28/08/2026
যারা আয়কর রিটার্ন বিষয়টাকে ছেলে খেলা মনে করেন, তাদের জন্য আজকের পোস্ট উৎসর্গ করা হলোঃ
একজন করদাতা ২০২৩–২০২৪ করবর্ষের দায়সারা রিটার্ন জমা দেওয়ায় আয়কর অফিস তাকে ১৯,৫৫০/- টাকা বকেয়া কর প্রদান করার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে। তিনি যদি আগামী ০৮/০৯/২০২৬ তারিখের মধ্যে বকেয়া কর পরিশোধ না করে তাহলে তার সাথে কী কী ঘটতে পারে সেটাও এখানে বলে দেওয়া হয়েছে।
১। জরিমানা
২। মামলা
৩। ব্যাংক হিসাব জব্দ
৪। করদাতার গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্যান্য জরুরি সেবা বিচ্ছিন্ন/বন্ধ করা।
স্কুলের যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার ন্যায় আয়কর রিটার্ন যেমন ইচ্ছে তেমন করে প্রস্তুত করলে আপনার কপালে ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই জুটবে না। মনে রাখবেন, আপনি আয়কর রিটার্ন ফাইলটা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে দাখিল করছেন, কোনো কম্পিউটার দোকানদার সমিতির নেতার কাছে না।
অতএব, আয়কর রিটার্ন ফাইল তৈরির আগে আয়কর আইন সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করুণ অথবা দক্ষ কর আইনজীবীদের শরণাপন্ন হন। কারণ, দিনশেষে আপনার বাসায় এই নোটিশ আসলে আপনি আইনজীবীদের দরজায় কড়া নাড়বেন।
তাহলে ট্রেন ছাড়ার পর না দৌড়ে আগেই সতর্ক হন।
ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো পরামর্শ পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।
#আয়কর #রিটার্ন #জরিমানা #গ্যাস #পানি #ব্যাংক #হিসাব #জব্দ #আইনজীবী
24/08/2026
ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর—টার্নওভার ট্যাক্সে বড় ছাড়! 🚀
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য এসেছে অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ! 🎉
জাতীয় বাজেটের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টার্নওভার ট্যাক্সের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি স্বস্তিদায়ক ও ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ।
📌 নতুন টার্নওভার ট্যাক্সের হার:
🔹 ০ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার: ০% কর
🔹 ২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত: মাত্র ০.৫% কর
🔹 ৪ কোটি টাকার অধিক: ১% কর প্রযোজ্য
এই নতুন নীতির ফলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের করের বোঝা কমবে এবং ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণে আরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও ব্যবসাবান্ধব পদক্ষেপ।
আলহামদুলিল্লাহ। 🤲
ব্যবসা হোক আরও সহজ, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময়। 🇧🇩🚀
24/08/2026
২ কোটি টাকা টার্ণওভার পর্যান্ত শুন্য কর ২ কোটি টাকার অধিক কিন্তু ৪ কোটি টাকা টার্ণওভারের ক্ষেত্রে ০.৫% এবং ৪ কোটির অধিক হলে পুর্বের নিয়মে ১% টার্ণওভার ট্যাক্স নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হলো।
11/08/2026
অবশেষে আগামী মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ই-রিটার্ন ওয়েবসাইটের সাথে করদাতাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে।
অর্থাৎ আপনাকে আর ম্যানুয়ালি ব্যাংক হিসাবের তথ্য আয়কর রিটার্নে যুক্ত করতে হবে না; স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংযুক্ত হয়ে যাবে।
কেউ যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংযুক্ত না করেন, তবে তার রিটার্ন অটোমেটিক অডিটে পড়ার ঝুঁকিতে চলে যাবে।
অচিরেই এনবিআর করদাতার সব ধরনের আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নে সংযুক্ত করার কাজ সম্পন্ন করবে।
অতএব, যারা এতদিন ব্যাংক হিসাবের তথ্য গোপন করে বিভিন্ন উপায়ে কর ফাঁকি দিয়ে আসছেন, তাদের পালাবার পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
ঘরে বসে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
#আয়কর #রিটার্ন #অনলাইন #করযোগ্য #ব্যাংক #হিসাব #অটো #সংযোগ #ফাঁকি #গোপন
