09/09/2024
পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সার্কেল অফিসগুলো ব্যাক্তি করদাতার ফাইল অডিটের জন্য বাছাই ও বোর্ডে প্রেরণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
VAT & Income Tax Expert Deals with VAT, Income Tax & Company Law.
09/09/2024
পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সার্কেল অফিসগুলো ব্যাক্তি করদাতার ফাইল অডিটের জন্য বাছাই ও বোর্ডে প্রেরণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
02/09/2024
10/08/2024
বিষয়: রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংস্কারের অংশ হিসেবে ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য ৬-দফা কর্মমূচী।
সম্মানিত পাঠক
আমার ছালাম ও শুভেচ্ছা নিন।
রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংস্কারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য নিম্নে ৬-দফা সংস্কার কর্মমূচী প্রস্তাব করা হলো:
(১) ইনভয়েস অটোমেশন: ক্রয়-বিক্রয়ের সকল ইনভয়েস/চালানপত্র/রসিদ অটোমেটেড পদ্ধতিতে ইস্যু করার প্রস্তাব করছি। ফলে, ব্যবসায়ের হিসাবপত্র বিকৃত করা কঠিন হবে, ভ্যাট ফাঁকি বন্ধ হবে, তথ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হবে, ইন-শা-আল্লাহ।
(২) হিসাব রাখা সহজীকারণ: বর্তমানে ভ্যাটের জন্য ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি হিসাব আলাদা রাখতে হয় যা প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ভ্যাট চালানপত্র আলাদা ইস্যু করা যায়। ভ্যাটের অন্যান্য রেজিষ্টার বাতিল করে আর্থিক বিবরণী সংশ্লিষ্ট জার্নাল, লেজার ইত্যাদিকে হিসাবের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার প্রস্তাব করছি। তাহলে হিসাবপত্রে শৃঙ্খলা আসবে; ভ্যাট, আয়কর ফাঁকি রোধ হবে; তথ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হবে, ইন-শা-আল্লাহ।
(৩) অনলাইনে ক্যাশলেস পেমেন্টের ক্ষেত্রে পেমেন্টের সময় ভ্যাট কেটে রাখার প্রস্তাব করছি।
(৪) ভ্যাট আইন সহজীকরণ: ভ্যাট আইন, বিধি, এসআরও ইত্যাদি জনগণের জন্য বোধগম্য করে সহজ ভাষায় পুনঃলিখন করার প্রস্তাব করছি। দূর্বোধ্য ভাষায় প্রণীত আইন অনিয়ম, দুর্নীতির সৃষ্টি করে।
(৫) দুর্নীতি দমন: ভ্যাট ব্যবস্থাপনা থেকে দুর্নীতি দমন/নির্মূল করার লক্ষ্যে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক, পারফম্যান্স ভিত্তিক ইনসেনটিভসহ অভ্যন্তরীণ সৎ অফিসারদের নিয়ে দুর্নীতি দমন ইউনিট গঠন করার প্রস্তাব করছি।
(৬) ২৫ (পঁচিশ) হাজার ভ্যাট প্রফেশনাল তৈরি: ভ্যাট সকলের বিষয় নয়। সকলকে ভ্যাট শেখানোর প্রয়োজন নেই। ভালো ভ্যাট জানা ২৫ (পঁচিশ) হাজার ভ্যাট প্রফেশনাল তৈরি করার প্রস্তাব করছি। তাঁরা দেশের ভ্যাট সিস্টেম পরিচালনা করবেন।
আসুন আমরা বিদেশী ঋণকে “না” বলি। ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার করে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব আহরণ করি। অনিয়ম, দুর্নীতি, হয়রানিমুক্ত, ন্যায্য, বৈষম্যহীন ভ্যাট ব্যবস্থা গড়ে তুলি, ইন-শা-আল্লাহ।
ভ্যাট ব্যবস্থা সংস্কারে ৬-দফা কর্মসুচীর পক্ষে জনমত গড়ে তুলুন।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
১০ আগস্ট, ২০২৪
ভ্যাট টিপস-০৮০/২০২৩:
বিষয়: সাব-কন্ট্রাক্ট এর ওপর ভ্যাট সংক্রান্ত।
