26/06/2024
খুবই অসুস্থ একটা জেনারেশন আসছে❗
এদের না আছে ধর্মীয় জ্ঞান, আর না আছে ভালো আচার ব্যবহার। এরা হালাল হারামের পার্থক্য জানেনা। কোথায় আলহামদুলিল্লা/মাশাআল্লাহ বলতে হয় সেটা জানেনা। এরা পড়তে বসে রাত ১২-১ টায়, আর ঘুমাতে যায় ভোরে। এদের কাছে সকাল হচ্ছে দুপুর ১২ টায়, এরা নাস্তা করে দুপুরে। এরা শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করে শুধু মাত্র ❝(C G P A-Cumulative Grade Point Average)❞এর জন্য। এরা সালাম দিতে, নামাজ পড়তে লজ্জা পায়। এদের আছে পেট ভর্তি ইগো নামক দূষিত গ্যাস। এরা পাপ কে পাপ মনে করে না❗এরা গালাগালি ছাড়া কথা বলতে পারেনা। জাস্ট চিল মনে করে হাজারও পাপ করে বেড়ায়।
আপনি আপনার ছেলে মেয়েকে দ্বীন শেখাচ্ছেন না? শুধুমাত্র জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত করছেন?আমি জেনারেল শিক্ষার বিরোধিতা করছি না কিন্তু ইসলামিক জ্ঞান থাকাটা অতীব জরুরী, আপনি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাচ্চাদেরকে বড় করে তুলছেন, আপনার প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে আপনার সামনেই হাফ প্যান্ট পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে, নেশা করছে (বর্তমানে আমরা বিড়ি খাওয়াকে নেশাই মনে করি না অথচ ছাড়তে বললে তখন বলে নেশা হয়ে গেছে তাই ছাড়তে পারিনা) বর্তমানে বিড়ি খাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু ইসলাম এটাকে হারাম করেছে, আপনার ছেলে মেয়ে বছরের পর বছর নামাজ কাজা করছে, আপনি কিছুই বলছেন না, অথচ আপনি হজ্ব করে এসেছেন, আপনি নিজে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন!!!
আপনার মেয়ে বুকের ওড়না গলায় ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আবার অনেক সময় ওড়না পড়ছেও না আপনি সব দেখছেন তবুও কিছু বলছেন না, আপনি বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন অথচ পর্দা করা কে আল্লাহ তায়ালা ফরজ করেছেন, ভাবছেন এ যুগের মেয়ে এখন এটা ফ্যাশন, অথবা মা হিসেবে আপনি নিজেই বেপর্দা আপনি আপনার সন্তানকে কি পর্দা শেখাবেন? সে তো আপনাকে দেখেই শিখবে, আশেপাশের রিক্সাওয়ালা, মুচি, মেথর, অটোওয়ালা, ফুচকা ওয়ালা, পথচারী সবাই আপনার মেয়েকে দেখে মজা নিচ্ছে, চোখ দিয়ে ধর্ষণ করছে প্রতিনিয়ত। গুনাহে জারিয়াহ হচ্ছে এর একটা পাপের অংশ বাবা-মা হিসাবে আপনার আমলনামাতেও যাচ্ছে। পানি খাওয়ার সুন্নত, খাবার খাওয়ার সুন্নত, গোসলের সুন্নত কয়টি, ফরজ কয়টি এ বিষয়ে না আপনি নিজে জানেন না আপনার সন্তানকে শিখিয়েছেন!! কুরআন না আপনি নিজে জানেন না আপনার সন্তানকে শিখিয়েছেন, আপনি আপনার সন্তানের জন্য ড্রয়িং শিখানোর টিচার রেখেছেন, গানের টিচার রেখেছেন, নাচের টিচার রেখেছেন, অনেকে গিটার বাজানো শেখাচ্ছেন অথবা জেনারেল শিক্ষার জন্য একাধিক প্রাইভেট টিউটর রেখেছেন। ছেলে মেয়েরা দ্বীন মায়ের পেট থেকে শিখে আসে না তাদেরকে শেখাতে হয়, আপনি যে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাচ্চা মানুষ করছেন, বাবা-মা হিসেবে আপনি মনে রাখবেন আপনার এই সন্তান এই যুগের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে কিনা? আপনার শেষ বয়সে আপনার অবলম্বন হবে কিনা?
এরা আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ এসব শব্দের অর্থ জানেনা, ইসলামের চার খলিফার নাম বলতে পারবে না, নামাজের আহকাম-আরকান বলতে পারবে না, পাঁচটা ছোট সূরা মুখস্ত নেই অথচ ক্রিকেটারদের নাম, ফুটবলারদের নাম, বিভিন্ন নায়ক নায়িকাদের নাম, ৫০/১০০ টা গান এদের মুখস্ত আছে!!!
বর্তমানে বেয়াদব, নির্লজ্জ, বেহায়া, বেশরম, বেপর্দা জাতি আগামীর ভবিষ্যৎ হতে চলেছে!!! 🥲
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুণ।
আমীন 🤲
24/06/2024
সামর্থ্য থাকলে কখনোই গ্রামে থাকা উচিত না।
গ্রামে ১০০ বিঘা জমির মালিক হওয়ার চেয়ে শহরে এক টুকরো ভাড়া বাসায় থাকা অনেক ভালো, অনেক সম্মানের, অনেক আরামদায়ক।
গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করাটাকে কোন সূচকে এগিয়ে রাখা যায় আসলে?
এখানে বেশিরভাগ মানুষ এতই টক্সিক যে তারা তাদের ব্যাক্তিগত জীবনের থেকে আপনার জীবন নিয়ে বেশি চিন্তিত।আপনার চুল বড় কেন, আপনি বোরকা পড়েন না কেন, অনার্সে পড়লেও মেয়ের বিয়ে দেয়না কেন, বয়স ২৫ পেরিয়ে গেলেও এখনো জব হয়না কেন, আপনার ব্যাচমেট কেউ বিদেশে গিয়ে লাখ লাখ টাকা কামায় আপনি এখনো পড়াশুনা করেন কেন এসব আজগুবি বিষয় নিয়ে তাদের অনেক টেনশন। মাঝে মাঝে দেখবেন আপনার নিজের ফ্যামিলিও যেসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত নয় অন্যান্য মানুষ এর থেকে বেশি চিন্তিত।
গ্রামের টক্সিক বিষয়গুলোর আরেকটি বড় পার্ট হচ্ছে ঝগড়া৷
আপনি এমন কোনো বাড়ি খুজে পাবেন না যেখানে জায়গা-জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ফ্যামিলি সেই ফ্যামিলির সাথে কোনো একভাবে ঝগড়া লেগেই থাকে।
১ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে মাথা ফাটাফাটি, অশ্লিল ভাষায় গালাগালি, মামলা মোকদ্দমা চলতেই থাকে।
এইজন ওইজনের নামে গোপনে প্যাঁচ লাগিয়ে ঝগড়া বাদিয়ে দেওয়া, কাউকে পছন্দ নাহলে তার নামে জায়গায় অজায়গায় বদনাম রটিয়ে দেওয়া, এমনকি বিয়ে আসলেও গোপনে প্যাঁচ লাগিয়ে দেওয়া গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের যেনো একটি নিত্যদিনের কাজ।
গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ ই এতটা অজ্ঞ যে তারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা, এমবিবিএস ডাক্তার এর মানে বুঝেনা।
তাদের কাছে সরকারি চাকুরী মানে পুলিশ (হউক কনস্টেবল), সেনাবাহিনী (হউক সৈনিক), প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক এসব ই।আর একজন নার্সিং এ পড়া স্টুডেন্টকে যেমনভাবে ডাক্তার ভাবে তেমনি সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস পড়ুয়া কাউকেও সেরকম ই ভাবে। তাদের কাছে আপনি সরকারের কত গ্রেডের চাকুরী করেন তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনি প্রাইভেট জব করেন নাকি সরকারি। আপনি যদি প্রাইমারি স্কুলের পিওন ও হোন তাও মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি কিন্তু বেসরকারি যতো ভালো চাকুরী ই করেন, আমতা আমতা করবেই।
তাদের কাছে আপনার উচ্চশিক্ষা গ্রহনের থেকে আপনার সে বন্ধুর দাম বেশি যে এসএসসির পর সৈনিক/কনস্টেবল/ বিদেশে বা কোনো কাজে চলে গেছে।
আর টক্সিসিটির সবচেয়ে বিরক্তিকর পার্ট হচ্ছে গ্রামের চায়ের দোকানগুলো। গ্রামের প্রতিটি চায়ের দোকানে চায়ে চুমুক উঠেই গীবত দিয়ে। যেখানে কার বৌয়ের বাচ্চা হচ্ছেনা, কার বৌ প্র্যাগন্যান্ট থেকে শুরু করে রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কোনোটার ই গবেষণা বাকি থাকেনা। যার অধিকাংশই আবার গুজব।
(এতসবের মাঝেও গ্রামে কিছু আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী থাকেই, যারা আপনাকে বুঝতে চায়, বুঝে, বুঝার চেষ্টা করে। যারা অন্যের ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহী নয়, যারা মানে উচ্চশিক্ষা অর্জনের থেকে বিদেশে চলে যাওয়া কিংবা কোনো কাজে চলে যাওয়া কখনোই বেটার অপশন নয়, যারা চায়ের কাপে মিথ্যা আর গীবতের ধুঁয়ো উঠায় না। তাদের স্যালুট, তারা আজীবন সম্মানপ্রাপ্য)৷
জন্ম থেকেই গ্রামের পলিমাটি গায়ে মেখেও, একজন খাটি গ্রাম্য মানুষ হয়েও এ কথাগুলো লিখার একমাত্র কারন তিক্ততা৷
22/06/2024
আমরা রাসেল'স ভাইপার কে যে পরিমান ভয় পাচ্ছি,
কবরের সাপকে সে পরিমাণ ভয় করলে পৃথিবীতে এত পাপ সংগঠিত হতো না।
🐉
20/06/2024