11/08/2026
অর্থ আইন ২০২৬ এর মাধ্যমে সবচেয়ে বিতর্কিত আইন হচ্ছে টার্নওভার কর, যেখানে ব্যবসায় লোকসান হলেও আপনাকে কর দিতে হবে।
ব্যবসায় লাভ-লোকসান নির্বিশেষে মোট বিক্রির বা টার্নওভারের ওপর মিনিমাম ১% কর আরোপ করায় ঝামেলায় পড়েছে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। এই টার্নওভার কর নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
কারণ, অতীতে আয়কর দিতে হতো ব্যবসার প্রকৃত আয় বা মুনাফার ওপর। কিন্তু টার্নওভার কর হিসাব হয় মোট বিক্রি বা প্রাপ্তির ওপর। মোটাদাগে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বছরজুড়ে পণ্য বা সেবা বেচাকেনায় কত টাকা লেনদেন হলো, এর ওপরেই টার্নওভার কর বসে। যেখানে ব্যবসার লাভ হলো নাকি লোকসান হলো, তা বিবেচনা করা হয় না। ফলে লোকসানি বা কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অঙ্কের করের মুখে পড়ে।
প্রকৃত লাভের ওপর হিসাব করলে যেখানে অল্প কর আসার কথা, সেখানে বাধ্যতামূলক টার্নওভার করের কারণে করের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যাচ্ছে। এটি করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আইনি ও আর্থিক চাপ তৈরি করে।
সাধারণ করদাতাদের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা না বাড়িয়ে কর জাল বিস্তৃত করা উচিত।
#কর #টার্ন #অনলাইনে #বিজনেস #ব্যবসা #প্রতিষ্ঠান #আয়কর #রিটার্ন
27/07/2026
আয়কর আইন ২০২৩ এর ১৬৩ ধারায় সকল ধরনের ব্যবসার ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স—ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি সত্যিই একটি ভয়ংকর ব্যবস্থা।
ধরা যাক, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বার্ষিক বিক্রয় ৪০ লাখ টাকা। গত বছর তাঁর GP ছিল ১৫%। সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর কর দাঁড়িয়েছিল ৫,০০০ টাকা—তিনি ৫,০০০ টাকা কর দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলেন।
এবার ১% টার্নওভার ট্যাক্সের কারণে তাঁকে দিতে হবে ৪০,০০০ টাকা।
অর্থাৎ, প্রকৃত কর ৫,০০০ টাকা হলেও অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা কর দিতে হবে।
এখন তিনি যদি বলেন—
“আমার অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা ফেরত দিন”—তাহলে ফেরতযোগ্য কর সৃষ্টি হবে, ১৮৩ ধারায় অ্যাসেসমেন্টের সম্ভাবনা তৈরি হবে, অডিটে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।
আবার যদি বলেন—
“থাক, ফেরত চাইব না; পুরো ৪০,০০০ টাকাই হিসাবের মধ্যে সমন্বয় করে নিই”—তাহলে তাঁর GP বেড়ে যেতে পারে।
আর GP বেড়ে গেলে পরের প্রশ্ন—
“এ বছর GP এত বেশি কেন?
তাহলে গত বছর কম দেখিয়েছিলেন কেন?”
এরপর ২১২ ধারায় আগের বছরের হিসাব পুনরায় উন্মোচনের পরিকল্পনা শুরু হতে পারে!
অর্থাৎ—
কর দিলে সমস্যা,
কর ফেরত চাইলে আরও সমস্যা,
আর কর ফেরত না চাইলে ভবিষ্যতে নতুন সমস্যা!
এভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর চাপ বাড়তে থাকলে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ হারাবেন। উদ্যোক্তা কমবে, ব্যবসা সংকুচিত হবে—আর দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিক্রয় কখনোই লাভ নয়। করব্যবস্থার উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায়; কিন্তু রাজস্বের স্থায়ী ভিত্তি হলো ব্যবসা ও উদ্যোক্তাকে বাঁচিয়ে রাখা। ব্যবসা বাঁচলে রাজস্ব বাড়বে। উদ্যোক্তা বাঁচলে করদাতা বাড়বে।
নির্বিচারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সব ব্যবসার বিক্রি বা টার্নওভারের উপর ১% কর বসাই দিলে কি, প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ে কি এত টাকা লাভ হয়???
অবাস্তব আইন করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে,তাহা দ্রুত সময়ে এস আরও দিয়ে এবং অনলাইন আপডেট দিলে উপকৃত হবেন সকলে,
পরামর্শ আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনাদের।💥
22/07/2026
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড