Topic.... 79
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি?
"শেয়ার বাজারে অ্যানালাইসিস"- পরিপুর্ণ কোর্স আকারে বাংলা ভাষায় রচিত বই থেকে নেয়া।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হল ব্যবসায়ের বিষয়ে একটি মহা গুরুত্তপূর্ন বিষয়। আমরা অর্থোপার্জনের ব্যবসায়ে আছি এবং অর্থোপার্জনের জন্য আমাদের কিভাবে ঝুঁকি (সম্ভাব্য ক্ষতি) পরিচালনা করতে হবে তা শিখতে হবে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা লোকসান হ্রাস করতে সহায়তা করে। এটি ব্যবসায়ীদের অ্যাকাউন্টগুলির সমস্ত অর্থ হারানো থেকে রক্ষা করতেও সহায়তা করতে পারে। ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়লে ঝুঁকি দেখা দেয়। যদি ঝুঁকিটি পরিচালনা করা যায় তবে ব্যবসায়ীরা বাজারে অর্থোপার্জনে নিজেকে উন্মুক্ত করতে পারেন। আপনি যখন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নিয়ম ছাড়াই বাণিজ্য করেন আপনি আসলে জুয়া খেলেন। ব্যবসায়ী হন, জুয়াড়ি নয়! দুটির মধ্যে পার্থক্যটি জানতে পড়ুন। বড় জ্যাকপট জয়ের প্রত্যাশায় লোকেরা জুয়া খেলতে ক্যাসিনোতে যায় এবং বাস্তবে অনেক লোক জিতেও। কথায় আছে, "ক্যাসিনো সর্বদা লাভ করে"। এখন কথা হল, বহু লোক যদি জিতে এবং তার মধ্যে কিছু লোক যদি জ্যাকপট পায়, তাহলে কিভাবে ক্যাসিনোগুলি এখনও বিশ্বে অর্থ উপার্জন করছে? উত্তরটি হল লোকেরা জ্যাকপটগুলি জিততে পারলেও, দীর্ঘকালীন সময়ে, ক্যাসিনো এখনও লাভজনক কারণ তারা জিতবে না এমন লোকদের থেকে বেশি অর্থ উপার্জন করে। সত্যটি হল ক্যাসিনোগুলি কেবল খুব ধনী পরিসংখ্যানবিদ। তারা জানে যে দীর্ঘকালীন সময়ে তারা অর্থোপার্জন করবে, জুয়াড়িরা নয়। পরিসংখ্যানবিদ বা ক্যাসিনো উভয় লোকসান করে থাকে কিন্তু তারা জানে কিভাবে লোকসান নিয়ন্ত্রণ করতে হয়! মূলত, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এইভাবে কাজ করে। আপনি যদি নিজের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেন তবে লাভজনক হওয়ার সুযোগ পাবেন।
এডিনবরা বিশ্ব বিদ্যালয়ে থাকাকালীন একটি অভিজ্ঞতার কথা বলি... আমরা দেখতে পেতাম প্রায়শই কিছু লোক নিয়মিত লটারীর টিকেট কিনত এবং ক্যাসিনোতে "রুলেট" খেলার জন্য যেত। রুলেটে উপরের চিত্রের মত ০ থেকে ৩৬ সংখ্যার ঘর থাকে, এছাড়া নিচের দিকে লাল ও কালো দুটি ঘর থাকে। সংখ্যা গুলিতে বাজি ধরলে এবং আপনি যদি জিতেন তবে ১ পাউন্ডে (গ্রেট ব্রিটেন পাউন্ড) আপনি ৩৬ পাউন্ড পাবেন কিন্তু ঝুঁকি ও অনেক বেশি। নিচের অপরদিকে লাল/কালো তে বাজি ধরলে আপনি ১ পাউন্ড দিয়ে ১ পাউন্ড জিতে নিতে পেতে পারেন। আমি এবং আমার এক ছোট ভাই শাহরিয়ার মাসুদ মিলে একটা ফর্মুলা আবিষ্কার করলাম। আইডিয়া হল জিতার আগ পর্জন্ত প্রতিবারে শুধু মাত্র লাল অথবা কালো ঘরে বাজি ধরা- একটানা ট কালো/ লাল জিতবে না! শুরুতে আমরা এডিনবরার উইলিয়াম হিল, লেডব্রুক্স ও কোরালের মত ছোট বেটিং হাউজগুলির রুলেট স্লট মেশিনে খেলতাম। ধরুন, শুরুতে কালো ঘরে ১ পাউন্ড বাজি ধরলাম এবং হেরে গেলাম। এর পর আবারো কালো ঘরে বাজি ধরলাম তবে এবার ২ পাউন্ড-- হেরে গেলাম। তৃতীয়বার আবারও কালো ঘরে তবে এবার ৪ পাউন্ড... এভাবে জিতার আগ পর্জন্ত বাজি দিগুন করতে থাকি। ১ম বাড়ে লস-১, দ্বিতীয়বারে লস ২, তৃতীয়বারে লস ৪... এভাবে ৩ দানে সর্বমোট লস ১+২+৪=৭ পাউন্ড। ধরুন চতর্থ দানে আমরা বাজি দিগুন প্রথাত ৮ পাউন্ড ধরে ৮ পাউন্ড জিতলাম। তাহলে ৪ দানে লস=৭ পাউন্ড এবং লাভ ৮ পাউন্ড অর্থাৎ নেট লাভ ১ পাউন্ড। এভাবে বিভিন্ন বেটিং শপ ঘুরে ঘুরে আমরা ৩ দিনে প্রায় ১৫০০ পাউন্ড জিতে নিলাম। চতুর্থ দিনে এসে আমরা স্রেফ বোকা বনে গেলাম। আমাদের টানা জিততে দেখে বেটিং শপের রুলেট মেশিনের প্রোগাম পরিবর্তন করে ফেলে, যার দরুন একটানা ৮/৯ বার শুধু মাত্র লাল অথবা কালো ধরে আমরা লসই করে গেলাম। বেটিং শপ থেকে পরে আমরা দুজন বিভিন্ন ক্যাসিনোতে রুলেট খেলতে থাকি এবং যথারীতি শুরুতে কয়েকদিন জিতার পর হয়ত ব্যান খাই অথবা হারতে থাকি। শাহরিয়ার মাসুদ পরবর্তীতে লন্ডনে চলে যায় এবং বড় জিতার আশায় ব্ল্যাক জ্যাকে কার্ড কাউন্টিং করে... কিছুদিন পর শুনি জুয়ার নেশায় সে সারাজীবনের সঞ্চয় হারিয়েছে; ক্রেডিট কার্ড, লোন ও ব্যাংক এর চেক গ্যারান্টি সব খেয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। " মাসুদ আর ভাল হইল না!!" আপনি নিশ্চয়ই ধনী পরিসংখ্যানবিদ হতে চান এবং জুয়াড়ি হতে চান না কারণ দীর্ঘকালীন সময়ে আপনি "সর্বদা বিজয়ী" হতে চান।
আপনি মনোনিবেশ করে যথাযথ শ্রম দিয়ে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হলে ট্রেডিং উত্তেজনাপূর্ণ এবং এমনকি লাভজনকও হতে পারে। • এমনকি, সেরা ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রিত লোকসান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভ্যাসগুলি অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। • স্টপ লস অর্ডার, লাভ গ্রহণ এবং প্রতিরক্ষামূলক বিনিয়োগের মাধ্যমে লোকসান কাটাতে কৌশলগত ও উদ্দেশ্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া গেমটিতে থাকার জন্য একটি স্মার্ট উপায়।
Credit: BD Stocks Discussion
Das Investment
Investment Fund.
Topic..... 78
পৃথিবীতে আয় ২ ধরনের হয়।
1. Active income
2. Passive income
1. Active income হচ্ছে কাজ করলে টাকা, আর কাজ না করলে টাকা নেই। তাহলে আপনি যতক্ষণ কাজ করতে পারবেন, যতক্ষণ সময় শ্রম দেবেন ততক্ষণ আপনার আয় আসবে। আপনি অসুস্থ, আপনি কাজ করতে পারছেন না, আপনার আয় শূণ্য।
2. Passive income হচ্ছে কাজ না করলেও আয় আসবে। তা কিভাবে? যেমন আপনি যদি একটা বাড়ি তৈরি করেন, সেখান থেকে আপনি অক্ষম অবস্থায়ও আয় পাবেন এবং আপনার ছেলে মেয়ে বা তাদের পরবর্তী জেনারেশন ও তা ভোগ করতে পারবে। কারণ বাড়িটা একবার তৈরি করা লাগে আর সেখান থেকে বার বার আয় আসবে।
📷 জীবনের Active income করে করে তো পরিবার আর নিজের আনন্দ পুর্তিতে শেষ করে দিয়েছেন। বন্ধুরা, Passive income এর জন্য কি কোন রাস্তা তৈরী করেছেন ভবিষ্যৎ বা পরবর্তী জেনারেশন এর জন্য?
আপনি যদি আপনার জীবনের বাড়তি আয়ের উৎস তৈরি করতে না পারেন এখনো বা কোন সুযোগ আসে নাই আপনার জীবনে!
তাহলে আধুনিক অর্থনৈতিকদের মতে আপনি এখন চরম রিস্কে আছেন,
সময়ে পরিবর্তনে সাথে এখনো অনেক ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে, যা আপনি পুজি ছাড়াই কাজ করে প্যাসিভ আয় নিশ্চিত করতে পারেন।
Topic.... 77
সাইকেল ও অর্থনীতি
সাইকেল চালানো যে কোনো অর্থ ব্যবস্থার জন্যই ক্ষতিকারক।
এটা হাস্যকর মনে হলেও কিন্তু চিরসত্য। সাইকেল চালানো ব্যক্তি দেশের জন্য একটি বিপদ।
কারণ:
• সে গাড়ি কেনে না,
• সে লোন নেয় না,
• সে গাড়ির বীমা করায় না,
• সে গাড়ির তেল কেনে না,
• সে গাড়ির সার্ভিসিং এর খরচ করে না,
• সে গাড়ি পার্কিং এর খরচ করে না,
• সে মোটা হয় না,
হ্যাঁ এটা সত্য, যে সুস্থ ব্যক্তি অর্থ ব্যবস্থার জন্য উপযোগী নয়, কারণ :
• সে ওষুধ কেনে না
• সে হাসপাতালে বা ডাক্তার এর কাছে যায় না
• সে দেশের GDP যে কোনো উল্লেখযোগ্য যোগদান করে না
ঠিক এর বিপরীতে একটি Fast Food এর দোকান ৩০ জনের চাকরি তৈরি করে, কিভাবে?
১০ জন Heart এর চিকিৎসক
১০ জন দাঁতের চিকিৎসক
১০ জন ওজন কমানোর ডাক্তার/ট্রেনার
বিশেষ নোট:
যারা পায়ে হেটে যাতায়াত করে তারা তো আরও বেশি ক্ষতিকর কারণ তারা তো সাইকেলটাও কেনে না
Credit: Amirul Islam Amirul
Topic.... 76
করোনা মহামারীর এই সময়ে অনেকেই হারিয়েছেন কাজ, অনেকেরই আয় হয়ে গেছে অনিয়মিত, জমানো টাকা ভেঙে প্রাত্যাহিক খরচ চালাতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। সবাই চাচ্ছেন অনিয়মিত আয় নিয়মিত করতে, কিংবা নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি আরো কিছুটা আয় বাড়াতে। আর এই সুযোগটাই নেই কিছু সংখ্যক ভুঁইফোড়, লোভ দেখানো প্রতিষ্ঠান।
মূল আলোচনায় আসি এখন।
লক্ষ করে দেখবেন, মানুষের কর্মসংস্থান যখন কমে যায়, কর্মহীন মানুষ দিশেহারা হয়ে খুঁজে বেড়ায় আয়ের কোনো পথ, তখনই তাদেরকে ফাঁদে ফেলার জন্য, তাদের যা আছে সেটুকুও নিজেদের পকেট ঢুকানোর জন্য অরিতৎপর হয়ে ওঠে কিছু লোক/প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে এগুলো করা আরো সহজ হয়ে উঠেছে।
গত প্রায় দেড় বছরে বাংলাদেশ বহু সংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় এসব প্রতিষ্ঠানও খুব তৎপর। লক্ষ্য করলেই দেখবেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভেসে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন কাজের/বিনিয়োগের প্রস্তাব (অফার)। যার বেশিরভাগই আপনাকে আমাকে দেখাচ্ছে কিভাবে অতি দ্রুত ধনী হওয়া যায়।
এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো...
১. বিনিয়োগ করে দ্রুত অনেক বেশি রিটার্ন পাওয়া
২. কোনো কাজ না করে শুধু একাউন্ট করা (টাকা দিয়ে) আর রিটার্ন পাওয়া।
৩. অ্যাড দেখে রিটার্ন পাওয়া।
৪. মেম্বার অ্যাড করে রিটার্ন পাওয়া।
৫. নেটওয়ার্ক মার্কেটিং/ডিরেক্ট সেলিং/রেফারেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে রিটার্ন পাওয়া।
এবার আসুন, বৈধ উপায়ে আয়ের মূল পথ কী কি সে বিষয়ে আসি...
মোটামুটি মোটা দাগে তিন ভাবে বৈধ এবং স্বাভাবিক ভাবে আয় হতে পারে-
১. কেনাবেচা (ট্রেড) করে আয়: ব্যবসা (এখানে আমরা ট্রেড আর ব্যবসা একই ধরে নিচ্ছি) হলো আয়ের প্রথম মাধ্যম, সবচেয়ে ভালো মাধ্যম, সবচেয়ে বেশি মানুষ এই মাধ্যমেই আয় করে থাকেন। এখান থেকে খুব কম সময়ে (ঘন্টা/দিন/মাস) রিটার্ন আসে, ক্রয় এবং বিক্রয়ের মাঝে যে মার্জিন, সেটাই ট্রেডারের আয়।
২. চাকুরী: আয়ের জন্য জনপ্রিয়তা এবং স্বাভাবিকতার দিক থেকে দ্বিতীয় পদ্ধতি হচ্ছে চাকুরী। এটিও এক প্রকার ট্রেড, সেটি হলো - একজন চাকুরে তার সময় ট্রেড করেন এখানে।
৩. বিনিয়োগ: পরিমাণের দিক থেকে খুব কম মানুষই এটা করে থাকেন। বিনিয়োগ হচ্ছে লম্বা সময়ের জন্য, এখন থেকে ফ্রিকুয়েন্ট আয়ের আশা করা হয় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় - ব্যাংক ডিপোজিট (বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে), শেয়ার, বন্ড ইত্যাদিতে বিনিয়োগ।
(সংগৃহীত)
Topic..... 75
ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) ওভার দ্যা কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটের ৭০টি কোম্পানির মধ্যে ২৩ কোম্পানিকে স্টক এক্সচেঞ্জের স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্মের স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এর মধ্যে উৎপাদনে থাকা ৭ কোম্পানিকে কোন প্রকার শর্ত ছাড়া এবং বাকি ১৬ কোম্পানিকে শর্ত সাপেক্ষে স্মল ক্যাপে লেনদেন করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) স্থানান্তর হবে ১৮ টি। এছাড়া ২৯টি কোম্পানি থেকে ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর জারিকৃত নির্দেশনার আলোকে সাধারন শেয়ারহোল্ডারদের টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উৎপাদনে থাকা ওটিসির ৭ কোম্পানি হলো: এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেড, বাংলাদেশ হোটেলস লিমিটেড, বেঙ্গল বিস্কুট লিমিটেড, গচিহাটা অ্যাকুয়াকালচার ফার্মস, হিমাদ্রি লিমিটেড, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজ এবং ইউসুফ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড।
উৎপাদনে না থাকা ১৬ কোম্পানি হলো: আল-আমিন ক্যামিকেল ইন্ডাষ্ট্রিজ, আলফা টোবোক্যো, আমান সী ফুড, আশরাফ টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ইলেকট্রিসিটি মিটার, বাংলাদেশ লীফ টোবাকো, বেঙ্গল ফাইন কেমিক্যালস, বায়োনীক সী ফুড, ঢাকা ফিশারিজ, এক্সেলসরিজ সুজ, লেক্সকো লিমিটেড, মেঘনা শ্রিম্প কালচার, রাসপিট ডাটা, রাঙ্গামাটি ফুড, থেরাপিউটিক্স বাংলাদেশ এবং জাগো করপোরেশন লিমিটেড।
এটিবিতে যাবে ১৮ কোম্পানিঃ এগুলো হচ্ছে – বাংলা প্রসেস ইন্ডাস্ট্রিজ, ড্যান্ডি ডাইং, ডায়নামিক টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ, মেটালেক্স করপোরেশন, মিতা টেক্সটাইলস, মডার্ন সিমেন্ট, মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজ, মোনা ফুড প্রোডাক্টস, পারফিউমস কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রেট্রো সিনথেটিক্স প্রোডাক্টস, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, কাশেম সিল্ক মিলস, কাশেম টেক্সটাইলস মিলস, রাসপিট ইনস বিডি, রোজ হ্যাভেন বলপেন, সালেহ কার্পেট মিলস, শেরপুর টেক্সটাইল মিলস ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
পুঁজিবাজার থেকে অবসায়ন হচ্ছে ২৯ কোম্পানি: আরবি টেক্সটাইল, আজাদী পিন্টার্স, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ লাগিজ ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ জিপার ইন্ডাস্ট্রিজ, চাই টেক্স লিমিটেড, ঈগল স্টার টেক্সটাইল, জার্মান বাংলা জে ভি ফুড, গাল্ফ ফুড, হিল প্লান্টেশন, যশর সিমেন্ট কোম্পানি, এম হোসাইন গার্মেন্টস ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং, মাক এন্টার প্রাইস, মাক পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ,ফনিক্স লেদার কমপ্লেক্স, দি ইন্জিনিয়ার্স, টিউলিপ ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্ট, পদ্মা প্রিন্টার্স, বাংলাদেশ প্লান্টেশন, খাজা মুজাইক টাইলস, ন্যাশনাল অক্সিজেন, পেরাগন লেদার,জিইএম নিটওয়্যার ফেব্রিক্স, জিএমজি ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন, জে এইচ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, মেসঘনা ভেজিটেবল ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ,মার্ক বাংলাদেশ শীপ অ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং এবং রুপন অয়েল অ্যান্ড ফিডস লিমিটেড।
(সংগৃহীত)
Topic.... 74
ডে ট্রেডিং
ডে ট্রেডিংয়ের মজা ও ঝুঁকি বেশি। ডে ট্রেডিং কিছু মুনাফার অাশায় প্রতিদিন শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করা বা লেনদেন করাকে বোঝায়। কোনো শেয়ার কেনার পরদিনই ম্যাচুরেট হয় না তাহলে প্রতিদিন কিভাবে কেনা বেচা সম্ভব? ডে ট্রেডারদের পোর্টপোলিওর একটা অংশ চক্রাকারে ম্যাচুরেট হয়। যে কারণে তারা প্রতিদিনই লেনদেন করতে পারে। সপ্তাহে একদিন (উইকলি) ট্রেড করলেও ডে ট্রেডিংয়ের মধ্যে পড়ে।
ক্ষুদ্র ও বড়, ডিলার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীসহ যে কোনো ধরনের বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করলেই ডে ট্রেডিং করতে পারে শুধুমাত্র কোম্পানির স্পেনসার বা পরিচালকরা ছাড়া। পেশাগতভাবে শুধু মাত্র শেয়ার বাজারের উপর নির্ভরশীল অনেক বিনিয়োগকারী প্রতিটা ট্রেডে অল্প অল্প নগত কিছু লাভের অাশায় ডে ট্রেডিংয়ের বেশি করে।
ডে ট্রেডিংয়ে সবচাইতে বেশী লাভবান হয় হাউজ মালিক এবং ডিএসই, সিএসই সরকার। কারন ডে ট্রেডারের লাভ হোক, লস যাই হোক লেনদেনের চার্জ দিতেই হয়। এই চার্জ বড় অংশ হাউজ মালিক এবং বাকী অংশ ডিএসই, সিএসই সরকার পায়। তবে ডে ট্রেড করতে হলে খেয়াল রাখতে হবে যে কোম্পানিতে ডে ট্রেড হচ্ছে সেটা কোন ট্রেন্ডে অাছে। আপট্রেন্ড অথবা সাইডওয়েজ ট্রেন্ডে ডে, ট্রেড করা তুলনামূলক সহজ কিন্তু ডাউন্ডট্রেন্ডে ডে ট্রেড হয়না বা কঠিন।
ব্রোকারেজ হাউজ ডে ট্রেডারদের খাতির বেশী করে এবং ডে ট্রেডিংয়ে হাউজগুলো উৎসাহিত করে নানা কৌশালে।
ডে ট্রেডারদের মধ্যে একদল বড় ডে ট্রেডার আছে যারা এগ্রিসিভ বাই সেল করে প্রতিদিন ৩-৫% প্রফিট করে। এরা সাধারণভাবে ব্রোকারেজ হাউজ, বড় পুঁজির মালিক বা ডিলার। বাজার যেমন থাকুক আইটেমের (শেয়ারের) উঠানামার কৌশল এদের হাতে (কারণ বড় পুঁজি ও মর্কেটের গভিরতা কম) থাকায় ওই চক্রটি প্রতিদিন কোনো না কোনো আইটেমে এগ্রিসিভ সেল প্রেসার দিয়ে দরপতন ঘটিয়ে বাই দেয় এবং সেল দেয়ার সময় এগ্রিসিভ বাই প্রেসার দিয়ে দর বাড়িয়ে সেল দেয়। যদিও একক কোনো আইটেমে এগ্রিসিভ বাই সেল করে প্রভাবিত করা আইন পরিপন্থী।
ওই সব বড় ডে ট্রেডার চক্রের এগ্রেসিভ বাই সেলের কারনেই কোনো নির্দিষ্ট আইটেম সকালে দর বাড়লে বিকালেই পড়ে যায়। মনে করুন ডে ট্রেডিংয়ের উদ্দেশ্যে আজ তারা তাদের বিভিন্ন পোর্টপোলিও থেকে কোনো কোম্পানীর ২ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে তাহলে ওই চক্রটি সকালে ওই কোম্পানীর অনেকগুলো শেয়ার বাই অর্ডার না বসিয়ে ডাইরেক্ট বাই দিয়ে ৪-৫% বাড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের বোকা বানিযয়ে নিজেদের হাতে থাকা ২ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে। এটি বুঝতে হলে মিনিট চ্যার্ট দেখুন।
আর আজকের কেনা শেয়ার রেখে দিবে যেনো আবার ২-৩ লাখ শেয়ার কেনার সময় এগুলো ডাইরেক্ট সেল দিয়ে ওই কোম্পানীর দর পতন ঘটানো যায়। এভাবেই বড় পুঁজির অধিকাংশ ডে ট্রেডার সংঘবদ্ব হয়ে এগ্রেসিভ বাই সেল করে প্রতিদিন কিছু না কিছু প্রফিট তুলে নেয়।
এছাড়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যারা টেকনিক্যাল এনালাইসিস ভাল বোঝেন তারা স্মার্ট ডে ট্রেডিং করে প্রতিদিন কিছু কিছু প্রফিট করার পাশাপাশি নিজের পোর্টপোলিওকে বড় পতন থেকে রক্ষা করতে পারে।
কিন্তু বাজার এবং শেয়ারের আচরন সম্পর্কে যাদের তেমন ধারনা নেই তারা ডে ট্রেডিং করলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তারা ম্যাচুরেট দিনে সামান্য লাভের আশায় সব সময় সকালে টানের আইটেম বাই দেয় ফলে বিকালে অথবা পরদিনই তার কেনা রেট থেকে কমে যায়। হঠাৎ করে সকালে বেড়ে যাওয়া শেয়ারটি বিকালে কমে যাওয়ার কারন হল বড় ডে ট্রেডারদের এগ্রেসিভ লেনদেন। যা ক্ষুদ্র ডে ট্রেডারদের বোঝার মত টেকনিক্যাল ক্ষমতা কম।
অাবার বড় পুঁজি ও মর্কেটের গভিরতা কম এবং কমিশন সুবিধার কারণে বড়রা ডে ট্রেডে বাড়তি সুবিধা পায়। যারা কোন কোম্পানিতে ডে ট্রেড করছে যদি তারা ঐ কোম্পানির বড় অংশ শেয়ার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রাখতে পারে, তবে তাদের রিস্ক কমে যায়। কারণ তখন বড় অাকারে সেল প্রেসার অাসে না। মানে সাপলাই সাইড আটকে দেওয়া যায় বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যার কারণে সহজেই দর বাড়ানো কমানো যায় নিজেদের সুবিধা মতো।
(সংগৃহীত)
Topic.... 73
বাজারে ২২ টা সেক্টরের মধ্যো ট্রেড হয় ১৯টা সেক্টরে। এই ১৯ টা সেক্টরের একেকটার স্ক্রিপ্ট কোড শুরু একেক সিরিয়াল দিয়ে।
তো চলুন দেখি সেক্টরাল স্ক্রিপ্ট কোডগুলো-
ব্যাংক ও ফিন্যান্স-----------১১১০০ থেকে শুরু
সিমেন্ট--------------------২১৬০০ থেকে শুরু
সিরামিক -----------------২৪৬০০ থেকে শুরু
ইন্জিনিয়ারিং --------------১৩২০০ থেকে শুরু
ফুড & এলায়েড -----------১৩২০০ & ১৪২০০ থেকে শুরু। (এখানে DSEএর সেক্টরাল এরর আছে শেয়ার ক্লাসিফাইড করার ক্ষেত্রে)
ফুয়েল & পাওয়ার ---------১৫৩০০ থেকে শুরু
ইন্সুরেন্স -------------------২৫৭০০ থেকে শুরু
আইটি --------------------২২৬০০ থেকে শুরু
জুট -----------------------১৬৩০০ থেকে শুরু
মিস্সেলেনিয়াস -----------৯৯৬০০ থেকে শুরু
মিউচুয়াল ফান্ড ------------১২১০০ থেকে শুরু
পেপার & প্রিন্টিং -----------১৯৫০০ থেকে শুরু
ফার্মা & ক্যামিকেল --------১৮৪০০ থেকে শুরু
সার্ভিস & রিয়েলএস্টেট ----২০৬০০ থেকে শুরু
চামড়া শিল্প ----------------২৩৬০০ থেকে শুরু
টেলিকম্যুনিকেশান ---------২৭০০০ থেকে শুরু
টেক্সটাইল ------------------১৭৪০০ থেকে শুরু
ভ্রমণ ও অবকাশ -----------২৯০০০ থেকে শুরু
(সংগৃহীত)
Topic.... 72
ভারতে গারভিট নামে একটি কোম্পানী বাইক বট নামে একটা স্কিমে মানুষকে বলতো ৬২২০০ রুপি দিয়ে একটা বাইক কিনে তাদের রাইড কোম্পানীতে দিলে মাসে মাসে ৯০০০ রুপির মতো দিয়ে তারা বছর শেষে একমাসের বোনাস সহ এক লাখ সতের হাজার রুপি দেবে। যা মাসে ৯৭৬৫ টাকা।
কিছুদিন তারা এটা দিয়েও গেছে। তারপর আর দিতে না পেরে চম্পট দিয়েছে টাকা মেরে দিয়ে। কিছু বাইকও কিনেছিলো। সেগুলো দেখিয়েই লোকের কাছ থেকে টাকা নিতো।
এভাবে লোপাট করেছে কয়েক হাজার কোটি রুপি।
কিভাবে টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিত?
৬২২০০ টাকা দিলে তারা ৪৫ কার্যদিবস সময় নিতো প্রসেসিং করতে। তারপর তিনমাসের মাথায় টাকা দেয়া শুরু করতো।
দেখা গেছে যে এভাবে টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিনিয়োগ করিয়ে শুধু উত্তর প্রদেশে তারা মোট ৩৫০০ কোটি টাকা লোপাট করেছে।
হিসাব পাওয়া যায় নাই কারন তারা তাদের কম্পিউটার নষ্ট করে ফেলেছে অনেকগুলি।
এর নাম বাইক বট স্ক্যাম।
ভারত সরকার এদের গ্রেফতার করেছে।
এটা তারা শুরু করেছিলো ২০১৮ সালে । ধরা খেয়েছে ২০২০ সালে।
এবার এভাবে ভাবেন।
আপনি ১০৫০০০ টাকা দিয়ে একটা বাইক কিনলেন।
কোম্পানী প্রসেসিং সময় নিল ৪৫ কার্যদিবস।
এরপর বাইকটা পেলেন না কিন্তু টাকাটা কোম্পানীর কাছে আটকে থাকল। (তার মানে বাইকটা কোম্পানীর কাছে আছে।)
এধরনের ব্যবসায় ৪৫ বা ৬০ দিন প্রসেসিং টাইম লাগবেই। কারণ এর মধ্যে নানারকম অফার দিয়ে ব্যাচে ব্যাচে ইনভেস্টমেন্ট নিতে হবে যাতে শেষে যারা আসে তাদের টাকা দিয়ে প্রথমদের পেমেন্ট করা যায়।
এই ব্যবসার স্রষ্টা পনজি সাহেবও ৪৫ দিন সময় নিতেন।
এরা তেমন কোন জটিল পেপার বা চুক্তি করে না। সাধারন কয়েকটা কাগজ দিয়েই পুরো বিষয়টা ম্যানেজ করে।
আর অবিশ্বাস্য লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়।
(সংগৃহীত)
Topic..... 71
Richard Wyckoff এর ট্রেডিং টিপস :
১. লস হচ্ছে ভুল জাজমেন্ট এর শাস্তি।
২. তুমি কি মৃত ঘোড়ায় সওয়ার করেছ? নেমে পড় এবং জীবিতটায় উঠ।
৩. কোন সন্দেহ থাকলে দূরে থাক। যদি ইতোমধ্যে প্রবেশ করে থাক ও কোন সন্দেহ দেখা দেয়, তবে বের হয়ে যাও।
৪. সামান্য স্টপ-অর্ডার হচ্ছে তোমার ভুলের কারনে বড় লসের বিপরীতে ইনসুরেন্স সরূপ।
৫. শুধু ট্রেডের জন্য ট্রেড কর না, টাকা উপার্জনের উদ্দেশ্যে ট্রেড কর।
৬. সাপ্লাই ও ডিমান্ড এর সূত্রই শেয়ারমার্কেটের মৌলিক চালিকাশক্তি।
৭. ভুল ট্রেড করার চেয়ে এক সপ্তাহ বা এক মাস মার্কেটের বাইরে থাকা উত্তম। তোমার বিশ্লেষণ ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত দূরে থাকাই ভাল।
৮. ট্রেডিং এ সাফল্য নির্ভর করে ধারাবাহিকভাবে লস কন্ট্রোল করা এবং লস অপেক্ষা লাভ বেশি করার উপর।
৯. মার্কেট বিশ্লেষণ করার উপযুক্ত স্থান হচ্ছে বাসা এবং তা ট্রেডিং আওয়ার এর পরে। কোন ফান্ডামেন্টাল নিউজ পড়ার দরকার নাই - কেবল দরকার প্রাইস ও ভলিউম।
১০. যত বেশি স্টেটেস্টিকস (বা তথ্য), তত বেশি কনফিউশন।
১১. শেয়ারে লস হয়েছে কিনা সেটা প্রশ্ন না, কিন্তু তুমি তাতে জিদ ধরে বসে আছ কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন।
১২. তুমি কিনেছ বলে আর দাম কমবে না - এরকম ভাবার কোন কারন নাই। কোন স্টক যেকোন দিকেই যেতে পারে।
১৩. বড় লস পরিহার করার নিশ্চিত উপায় : সপ্তাহে একবার লসে থাকা হোল্ডিংগুলি ক্লোজ করে দেয়া। যেগুলি নিজের অনুকূলে মুভ করছে, কেবল সেগুলিই হাতে রাখা।
১৪. আনন্দের সাথে আত্বহত্যার (Financial Su***de) কিছু পদ্ধতি :
ক. শেয়ার কিনে তা থেকে দূরে থাকা ও ভুলে যাওয়া।
খ. ৩ টাকা প্রফিট টেক করা এবং ৩০ টাকা লস নেয়া।
গ. রিস্ক লিমিট না করেই ট্রেড করা।
ঘ. সংকীর্ণ টার্গেটে বাই করা।
(সংগৃহীত)
চার দিন পুঁজিবাজার বন্ধ। জানি আপনাদের কেমন লাগছে। মন উসখুস, মাথা ভুসভুস। এই চারদিন মাথা থেকে বিজনেস ঝেড়ে ফেলুন। পরিবারকে সময় দিন। নিজের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন। জানেন তো এতো টাকা দিয়ে কি করবেন, যদি বাকি সব গোলমাল হয়ে যায়।
আমাদের সাথে থাকুন, ভালো থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
House# 55, Road# 12, Merul DIT Project, Badda
Dhaka
1212
Opening Hours
| Monday | 17:00 - 21:00 |
| Tuesday | 17:00 - 21:00 |
| Wednesday | 17:00 - 21:00 |
| Thursday | 17:00 - 21:00 |
| Sunday | 17:00 - 21:00 |