জনমনে একটা সাধারণ ধারণা রয়েছে যে, সাব-কন্ট্রাক্ট এর ওপর ভ্যাট নেই। ভ্যাটের নানা বিষয়ে এমন ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। সাব-কন্ট্রাক্ট এর ওপর ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয় আজকের টিপসে স্পষ্টিকরণ করবো, ইন-শা-আল্লাহ। আমরা সাব-কন্ট্রাক্ট বলতে যা বুঝি সে সংক্রান্ত আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় তিনটি পরিস্থিতি রয়েছে যা নিম্নরূপ:
ভ্যাট আইনের ধারা ৪৯(৫) সাব-কন্ট্রাক্ট সংক্রান্ত বিধান বর্ণিত রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে, কোনো প্রকল্পের আওতায় মূল কন্ট্রাক্টরের বিল থেকে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ প্রযোজ্য হলে উৎসে ভ্যাট কর্তন করবে। মূল কন্ট্রাক্টর যদি সাব-কন্ট্রাক্টর নিয়োগ করে থাকেন, তাহলে মূল কন্ট্রাক্টর যখন সাব-কন্ট্রাক্টরকে বিল পেমেন্ট করবেন, তখন উৎসে ভ্যাট কর্তন করতে হবে না।
চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন বলে একটা কার্যক্রম ভ্যাট আইনে প্রচলিত রয়েছে যা কর্পোরেট জগতে contractual manufacturing বা toll manufacturing বলা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাধারণ আদেশ নং-১৪/মূসক/২০২০, তারিখ: ২৪ নভেম্বর, ২০২০ অনুসারে, পণ্যের মূল মালিক এবং চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনকারী একে অপরের মধ্যে উপকরণ এবং পণ্য মূসক-৬.৪ ফরমের মাধ্যমে আদান-প্রদান করবেন। চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনকারী তাঁর প্রাপ্য অর্থের জন্য মূসক-৬.৩ ইস্যু করবেন। যথানিয়মে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাধারণ আদেশ নং-০৮/মূসক/২০২২, তারিখ: ০১ জুন, ২০২২ অনুসারে, দুটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা হলে তা ভ্যাটমুক্ত হবে। অনেক সময় একটা বন্ডেড প্রতিষ্ঠান অন্য একটা বন্ডেড প্রতিষ্ঠান থেকে ডাইয়িং, ফিনিশিং, ক্যালেন্ডারিং, স্টিচিং ইত্যাদি কাজ করিয়ে নেয় যা ভ্যাটমুক্ত।
এই হলো আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় সাব-কন্ট্রাক্ট সংক্রান্ত তিনটি পরিস্থিতি এবং সে পরিস্থিতিতে ভ্যাট সংক্রান্ত বিধান। আশা করি বিষয়টা পাঠকদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে।
ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।
ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ ও ভ্যাট প্রশিক্ষক।
01/07/2024
উৎসে কর কর্তনকারী (VDS) হিসেবে যুক্ত হচ্ছে দশ কোটি টাকার অধিক টার্নওভার আছে এরুপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান- ৪ এর দফা (ক) উপ-দফা (চ)
01/07/2024
Monthly Withholding Tax Return প্রতি মাসের ১৫ তারিখের পরিবর্তে ২৫ তারিখের মধ্যে পূর্ববর্তী মাসের রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
01/07/2024
আজ থেকে ভ্যাটের নতুন কর চালানপত্র (মূসক-৬.৩) কার্যকর
16/06/2024
03/06/2024
কাস্টমস আইন, ২০২৩- ৬ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ হইতে কার্যকর
এস.আর.ও. নং ১৫৩-আইন/২০২৪/১৩-কাষ্টমস
https://www.dpp.gov.bd/upload_file/gazettes/54483_56974.pdf77
কাস্টমস আইন ১৯৬৯ ও কাস্টমস আইন ২০২৩-এর তুলনা
কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এবং কাস্টমস আইন ২০২৩-এর মধ্যে বিভিন্ন পরিবর্তন এবং সংযোজন ঘটেছে। নিচে এই দুই আইনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও নতুন সংযোজন উল্লেখ করা হল।
কাস্টমস আইন ১৯৬৯-এর ধারা ও পরিবর্তনসমূহ:
১. প্রস্তাবনা ও সংজ্ঞা:
১৯৬৯ সালের আইনটি কাস্টমস সংক্রান্ত বিভিন্ন সংজ্ঞা ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করে।
নতুন আইনে কিছু সংজ্ঞা আপডেট করা হয়েছে এবং কিছু নতুন সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে।
২. কর্তব্য ও আদেশ:
১৯৬৯ সালের আইনে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্তব্য ও আদেশের বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
২০২৩ সালের আইনে কিছু নতুন কর্তব্য এবং আদেশ সংযোজন করা হয়েছে যা আধুনিক কাস্টমস কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৩. শাস্তি:
১৯৬৯ সালের আইনে বিভিন্ন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান ছিল।
২০২৩ সালের আইনে শাস্তির বিধান আপডেট করা হয়েছে এবং কিছু নতুন অপরাধ ও তার শাস্তির উল্লেখ করা হয়েছে।
কাস্টমস আইন ২০২৩-এর নতুন সংযোজন ও পরিবর্তনসমূহ:
নতুন ধারা সংযোজন:
নতুন আইনটি আধুনিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য কিছু নতুন ধারা সংযোজন করেছে।
উদাহরণস্বরূপ, "ইলেকট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ" সংক্রান্ত ধারা সংযোজন করা হয়েছে যা ১৯৬৯ সালের আইনে ছিল না।
ধারা বিলুপ্তি:
১৯৬৯ সালের কিছু ধারা ২০২৩ সালের নতুন আইনে আর নেই কারণ সেগুলি এখন আর প্রয়োজনীয় নয় বা নতুন ধারায় সেগুলি মিশে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ, কিছু পুরনো ধারাগুলি, যেমন "বিকল্প পদ্ধতি", এখন আধুনিক ধারার সাথে সংযুক্ত হয়েছে।
নতুন প্রযুক্তি এবং প্রক্রিয়া:
২০২৩ সালের আইনটি আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত। এতে ইলেকট্রনিক্স ও ডিজিটাল প্রসেসিং এর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংশোধিত শাস্তির বিধান:
নতুন আইনটি বিভিন্ন অপরাধের জন্য শাস্তি কঠোর করেছে এবং কিছু নতুন শাস্তির বিধান সংযোজন করেছে।
উদাহরণ ও বিশেষ উল্লেখ
প্রস্তাবনা ও সংজ্ঞা (Bangladesh Customs & VAT Updateoms Act 2023):
প্রস্তাবনার মধ্যে কাস্টমস আধিকারিকদের ভূমিকা ও কর্তব্য বর্ণিত হয়েছে যা আধুনিক চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নতুন আইনটি তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স এর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে।
শাস্তি (Customs Act 2023):
নতুন আইনটি আধুনিক চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শাস্তির ধারা কঠোর করেছে এবং নতুন শাস্তি যোগ করেছে।
এই তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে কাস্টমস আইন ২০২৩ পুরনো কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর থেকে অনেক আধুনিক ও উন্নত হয়েছে যা বর্তমান সময়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সাথে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সংযোজন:
ইলেকট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ
নতুন প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত ধারা
বিলুপ্ত ধারা:
কিছু পুরনো ধারা যা বর্তমানে প্রয়োজনীয় নয়।
এই তুলনামূলক বিশ্লেষণ আরও বিস্তারিতভাবে করতে হলে প্রতিটি ধারার বিস্তারিত পাঠ করা প্রয়োজন। তবে এই মূল পয়েন্টগুলি কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এবং কাস্টমস আইন ২০২৩ এর মধ্যে প্রধান পরিবর্তন ও সংযোজন নির্দেশ করে।
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |