ব্যক্তি শ্রেনীর করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়িয়ে ৩১শে জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।
Tax Advocate
Save your Money
স্বাগতম "Tax Advocate" - বাংলাদেশের ট্যাক্স সেবার সাথে সম্পর্কিত সবকিছুর জন্য আপনার বিশ্বস্ত উৎস। আমাদের লক্ষ্য হল ট্যাক্স ফাইলিং প্রক্রিয়াকে সহজতর করা এবং বাংলাদেশের ট্যাক্স সিস্টেমের জটিলতাগুলির বিষয়ে মূল্যবান ধারণা প্রদান করা।
আপনি একজন ব্যক্তিগত করদাতা হন বা ব্যবসার মালিক, আমরা আপনাকে ট্যাক্স নিয়মাবলী বুঝতে, আনুগত্য নিশ্চিত করতে এবং আপনার সুবিধাগুলি সর্বাধিক করতে সাহায্য করতে এখানে আছি।
**আম
31/10/2025
চলতি কর বছরে এখন পর্যন্ত ১০ লক্ষের বেশী করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছে।
আপনার কি খবর??
15/09/2025
Tax Representative Management System (TRMS)
04/09/2025
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে করদাতাদের করযোগ্য আয় কমানোর (Tax Savings / Tax Planning) কয়েকটি বৈধ উপায় রয়েছে। এগুলো ব্যবহার করলে বৈধভাবে করের বোঝা হালকা করা যায়।
কর কমানোর বৈধ উপায়সমূহ (আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী)
1. Rebate (Tax Rebate) সুবিধা গ্রহণ
আয়কর আইনে নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ করলে কর ছাড় (rebate) পাওয়া যায়। যেমন:
জীবন বিমা প্রিমিয়াম
পেনশন স্কিম (Benevolent Fund, Provident Fund, DPS ইত্যাদি)
সরকার অনুমোদিত মিউচুয়াল ফান্ড / শেয়ার বিনিয়োগ
সুদবিহীন সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা দান হিসেবে নির্দিষ্ট দান
➡️ মোট যোগ্য বিনিয়োগের ওপর নির্দিষ্ট হারে কর ছাড় (rebate) পাওয়া যায় (সাধারণত ১৫%)।
2. করমুক্ত আয় ব্যবহার
আইনে কিছু আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। যেমন:
কৃষিজ আয় (নির্দিষ্ট শর্তে)
বৈধ উপায়ে প্রবাস আয় (Remittance)
নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ভাতা (House rent allowance, Conveyance allowance, Medical allowance – নির্দিষ্ট সীমার বেশি হলে ট্যাক্সযোগ্য হয়)
3. ছাড়যোগ্য খরচ (Allowable Expenses)
ব্যবসা বা পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে কিছু খরচ করযোগ্য আয়ের আগে বাদ দেওয়া যায়। যেমন:
বেতন ও ভাতা
ভাড়া, বিদ্যুৎ, অফিস খরচ
মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
ব্যবসার ঋণের সুদ
4. করমুক্ত সীমা ব্যবহার
২০২৩-২৪ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা হলো:
সাধারণ করদাতার জন্য: ৳৩,৫০,০০০
নারী ও প্রবীণ (৬৫ বছরের বেশি): ৳৪,০০,০০০
প্রতিবন্ধী করদাতা: ৳৪,৭৫,০০০
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৳৪,৭৫,০০০
এই সীমা পর্যন্ত কোনো কর দিতে হয় না।
5. দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA)
যদি বিদেশে আয় করেন এবং বাংলাদেশে আবার কর দিতে হয়, তবে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Tax Avoidance Agreement) অনুযায়ী ছাড় পাওয়া যায়।
6. সময়মতো রিটার্ন জমা
সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে সারচার্জ / বিলম্ব ফি / জরিমানা থেকে বাঁচা যায়।
Advocate MD HUMAYUN KABIR
01717402293
ভুলভাবে রিটার্ন দাখিল করা হলে আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ১৮০ উপধারা ২ অনুযায়ী রিটার্ন সংশোধন করা যাবে যদি,
ক) রিটার্নে আয় কম বা বেশি দেখানো হয়ে থাকে, অথবা
(খ) অব্যাহতি বা ক্রেডিট ভুলভাবে দাবি করা হয়, অথবা
(গ) আইন অনুযায়ী কর সঠিকভাবে হিসাব হয়নি বা প্রদেয় না হয়, অথবা
(ঘ) কোনো তথ্য সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়
তবে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করা যাবে না যদি:
=>১৮০ দিনের বেশি সময় পার হয়ে গেলে (রিটার্ন দাখিলের তারিখ থেকে)।
=>একবার সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করার পর আবার নতুন করে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করা যাবে না।
=>যদি মূল রিটার্নটি ধারা 182 এর অধীনে অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়, তবে আর সংশোধিত রিটার্ন দেওয়া যাবে না।
Advocate MD HUMAYUN KABIR
01717402293
ডিএমডি সার্কুলার লেটার নং ১২/২০২৫ তারিখ ৩১/০৭/২০২৫ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০ লক্ষাধিক টাকার FDR করতে ও বহাল রাখতে রিটার্ন দাখিলের প্রমান পত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক এছাড়া ১০ লক্ষাধিক টাকার সঞ্চয় পত্র ক্রয়ে ও লাগবে রিটার্ন দাখিলের প্রমান পত্র।
অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবির
01717402293
29/08/2025
বাংলাদেশ সরকারের আয়কর আইন ২০২৩ (Income Tax Act 2023) অনুযায়ী –
🔹 PSR (Proof of Submission of Return) অর্থাৎ আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র এখন বাধ্যতামূলক কিছু আর্থিক কার্যক্রমের জন্য।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
1. ১০ লক্ষ টাকার অধিক মেয়াদি আমানত (FDR/Term Deposit) খোলা ও বহাল রাখা
2. ১০ লক্ষ টাকার অধিক সঞ্চয়পত্র (National Savings Certificate) ক্রয় করা
👉 অর্থাৎ, কেউ যদি ১০ লক্ষ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত বা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে চান, তবে তাঁকে অবশ্যই সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র (PSR) দিতে হবে।
অ্যাডভোকট মো: হুমায়ুন কবির
01717402293
সময় মতো আয়কর দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু আইনগত দায়িত্ব নয়, বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং ব্যক্তিগত দায়িত্বও বটে। নিচে এর প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলোঃ
🟢 ১. আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণ
আয়কর দেওয়া প্রতিটি করদাতার আইনগত দায়িত্ব। সময়মতো কর না দিলে জরিমানা, সুদ এবং আইনগত জটিলতায় পড়তে হয়।
🟢 ২. জরিমানা ও সুদ এড়ানো
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর প্রদান করলে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ যেমন জরিমানা বা সুদ দিতে হয় না।
🟢 ৩. নাগরিক দায়িত্ব পালন
আয়কর জাতীয় উন্নয়নের প্রধান উৎস। সময় মতো আয়কর প্রদান মানে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখা।
🟢 ৪. সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা
নির্দিষ্ট সময়ে আয়কর দেওয়া থাকলে ভবিষ্যতে ব্যবসা, ঋণ গ্রহণ বা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা (credibility) তৈরি হয়।
🟢 ৫. ট্যাক্স রিটার্নের সুবিধা
সময়মতো ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলে ব্যাংক ঋণ, ভিসা প্রসেসিং, টেন্ডার বা সরকারি বিভিন্ন সুবিধা নিতে সহজ হয়।
🟢 ৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
নিয়মিত কর প্রদান করলে ব্যক্তির আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা থাকে, যা ভবিষ্যতে অডিট বা তদন্তে সহায়ক হয়।
👉 সংক্ষেপে বলা যায়, সময় মতো আয়কর দেওয়া মানে জরিমানা এড়ানো + আইন মেনে চলা + দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা + নিজের আর্থিক বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা।
অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
01717402293
অবশেষে "জিরো রিটার্ন" নিয়ে এনবিআর প্রধান হুশিয়ারি দিলেন! তিনি বলেন, জিরো রিটার্ন এক্সট্রিমলি ডেঞ্জারাস, মিথ্যা তথ্যে ৫ বছর জেল হতে পারে। আইনে জিরো রিটার্নের কোন কন্সেপ্ট নেই। শীঘ্রই এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1100