঁজিবাজারে আসার অপেক্ষায় ন্যাশনাল ফিড
পুঁজিবাজারে আসার আপেক্ষায় আছে খাদ্য খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল ফিড লিমিটেড। কোম্পানিটি বাজারে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে পিএলএফএস ইনভেস্ট লিমিটেড। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড লিমিটেড মুরগীর খাবার তৈরি করে। কোম্পানিটি বাজার থেকে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের ওপর।
জানা গেছে, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটি শেয়ার ছাড়বে এক কোটি ৮০ লাখ। এর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পিএলএফএস ইনভেস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল অর্থসূচককে বলেন, আমরা বিএসইসিতে প্রতিষ্ঠানটির আইপিও’র প্রসপেক্টাস জমা দিয়েছি। কমিশনের আনুমোদন পেলে কোম্পানিটি বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করবে।
ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক আইপিও চাঁদা সংগ্রহ শুরু এপ্রিলে
এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা সংগ্রহের নিয়ম প্রচলনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আইপিও অনুমোদন পাওয়া খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানি অথবা তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং কোম্পানির আইপিও চাঁদা সংগ্রহ এ প্রক্রিয়ায় শুরু হতে পারে। ফলে আইপিও আবেদনে বিনিয়োগকারীর ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি।
পরীক্ষামূলক এ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে আগামী জুন থেকে পুরোপুরিভাবে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমেই আইপিও চাঁদা সংগ্রহ করা হবে। এ সেবার জন্য ব্রোকারেজ হাউসগুলো কমিশনও পাবে। গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও ইস্যু ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে আলোচনায় এ তথ্য জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএসইসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গতকালের ওই বৈঠকে কমিশনের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাজিদ হোসেনসহ কয়েকটি প্রধান মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের বিষয়ে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজিদ হোসেন বলেন, কমিশন আমাদের জানিয়েছে, আগামী মাসের শেষ থেকেই ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে আইপিও চাঁদা সংগ্রহ শুরু করা হবে। এ সময় ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও আইপিও চাঁদা সংগ্রহ অব্যাহত থাকবে। এ প্রক্রিয়ায় চাঁদা সংগ্রহ কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন শেষে জুন থেকে পুরোপুরি এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
সিএসইর এমডি আরো জানান, আইপিও চাঁদা সংগ্রহের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে নতুন করে সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে হবে এবং জনবলও নিয়োগ করতে হবে। এ কাজে তাদের প্রাথমিকভাবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। সাজিদ হোসেন বলেন, এজন্য কমিশনের পক্ষ থেকেই প্রস্তাব করা হয়েছে, আইপিও চাঁদা সংগ্রহ বাবদ ব্যাংকগুলোকে বর্তমানে দশমিক ১০ শতাংশ কমিশন দেয়া হয়। ব্রোকারেজ হাউসও এরকম কমিশন পাবে। তবে কমিশন হার কত হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তবে কিছু ব্রোকারেজ হাউস এ প্রক্রিয়ায় আইপিও চাঁদা সংগ্রহের বিরোধিতা করেছে বলে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা। তাদের মত হলো— উন্নত দেশের শেয়ারবাজারের মতো আমাদের দেশেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আইপিওর পুরো শেয়ার অবলেখনকারী (আন্ডাররাইটার) প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইস্যুয়ার কোম্পানি সব শেয়ার বিক্রি করবে। এরপর আন্ডাররাইটার নিজ দায়িত্বে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রি করবে বা নিজে রাখবে। এতে শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। স্বপন কুমার বলেন, দেশের বর্তমান ২৯ লাখ বিও হিসাবের মধ্যে অন্তত ১০ লাখ কেবল আইপিও শেয়ার ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে একজন ৩০০ থেকে ৫০০টি বিও হিসাবের মাধ্যমে আইপিও আবেদন করেন। এভাবে ওই ব্যক্তি যে শেয়ার পান, লেনদেনের শুরুতেই অনেক বেশি দরে তার পুরোটা বিক্রি করে বিপুল মুনাফা নিয়ে যান। বর্তমান তারল্য সংকটের মধ্যে বাজার থেকে এ অর্থ চলে যাওয়া ঠেকানোর জন্যই আমরা এ প্রস্তাব করেছি। তবে মনে হয় না, কমিশন আমাদের পরামর্শ গ্রহণ করবে।
এ প্রক্রিয়ায় সব বিনিয়োগকারী নিজ ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন করবেন। ব্রোকারেজ হাউস ওই আবেদনের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করবে বা গ্রাহকের বিও হিসাব থেকে সমপরিমাণ অর্থ সরিয়ে পৃথক ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে সব আইপিও আবেদনকারীর বিও হিসাব নম্বর ও আবেদনকৃত লট সংখ্যার তথ্য ইস্যু ব্যবস্থাপক বরাবর প্রেরণ করবে। একই সঙ্গে ওই সব আবেদনের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ-সংক্রান্ত ব্যাংক সার্টিফিকেট প্রদান করবে। এরপর ইস্যু ব্যবস্থাপক আইপিওতে নির্দিষ্ট শেয়ার লটের তুলনায় বেশিসংখ্যক আবেদন পেলে লটারির আয়োজন করবে। কেবল লটারি বিজয়ীদের তালিকা ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাছে পাঠাবে। ওই কৃতকার্য আবেদনকারীর টাকা কোম্পানি হিসেবে প্রেরণ করবে এবং অকৃতকার্যদের চাঁদার অর্থ পরদিনই পুনরায় বিও হিসাবে ফেরত দেবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আইপিও চাঁদা ও আবেদন জমা এবং পরবর্তী সময়ে রিফান্ড অর্ডার বা শেয়ার অ্যালটমেন্ট লেটার সংগ্রহের ঝক্কি কমবে বলে জানান তিনি।
খুলনা প্রিন্টিংয়ে আইপিও আবেদন গ্রহণ শুরু ৪ মে
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে আগামী ৪ মে রোববার থেকে। ইস্যুয়ার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, কোম্পানির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ ৪ মে শুরু হয়ে ৮ মে শেষ হবে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১৭ মে পর্যন্ত।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১২তম সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।
আইপিওর মাধ্যমে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৪ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।
৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৮২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৪.২৬ টাকা।
কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
51 IPO (initial public offering) awaiting approval from the securities regulator.
A total of 51 IPO (initial public offering) proposals, mostly from textile sector, worth Tk50bn are awaiting approval from the securities regulator.
Some of the companies submitted their applications more than two years ago, officials said.
Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) is supposed to reject or approve the proposals within 60 days of application as per the capital issue rules.
Because of the delayed approval, the financial statements of many companies applied for going public have already expired as the companies were not allowed to submit the reports not older than 120 days at the time of submission of the IPOs.
On April 3, 2011, Energyprima submitted IPO application to raise around Tk3bn with offer price of Tk95 per share, including a premium of Tk85. But on March 3, 2012, the company revised its IPO application by reducing the offer price to Tk46 each to raise Tk1.75bn in line with the BSEC directive.
The company has been the oldest applicant to go public.
Like Energyprima, Keya Cotton, MP Spinning Mills, Saif Powertech Limited and others also revised their IPO applications.
Other companies waiting to be listed with the stock exchanges are Crystal Insurance, Dhaka Regency Hotel and Resort, Far East Knitting, South Asia Insurance, Hamid Fabrics, Ananda Shipyard, Keya Spinning, United Power, IFAD Autos, Western Marine Shipyard, Dragon Sweater, Shurwid Industries, Shamsul Alamin Real Estate, Summit Oil, Fibre Shine, Otobi, Royal Denim, Genuity System, The ACME Laboratories, Bangladesh Commerce Bank, Alliance Feed, Aman Feed, Doreen Power Generation, BMSL Investment, Hemple Rhee, Bangladesh Steel Re-Rolling, Khan Brothers PP Woven, Energypac, Power Generation, Ratanpur Steel, National Finance, Shasha Denims, Aman Cotton, Aman Cement, Cutting Edge Industries, MEB Poy Manufacturing, Simtex Industries etc.
আইপিও’র টাকায় ঋণ পরিশোধ
সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা ভাবছে বিএসইসি
প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। কোন কোন কোম্পানি এ অর্থ চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাতেও ব্যয় করছে। শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণে ব্যয় হচ্ছে খুবই ছোট্ট অংশ। এমন প্রতিষ্ঠানও আছে, যারা আইপিও’র একটি টাকাও ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করেনি। এমনকি বিএমআরই’তেও (আধুনিকায়ন) যায় নি তারা।
আইপিও’র অর্থ ব্যবহারে কোনো শর্ত না থাকায় শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানে কাঙ্খিত অবদান রাখতে পারছে না পুঁজিবাজার। এমন অবস্থায় আইপিও’র টাকায় ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা ভাবছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।
জানা গেছে, আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের সর্বোচ্চ এক তৃতীয়াংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করার শর্ত আরোপের কথা ভাবা হচ্ছে। এ ছাড়া আইপিও’র অর্থ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। শুধু তাই নয়, প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা খাতের বাইরে অন্য কোনো খাতে অর্থ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) একজন কর্মকর্তা বলেন, পুঁজিবাজার, অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন তারা।
তিনি বলেন, বর্তমানে আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে ঋণ পরিশোধে কোনো বিধিনিষেধ নেই। কিছু কিছু উদ্যোক্তা এই সুযোগের অপব্যবহার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ঋণ পরিশোধ করলেও বিনিয়োগকারীদের একরকম লাভ হয়। ঋণের উচ্চ সুদ গুণতে হয় না বলে কোম্পানির মুনাফা বাড়ে। কিন্তু শিল্পের সম্প্রসারণ না হলে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ে না। তাই কিছু শর্ত আরোপের মাধ্যমে পুরো বিষয়টিতে এক ধরনের ভারসাম্য আনতে চায় বিএসইসি।
সম্প্রতি বাজারে আসা প্রায় সব কোম্পানিই আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের পুরোটা বা বড় অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করেছে। এদের মধ্যে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল একটি টাকাও প্রকল্প সম্প্রসারণে ব্যয় করেনি। অন্যদিকে অ্যাপোলো ইস্পাত মাত্র ২৮ শতাংশ অর্থ নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যয় করেছে। বাকীদের চিত্রও কম-বেশি প্রায় একইরকম।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল আইপিওতে সংগ্রহ করে ৮৪ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৭৩ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ আইপিও’র অর্থের ৮৭ ভাগ যাচ্ছে ঋণ পরিশোধে। প্রতিষ্ঠানটি তার চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাতে আইপিওর ৬ কোটি টাকা ব্যবহার করবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি পয়সাও ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করা হবে না।
অ্যাপোলো ইস্পাত ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২২ টাকা দরে শেয়ার ছেড়ে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এ থেকে ১৫৩ কোটি টাকাই ঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে প্রতিষ্ঠানটি। আর নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যয় করবে ৬৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ আইপিওর উত্তোলিত অর্থের মাত্র ২৮ শতাংশ ব্যয় হবে শিল্প সম্প্রসারণে। অন্যদিকে প্রায় ৭০ ভাগ অর্থ যাবে ঋণ পরিশোধে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
71
Dhaka
1200