11/08/2026
🚨 ব্যাংকে টাকা জমা আছে? রিটার্ন জমা না দিলে কিন্তু কাটা যাবে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স!
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য জারি হলো নতুন ও কড়া নির্দেশনা। ব্যাংকের আমানত ও উৎসে কর সংক্রান্ত বিষয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে:
🔴 ট্যাক্স রিটার্নের প্রমাণপত্র বা PSR না দিলে ব্যাংকের সুদের ওপর নির্ধারিত হারের চেয়ে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটা হবে।
🟡 সঞ্চয়ী, স্থায়ী কিংবা মেয়াদী - সব ধরনের আমানতের মুনাফা থেকেই প্রাপকের ধরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কর কর্তন বাধ্যতামূলক।
🟢 ব্যাংকগুলোর অবহেলার কারণে যাতে রাজস্ব না হারায়, সেজন্য গ্রাহকের কর্তন করা ট্যাক্স দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমাদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔵 জুন মাসের কর্তনকৃত ট্যাক্স পরবর্তী দিন বা ৭ দিনের মধ্যে এবং অন্যান্য মাসের ট্যাক্স পরের মাসের প্রথম ২ সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে।
🟣 কেটে নেওয়া ট্যাক্সের টাকা ব্যাংকগুলো আর নিজেদের কোনো সাধারণ লেজার বা অ্যাকাউন্টে জমা রেখে সময়ক্ষেপণ করতে পারবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সরকার সময়মতো রাজস্ব পাবে এবং কর ফাঁকি কমবে। এর প্রভাবে সাধারণ ব্যাংক গ্রাহকদের মধ্যে সঠিক সময়ে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। আপনার কি মনে হয়? 🫡
10/08/2026
আর গোপন করার সুযোগ নেই
করজালে সকলেই!
08/08/2026
১%টার্নওভর ট্যাক্স এর কারণে
৫,০০০ টাকার ট্যাক্স ৫০,০০০টাকা।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের গলার কাঁটা।
কালো আইন বাতিল করা সময়ের দাবী।
আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
01811-878760
08/08/2026
টার্নওভার ট্যাক্সে পূর্বের নিয়ম, সঞ্চয়পত্রের মুনাফাকে ফাইনাল ট্যাক্স ও ফার্মের আয়কে ব্যাক্তি শ্রেণীর আয়ে পুনর্বহাল সহ অন্যান্য বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বরাবর দাবী পেশ করেছে DTBA.
05/08/2026
অডিটে বছরের পর বছর অপেক্ষা নয়: ১২ মাসে অ্যাসেসমেন্ট, ৯০ দিনে সেট-অ্যাসাইড নিষ্পত্তি!
অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯৭ সংশোধন করে কর নির্ধারণ (Assessment) সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
অডিট বা অ্যাসেসমেন্ট নির্বাচিত হলে সর্বোচ্চ ১২ মাসের মধ্যে কর নির্ধারণ সম্পন্ন করতে হবে।
আপিল কর্তৃপক্ষ বা ট্রাইব্যুনাল কোনো মামলা Set Aside করলে নতুন সিদ্ধান্ত দিতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে।
এর সুফল
১. করদাতার অনিশ্চয়তা কমবে।
২. অডিট দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।
৩. ব্যবসা ও ব্যাংকিং কার্যক্রমে সুবিধা বাড়বে।
৪. কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
করদাতাদের করণীয়
১. সময়মতো সঠিক রিটার্ন দাখিল করুন।
২. হিসাবপত্র সংরক্ষণ করুন।
৩. অডিট নোটিশ পেলে দ্রুত জবাব দিন।
সংক্ষেপে:
অডিট বা অ্যাসেসমেন্ট আর বছরের পর বছর ঝুলে থাকার সুযোগ কমে গেছে।
এটি করদাতার অধিকার সুরক্ষা ও দ্রুত ন্যায়সঙ্গত কর নির্ধারণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
05/08/2026
৫ লক্ষ টাকার বেশি ঋণ গ্রহণে ব্যাংকিং মাধ্যম বাধ্যতামূলক
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬৭(১৩) অনুযায়ী, ৫ লক্ষ টাকার বেশি ঋণ, অগ্রিম বা আমানত গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেল অথবা অ্যাকাউন্ট পেয়ী (Crossed) চেকের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে।
অন্যথায়, নগদে গৃহীত অতিরিক্ত বা সম্পূর্ণ অর্থ করদাতার অন্যান্য খাতের আয় হিসেবে গণ্য করে তার ওপর কর আরোপ করা হতে পারে।
ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি
✅ ৫ লক্ষ টাকার সীমা
৫ লক্ষ টাকার বেশি যেকোনো ঋণ, অগ্রিম বা আমানত অবশ্যই ব্যাংক ট্রান্সফার বা অ্যাকাউন্ট পেয়ী (Crossed) চেকের মাধ্যমে গ্রহণ ও পরিশোধ করতে হবে।
✅ নগদ লেনদেনের ঝুঁকি
নির্ধারিত ব্যাংকিং পদ্ধতি অনুসরণ না করে নগদে ৫ লক্ষ টাকার বেশি ঋণ গ্রহণ করলে, সেই অর্থ করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
✅ আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন
৫ লক্ষ টাকার কম ঋণ বা ব্যক্তিগত ধার হলেও তা আয়কর রিটার্নের Liabilities (দায়) অংশে যথাযথভাবে উল্লেখ করতে হবে।
✅ ঋণদাতার তথ্য প্রদান
রিটার্নে ঋণদাতার পূর্ণ নাম, করদাতার সঙ্গে সম্পর্ক এবং ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্য বা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ উল্লেখ করা উচিত।
✅ পারিবারিক ঋণের ক্ষেত্রে
স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান এবং আপন ভাই-বোনের মধ্যে ঋণ গ্রহণ, পরিশোধ বা ঋণ মওকুফের ক্ষেত্রে বিশেষ আইনগত বিধান ও নির্দেশনা প্রযোজ্য।
01811-878760
05/08/2026
ট্যাক্স রিটার্নে সম্পদের ক্রয়/অর্জনের প্রকৃত মূল্য কেন দেখাবেন জানেন?
কারণ এ বছর থেকে ক্যাপিটাল গেইনের উপর স্ল্যাব অনুযায়ী/বিশেষ হারে ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে।
এক্ষেত্রে বিক্রয় মূল্য থেকে ক্রয়/অর্জন মূল্যর পার্থক্যের উপর ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে।
ফলে যে সম্পদ আপনি বিক্রি করবেন সেটির মূল্য পূর্বে দেখানো থাকলে পার্থক্য কম হবে এতে ট্যাক্সের পরিমাণও কম হবে
05/08/2026
মাত্র এক মাসের সিদ্ধান্তেই বাঁচতে পারে হাজার হাজার টাকা—NBR-এর নতুন কর রিবেট কি জানেন?
ধরুন, দুইজন করদাতার আয় একই। দুজনেরই করের পরিমাণও প্রায় সমান।
কিন্তু একজন ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই আয়কর রিটার্ন জমা দিলেন, আর অন্যজন ভাবলেন, "আরও কিছুদিন পরে দিলেই হবে।"
ফলাফল?
প্রথম ব্যক্তি পেলেন সর্বোচ্চ ৫% পর্যন্ত কর রিবেট (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা)। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি শুধু এই সুবিধাই হারালেন না, নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত করও গুনতে হতে পারে।
এবার পুরো প্রক্রিয়াটিও আগের চেয়ে সহজ। e-Tax Portal ব্যবহার করে অনলাইনেই রিটার্ন জমা, কর পরিশোধ এবং তাৎক্ষণিক সনদ সংগ্রহ করা যায়।
যা মনে রাখবেন:
* ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে সর্বোচ্চ ৫% কর রিবেট (সীমা ২৫,০০০ টাকা)
* ১ অক্টোবর–৩১ ডিসেম্বর রিটার্ন দিলে ৫% কর রিবেট নেই
* জানুয়ারি–মার্চে দেরিতে রিটার্ন দিলে ২% বা ৩,০০০ টাকা (যেটি বেশি) অতিরিক্ত কর
* এপ্রিল–জুনে দেরি হলে ৫% বা ৫,০০০ টাকা (যেটি বেশি) অতিরিক্ত কর
কর দেওয়া শুধু আইনি দায়িত্ব নয়—সঠিক সময়ে রিটার্ন জমা দেওয়াও একটি আর্থিক সিদ্ধান্ত। কয়েক মিনিটের পরিকল্পনা আপনাকে হাজার হাজার টাকা সাশ্রয় করতে পারে।
আপনি কি ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন?
পাসপোর্ট ও ভিসা দিয়ে টিন খোলা যায়।
ডকুমেন্টস প্রয়োজন হবে, Passport, VISA & Picture,ইউজার আইডি পাসওয়ার্ডসহ টিন লাগলে যোগাযোগ করুন।
01811-878760
01/08/2026
লোন ৬ বছরের মধ্যে ফেরত না দিলে অন্যান্য উৎসের আয় হয়ে যাবে।
31/07/2026
🌍 সম্মানিত প্রবাসী করদাতাগণ
এখন প্রবাসে থেকেই সহজে আপনার আয়কর রিটার্ন (e-Return) দাখিল করতে পারবেন।
📑 ২০২৬–২৭ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
✅ ১২ ডিজিটের e-TIN সনদ
✅ পাসপোর্ট (Entry/Exit Seal ও Visa-সহ)
✅ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর কপি
✅ PRC (Proceeds Realization Certificate)
➡️ যে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্সের অর্থ সুবিধাভোগীর (Beneficiary) হিসাবে জমা হয়েছে বা ক্যাশ আউট করা হয়েছে, সেই ব্যাংক থেকে PRC সংগ্রহ করতে হবে।
✅ রেমিট্যান্সের প্রমাণপত্র
বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল, বিকাশ, নগদ, রকেট অথবা অন্য কোনো Mobile Financial Service (MFS)-এর মাধ্যমে প্রেরিত রেমিট্যান্সের স্টেটমেন্ট।
🇧🇩 দেশে অতিরিক্ত কোনো আয় থাকলে প্রয়োজন হবে—
🏦 ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- সঞ্চয়পত্রের প্রমাণপত্র
- উৎসে কর (TDS) কর্তন সনদ
- DPS, FDR, Insurance-এর তথ্য
🏠 সম্পত্তি ও শেয়ার
- ভাড়ার চুক্তিপত্র
- পৌর করের রসিদ
- Share Investment BO Account Portfolio Statement
🏢 ব্যবসা
- ট্রেড লাইসেন্স
- আয়-ব্যয়ের হিসাব
- সংশ্লিষ্ট ব্যাংক স্টেটমেন্ট
📋 সম্পদ ও দায়ের বিবরণ (IT-10B)
- জমির ক্রয় দলিল
- মিউটেশন
- খতিয়ান
- বিআরটিএ (BRTA) রেজিস্ট্রেশন সনদ
- ব্যাংক ঋণের বিবরণী
- অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ও দায়ের কাগজপত্র
📌 এছাড়াও করদাতার আয়কর-সংক্রান্ত অন্য কোনো তথ্য বা দলিল থাকলে সেগুলোও প্রস্তুত রাখুন।
📌 গত বছরের আয়কর রিটার্ন (যদি থাকে) অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন।