17/08/2026
সতর্কতা: শুধু NID দিয়ে TIN খুলে ফেলবেন না!
অনেকেই কম্পিউটার দোকান বা অনলাইন সেন্টারে গিয়ে শুধু NID/ভোটার আইডি দিয়ে TIN Certificate খুলে ফেলছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে—TIN খোলা একটি গুরুত্বপূর্ণ কর-সংক্রান্ত বিষয়।
TIN রেজিস্ট্রেশনের সময় ব্যক্তির প্রকৃত তথ্য অনুযায়ী প্রযোজ্য ঘরগুলো সঠিক ও সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করা প্রয়োজন। শুধু NID-এর তথ্য কপি করে দ্রুত TIN খুলে দিলে পরবর্তীতে e-Return দাখিলের সময় তথ্যের অসঙ্গতি বা ভুল দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে TIN খোলার সময় খেয়াল রাখুন—
১. পেশা সঠিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে কি না?
২. চাকরি/ব্যবসার তথ্য সঠিক কি না?
৩. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না?
৪. আয়ের উৎস সম্পর্কিত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা হয়েছে কি না?
৫. প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে প্রতিষ্ঠানের ধরন সঠিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে কি না?
৬. TIN Certificate তৈরি হওয়ার পর সব তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে কি না?
মনে রাখবেন, TIN Certificate আপনার কর-সংক্রান্ত পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথি। তাই অন্যের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে, নিজের তথ্য বুঝে এবং যাচাই করে TIN খুলুন।
ভুল তথ্য দিয়ে TIN খোলার চেয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে TIN খোলা অনেক বেশি নিরাপদ।
সচেতন হোন, সঠিক তথ্য দিন, ভবিষ্যতের কর-জটিলতা এড়িয়ে চলুন।
12/08/2026
ব্যাংকের তথ্য গোপন করার সুযোগ নেই — করজালে আসছে সবাই!
আগামী সেপ্টেম্বর থেকে আয়কর রিটার্নে ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ করদাতাকে আর হাতে ধরে ব্যাংক তথ্য যোগ করতে হবে না; ব্যাংক থেকেই তথ্য রিটার্নে চলে আসবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে—
১. কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে
২. দুর্নীতি ও অনিয়ম কমবে
৩. আয় গোপনের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হবে
৪. একাধিক ব্যাংক হিসাবের মধ্যে একটি দেখিয়ে বাকিগুলো গোপন রাখা কঠিন হবে।
যারা এতদিন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আয় কম দেখিয়েছেন বা একাধিক ব্যাংক হিসাবের তথ্য আড়াল করেছেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সতর্কবার্তা। এখন থেকে প্রকৃত আয়, ব্যাংক লেনদেন ও আর্থিক তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
মনে রাখতে হবে, সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্বও।
কর দিন, নিশ্চিন্ত থাকুন।স্বচ্ছ কর সংস্কৃতি গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
30/07/2026
টার্নওভার ট্যাক্স—রাজস্ব বৃদ্ধি, নাকি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি বোঝা?
অর্থ আইন, ২০২৬–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো টার্নওভার ট্যাক্স আরোপের ক্ষেত্রে পূর্বে বিদ্যমান ন্যূনতম ৪ কোটি টাকা গ্রস রিসিপ্ট/টার্নওভার–এর সীমা বাতিল করা হয়েছে।
এর ফলে বর্তমান আইনের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যবসায়ী বা পেশাজীবীর বার্ষিক গ্রস রিসিপ্ট বা টার্নওভার মাত্র ১০ লাখ টাকা হলেও তাকে ন্যূনতম ১০,০০০ টাকা টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করতে হতে পারে।
প্রশ্ন হলো—এটি কি করব্যবস্থার ন্যায্যতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার, নতুন উদ্যোক্তা এবং স্বল্প আয়ের পেশাজীবীদের জন্য এই বিধান বাস্তবে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যাদের ব্যবসা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে বা লাভ খুবই সীমিত, তাদের জন্য বাধ্যতামূলক টার্নওভার ট্যাক্স নিরুৎসাহের কারণ হতে পারে।
করব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত রাজস্ব বৃদ্ধি, করজাল সম্প্রসারণ এবং স্বেচ্ছায় কর পরিশোধে উৎসাহ সৃষ্টি করা। কিন্তু যদি করের বোঝা করদাতার আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির বাইরে থাকতে উৎসাহিত হতে পারেন, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আহরণের জন্যও ইতিবাচক নয়।
তাই নীতিনির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ— পূর্বের ন্যায় একটি যৌক্তিক ন্যূনতম গ্রস রিসিপ্ট/টার্নওভার সীমা পুনঃনির্ধারণ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জন্য টার্নওভার ট্যাক্স বিধান পুনর্বিবেচনা করা হোক।
ক্ষুদ্র ব্যবসা টিকে থাকলে অর্থনীতি এগোবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং স্বেচ্ছায় কর পরিশোধের সংস্কৃতিও শক্তিশালী হবে।
29/06/2026
করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর,
করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করার কথা ভাবা হচ্ছে!
প্রস্তাবিত অর্থ বিল-২০২৬ এ পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা সরকারের। শুরুতে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করার কথা ভাবা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক টিআইএন জমার বিধান পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে ব্যাংকিং সেবার আওতায় থাকতে পারেন।
আয়কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, জনবান্ধব ও বাস্তবসম্মত করার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আশা করি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সাধারণ করদাতাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
21/06/2026
📢 আয়কর ক্যাকুলেশন এখন আরও সহজ!
অনেক সময় করদাতারা জানতে চান—
❝আমার যদি ৫০ হাজার টাকা আয়কর আসে, তাহলে করযোগ্য আয় কত?❞
আবার কেউ জানতে চান—
❝আমার করযোগ্য আয় যদি ১২ লাখ টাকা হয়, তাহলে আয়কর কত হবে?❞
এই ধরনের প্রশ্নের দ্রুত উত্তর পাওয়ার জন্য আমি **Natural Person Tax Calculator** প্রস্তুত করেছি, যা **২০২৫-২৬ আয়বর্ষ এবং ২০২৬-২৭ করবর্ষের হালনাগাদ করহার** অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।
এই ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে খুব সহজেই—
✅ আয় থেকে আয়কর নির্ণয় করা যাবে;
✅ আয়করের পরিমাণ থেকে করযোগ্য আয় নির্ণয় করা যাবে;
✅ পুরুষ ও মহিলা করদাতার জন্য পৃথক হিসাব পাওয়া যাবে;
✅ Tax Slab অনুযায়ী করের বিশ্লেষণ দেখা যাবে।
📌 ব্যবহারের নির্দেশনা
🔹 লাল রঙে চিহ্নিত ৪টি ইনপুট ঘরের যে কোনো একটিতে আপনার প্রয়োজনীয় পরিমাণ বসান।
🔹 আয়করের পরিমাণ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট করযোগ্য আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে।
🔹 আবার করযোগ্য আয় প্রদান করলে আয়করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ণীত হবে।
🔹 বাকি সকল হিসাব ও Tax Slab Analysis স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে।
21/06/2026
✅আয়কর ফাইলে তহবিল বা সম্পদের পরিমাণ বৈধভাবে বাড়াতে হলে আপনার বার্ষিক আয় থেকে বৈধ সঞ্চয়,উপহার,উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি,বা পূর্বের অবঘোষিত(অঘোষিত)অর্থ নির্দিষ্ট কর দিয়ে নিয়মিত করার সুযোগ গ্রহণ করতে হবে।আয়কর নথিতে তহবিল বৃদ্ধির প্রধান উপায়সমূহ নিচে দেওয়া হলো:
⚫ আয়কর রেয়াতযোগ্য খাতে বিনিয়োগ: সরকার অনুমোদিত সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস (DPS), জীবন বীমা পলিসি,মিউচুয়াল ফান্ড,শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ এবং সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনার তহবিলে অর্থের পরিমাণ প্রদর্শন করতে পারেন। এগুলো আপনার বার্ষিক আয় থেকে কর রেয়াত (Tax Rebate) পেতে সহায়তা করে |
⚫ বৈধ উপহার ও উত্তরাধিকার (Gift and Inheritance): উইলের মাধ্যমে বা উপহার হিসেবে পাওয়া স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বৈধ দলিল বা প্রমাণক সহকারে আপনার আয়কর ফাইলে প্রদর্শন করা যায়।
⚫ মূলধনী আয় (Capital Gain): আপনার আয়কর ফাইলে দেখানো কোনো সম্পদ (যেমন: জমি, ফ্ল্যাট বা সোনা)বিক্রয় করে অর্জিত মুনাফা ফাইলে যুক্ত করা যায়,যার বিপরীতে নির্দিষ্ট হারে মূলধনী কর দিতে হয়।
⚫ অঘোষিত অর্থের নিয়মিতকরণ (Legalizing Undisclosed Income): অতীতে কোনো কারণে অর্জিত কিন্তু আয়কর নথিতে প্রদর্শিত হয়নি—এমন তহবিল নির্দিষ্ট হারে কর এবং জরিমানা প্রদান করে আয়কর ফাইলে বৈধ হিসেবে দেখানো সম্ভব।
19/06/2026
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য উৎসে কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ।
ফ্রিল্যান্সাররা দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এই বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টদের সেবা দিয়ে বৈধভাবে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। তাই এই আয়ের ওপর উৎসে কর প্রত্যাহার একটি বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ।
রেমিট্যান্স মূলত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ ধরনের আয়কে উৎসাহিত করা হলে আরও বেশি মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আগ্রহী হবেন, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ দেশে আনবেন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং আইসিটি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য এমন নীতিগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, সরকারের এই উদ্যোগ দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিকাশকে আরও ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশকে বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।
দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা লাখো ফ্রিল্যান্সারের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও স্বাগতযোগ্য সিদ্ধান্ত।
19/06/2026
সঞ্চয়পত্রে কর বৃদ্ধি নয়, প্রয়োজন দুর্নীতি বন্ধ করা!
সঞ্চয়পত্র আমাদের দেশের নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের দীর্ঘদিনের নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম। অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী ও সীমিত আয়ের মানুষ ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন।
এ ধরনের সামাজিক নিরাপত্তামূলক সঞ্চয়ের ওপর করের চাপ দ্বিগুণ করা হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ মানুষ। সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে, তবে সেই বোঝা যেন শুধু সৎ ও নিয়মিত করদাতাদের ওপর না পড়ে।
রাজস্ব ঘাটতি পূরণে প্রথমে প্রয়োজন কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি বন্ধ করা। কর অফিসে হয়রানি কমানো, সেবার মান বৃদ্ধি এবং কর ফাঁকি রোধ করা গেলে দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব আরও কার্যকরভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব।
সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনা—দুটিই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।
18/06/2026
‘মূল্য অজানা’ দেখিয়ে সম্পদ গোপনের সুযোগ বন্ধ হচ্ছে!
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বাড়ি, জমি, স্বর্ণালঙ্কারসহ অন্যান্য সম্পদের প্রকৃত মূল্য আয়কর নথিতে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এর ফলে সারচার্জ ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কমবে এবং কর ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
বর্তমানে ৪ কোটি টাকার বেশি সম্পদের ক্ষেত্রে ১০% থেকে ৩৫% পর্যন্ত সারচার্জ প্রযোজ্য। সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন হলে প্রকৃত সম্পদ অনুযায়ী কর আদায় নিশ্চিত হবে।
16/06/2026
কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ না দিয়ে
স্বচ্ছ অর্থনীতি গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার !
কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ না দিয়ে এবারের বাজেটে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতার গুরুত্ব বাড়ছে।
যারা সততা ও নিয়ম মেনে আয় করেন, তাদের প্রতি আস্থা ও সম্মান প্রতিষ্ঠা করা একটি সুস্থ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। একই সঙ্গে কর ফাঁকি ও দুর্নীতি নিরুৎসাহিত করে ন্যায্য কর আদায়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।
একটি আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণ, সঠিক সময়ে কর প্রদান এবং স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা।
সততার সঙ্গে কর দিন, দেশের উন্নয়নে অংশ নিন।
স্বচ্ছ অর্থনীতি গড়ি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করি।