27/05/2026
🌙✨ পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ✨🌙
ত্যাগ, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মহান শিক্ষায় আলোকিত হোক আমাদের জীবন।
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
আপনার আস্থা ও সফলতার নির্ভরযোগ্য অংশীদার
💼 বি সলিউশন কনসালটেন্সি ফার্ম
সেবা, পরামর্শ ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আমরা সবসময় আপনার পাশে আছি।
সবার জীবন ভরে উঠুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দে। 🌿
ঈদ মোবারক! 🌙🤍
োবারক
04/05/2026
E-Tin খুলে রিটার্ন জমা যারা দেননাই, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে NBR👎
30/04/2026
১লা মে—আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
“শ্রমিকের মজুরি তার ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ কর।”
— হযরত মুহাম্মদ ﷺ
যারা নিজেদের ঘাম ও পরিশ্রমে এই সমাজ ও দেশ গড়ে তোলে, সেই সকল মেহনতি মানুষের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আসুন, আমরা প্রত্যেকে শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করি, ন্যায্য মজুরি প্রদান করি এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলি।
শ্রমিকের সম্মানই হোক আমাদের অঙ্গীকার ✊
26/04/2026
🟢 আপনার ব্যবসা কি এখনো লিগ্যাল হয়নি?
এখনই করুন রেজিস্ট্রেশন — ঝামেলা ছাড়াই, দ্রুত সময়ে!
🚀 B-Solution Consultancy Firm নিয়ে এসেছে
ঢাকা সিটির ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স রিটার্নের সহজ সমাধান — মাত্র ১ দিনেই!
📌 আমাদের সেবাসমূহ:
🔹 ট্যাক্স রিটার্ন জমা ও ভ্যাট কনসালটেন্সি
🔹 লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন (RJSC)
🔹 ট্রেড লাইসেন্স (নতুন / নবায়ন – ঢাকা সিটি)
🔹 পার্টনারশিপ রেজিস্ট্রেশন
🔹 কোম্পানি রিটার্ন ও অডিট
🔹 IRC & ERC লাইসেন্স
🔹 ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন
✅ দ্রুত সার্ভিস
✅ অভিজ্ঞ এক্সপার্ট টিম
✅ অনলাইন প্রসেসিং
✅ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
📞 আজই যোগাযোগ করুন:
📲 09696-753028
📲 01625-353028 (WhatsApp Available)
🔗 Facebook: B-Solution Consultancy Firm
🟩 B-Solution Consultancy
আপনার ব্যবসার বিশ্বস্ত লিগ্যাল পার্টনার
21/04/2026
মাত্র ১ দিনে সেবা নিতে আজই যোগাযোগ করুন।
03/02/2026
সর্বসাধারণের জন্য HS Code ভিত্তিক পণ্য আমদানির তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ
28/12/2025
আয়কর রিটার্নের সময় আরো ১ মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর-২০২৫ পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন করা যাবে।
27/11/2025
যে পনের কারনে করদাতার ফাইল পরীক্ষা নীরিক্ষা করা হবে
১. রিটার্নের তথ্য ও উৎসে কর কাটার তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকলে নিরীক্ষায় পড়তে পারে। বিশেষ করে করদাতাদের আয়-ব্যয়, উৎসে কর কর্তন, ব্যাংক লেনদেনের সঙ্গে রিটার্নের তথ্যের মিল না থাকলে এমন নজরদারিতে পড়তে পারেন।
২. আগের বছরের তুলনায় হঠাৎ অস্বাভাবিক বেশি সম্পদ দেখালে কর কর্মকর্তাদের সন্দেহ হতে পারে। সম্পদ অর্জনের অর্থের উৎস ব্যাখ্যা না থাকলে সন্দেহ আরও গভীর হয়।
৩. আয় কম দেখানো হলো। কিন্তু রিটার্নে বাড়ি-গাড়ি, সম্পদ বেশি দেখালেও নিরীক্ষায় পড়তে পারেন করদাতা।
৪. কোনো ব্যবসায়ী করদাতার ব্যবসায় ব্যয় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলেও নিরীক্ষায় পড়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ, খরচ অনেক বেশি দেখিয়ে লাভ কম দেখান অনেকে।
৫. উৎসে কর কাটা থাকলেও রিটার্নে দাবি না করা বা ভুল দাবি করলে নিরীক্ষায় ফেলতে পারেন কর কর্মকর্তারা। তাই উৎসে কর কর্তনের ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া যাবে না।
৬. রিটার্ন দাখিলের কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকলেও বিপাকে পড়তে পারেন। যেমন আয়, বিনিয়োগ, ব্যয়, সম্পদের দলিল, প্রমাণপত্র না থাকা বা ভুল কাগজপত্র না দেওয়া।
৭. নগদ অর্থ অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলে কর কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় পড়তে পারেন। যেমন রিটার্নে হাতে নগদ টাকা (ক্যাশ ইন হ্যান্ড) বেশি দেখালে সন্দেহ হয়।
৮. ঋণ বা দায় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলে নিরীক্ষায় জালে পড়বেন। তাই ঋণের উৎস ঠিকমতো ব্যাখ্যা দিতে হবে।
৯. উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ খাতের করদাতাদের দিকে বেশি নজর থাকে কর কর্মকর্তাদের। যেমন নির্মাণ, ঠিকাদার, সরবরাহকারী, জমি ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসায়ী, গাড়ি ব্যবসায়ী ইত্যাদি।
১০. ব্যাংকে বড় অঙ্কের লেনদেন করলেও আপনি নিরীক্ষার মতো বিপাকে পড়তে পারেন। দেখা গেল, ওই নির্দিষ্ট বছরে ব্যাংকে বড় পরিমাণ টাকা জমা বা উত্তোলন আছে। কিন্তু রিটার্নে উল্লেখ নেই।
১১. সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য গোপন করলে নিরীক্ষায় পড়বেন। তাই রিটার্নে জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি দেখিয়ে দেবেন।
১২. বিনিয়োগের ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত বিনিয়োগ দেখানো বা ভুল বিনিয়োগ দেখিয়ে অনেকে বিভিন্ন সুবিধা নেন।
১৩. কর কর্মকর্তারা দৈবচয়ন ভিত্তিতে নিরীক্ষা করে থাকে। তাই কোনো ভুল না থাকলেও দৈবচয়ন পদ্ধতির কারণে কেউ কেউ নিরীক্ষায় পড়ে যান।
১৪. প্রথমবার রিটার্নে অতিমাত্রায় সম্পদ দেখানো বা দীর্ঘদিন পরে রিটার্ন দেওয়া হলেও নজরে পড়তে পারেন।
১৫. আগের বছরের নিরীক্ষায় সমস্যা পাওয়া গেলে পরের বছরে সেসব করদাতার নথি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।
✍️প্রথম আলো