রাসেলস ভাইপার কামড়ালে করনীয়:
এ বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক মোহাম্মদ হাসান তারিক বলেন, রাসেল ভাইপারের দংশনের শিকার ব্যক্তির কিডনি দ্রুত অকেজো হতে শুরু করে। শরীর জ্বালাপোড়া করার পাশাপাশি দংশনের স্থানে পচন ধরে।
একইসঙ্গে দংশনের শিকার ব্যক্তির রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা দেওয় না হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব হয় না।
সাপটির দংশনের শিকার ব্যক্তিদের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে চিকিৎসক আরও বলেন, রাসেল ভাইপারের এন্টিভেনম থাকলেও সেটা খুব একটা কাজ করে না।
২০১৫ সালের দিকে আমরা প্রথম রাসেল ভাইপারে কামড়ানো রোগী পেয়েছিলাম। সে সময় আক্রান্ত হাত-পা কেটে ফেলেও রোগীকে বাঁচানো যায়নি। তাই সাপটির কবল থেকে বাঁচতে সচেতনতাই কার্যকর পথ।
ভাইপার রাসেলস দংশন করলে করণীয় সম্পর্কে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সুপারনিউমেরারি অধ্যাপক মো. ফরিদ আহসান বলেন, কামড়ে যদি দাঁত বসে যায়, তাহলে ক্ষতস্থানের ওই জায়গাটিসহ ওপর-নিচের খানিকটা জায়গা নিয়ে হালকা করে ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে দিতে হবে। নড়াচড়া করা যাবে না। রোগীকে সাহস দিতে হবে। হাঁটা-চলাচল একেবারেই বন্ধ করে দিতে হবে। যাতে রক্ত চলাচলটা একটু কম হয়। এভাবে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
অধ্যাপক মো. ফরিদ আহসান আরও বলেন, গ্রামাঞ্চলের কোথাও যদি গাড়ি না পাওয়া যায়, তাহলে মোটরসাইকেলে রোগীকে চালক ও আরেক আরোহীর মাঝে বসিয়ে নিতে হবে। তাহলে একটু দ্রুত হবে।
ফরিদ আহসান জানান, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হয় না। অনেকটা দেরি হয়ে যায়। তখন এটা একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এই সাপের বিষ এমনই বেশি যে একসঙ্গে শরীরের অনেকগুলো অঙ্গ আক্রান্ত হয়ে যায়।
18/06/2024
সিলেটে ফের বন্যা পরিস্থিতি!!
পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ!
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহায় হউন।
🤲 আমীন 🤲
17/06/2024
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওলিল্লাহিল হামদ।
ঈদ মোবারক 🫂
আমরা অনেকেই কুরবানী করছি অথচ ফজরের নামাজ পড়তে ভুলে গিয়েছি, আরেকটা বিষয় লক্ষ করলাম সেটা হলো মসজিদের পাশে অথবা মসজিদের মাঠে অনেকেই মাংস কাটাকাটিতে ব্যস্ত অথচ মহান আল্লাহ পাকের হুকুম জোহরের ফরজ ৪ কারাত নামাজ সেটি না পড়েই মাংস ভাগাভাগি করছে, আবার অনেকেই সারা বছর জুম্মার নামাজ ব্যতীত অন্য কোন নামাজ পড়ি না সেও কুরবানী দিচ্ছে অনেকেই আবার জুম্মার নামাজটাও নিয়মিত গুরুত্ব দিয়ে পড়ি না, আরেকটা বিষয় হচ্ছে অনেকেই হাফপ্যান্ট পরিধান কোরবানির পশু কাটাকাটি তে ব্যস্ত অথচ প্রত্যেকটা মুসলমানের জন্য নাভির নিচ থেকে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ঢেকে রাখাকে ফরজ করা হয়েছে পক্ষান্তরে কোরবানি একটি ওয়াজিব ইবাদত, আবার এটাও দেখা যায় অনেকেই মাংস কাটার ফাঁকে ফাঁকে আবার বিরতিতে বিড়ি খেয়ে নিচ্ছেন, মহান আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তাআলার তাকওয়া অর্জন করাকে আমরা এতটাই অবহেলার বিষয় বানিয়ে ফেলেছি। কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনার কোরবানী আদৌ হচ্ছে কিনা? একজন বিধর্মী, অমুসলিম আর মুসলিম এর মধ্য বেসিক পার্থক্য হচ্ছে সালাত। যার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নেই তার অন্য কোন এবাদত নেই। বছরে ১৮২৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আপনি অবলিলায় ত্যাগ করে বছরে ১ দিন ওয়াজিব ইবাদত নিয়ে ব্যাপক ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এটা থেকে বুঝাই যায় আপনি গোশত খাওয়ার জন্য অথবা সমাজের মানুষ কি বলবে অথবা আপনার বাচ্চারা অন্যের কোরবানি দেখে তাকিয়ে থাকবে অথবা কুরবানী না দিলে কেমন দেখা যায় এসব ভেবে কোরবানি দিচ্ছেন!!!
নামাজ ও কোরবানি দুটি আলাদা ইবাদত। সবার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয় না, বরং শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়। আল্লাহ তাআলা কোরবানির নির্দেশ দিয়ে বলেন— ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি আদায় করুন।’ (সুরা কাউসার: ২)
আর নামাজ হচ্ছে ইসলামের দ্বিতীয় রোকন এবং মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণকারী। নামাজ মুসলমানের জন্য এত বড় দায়িত্ব যে, ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফরজ নামাজ ত্যাগকারীর ব্যাপারে মহানবী (স.) খুব কঠিন কঠিন কথা বলেছেন। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজ না পড়া। যে নামাজ ছেড়ে দিল সে কাফের হয়ে গেল (কাফেরের মতো কাজ করল)’ (সহিহ মুসলিম: ৮২)। রাসুলুল্লাহ (স.) আরও ইরশাদ করেন, ‘আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজের। যে নামাজ ত্যাগ করল সে কাফের হয়ে গেল।’ (তিরমিজি: ২৬২১)
ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ করলে তার ওপর আল্লাহ তাআলার কোনো জিম্মাদারি থাকে না’ (মুসনাদে আহমদ: ৫/২৩৮)। এক হাদিসে এসেছে, যার ভেতর নামাজ নেই, তার ভেতর দ্বীনের কোনো হিস্যা নেই। (মুসনাদে বাজ্জার: ৮৫৩৯)
ওমর (র.) বলতেন, ‘নামাজ ত্যাগকারী নির্ঘাত কাফের’ (বায়হাকি: ১৫৫৯, ৬২৯১)। আলি (রা.) বলেন, ‘যে নামাজ পড়ে না সে কাফের’ (বায়হাকি: ৬২৯১)। আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) বলেন, ‘যে নামাজ পড়ে না সে মুসলমান নয়।’ (বায়হাকি: ৬২৯১)
সুতরাং নামাজের সঙ্গে কোরবানির সম্পর্ক না থাকলেও নামাজ থেকে সম্পূর্ণ গাফেল ব্যক্তিকে কোরবানির পশুতে শরিক বানাতে নিষেধ করেন আলেমরা। কারণ, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা এবং আল্লাহকে ভয় করা ব্যক্তি কখনও নামাজে ছেড়ে দিতে পারে না। এমন ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি করবে—বিষয়টি অসম্ভব বলা চলে। হয়ত মানুষের তিরস্কার থেকে বাঁচতে বা গোশত খাওয়ার নিয়তে কোরবানি করে থাকবে। এটি তার জন্য স্বাভাবিক।
৫ ওয়াক্ত নামাজ বাদ দিয়ে কুরবানী করা অনেকটা নেংটা হয়ে মাথায় পাগড়ি বাধার মত ব্যাপার।
15/06/2024
জিলহজ মাসের প্রথম দশকের দিনগুলো অতি ফজিলত ও মর্যাদাপূর্ণ। এই ১০ দিনের আমল আল্লাহর কাছে অন্য সকল দিনের চেয়ে অধিক প্রিয়। নিচে জিলহজের গুরুত্বপূর্ণ দুটি আমলের ব্যাপারে আলোচনা করা হলো।
ইয়াউমুল আরাফার রোজা
জিলহজের ১ম ১০ দিনের রোজা একটি বড় আমল হচ্ছে রোজা রাখা। যারা এই ৯ দিনের মাঝে কেবল একদিনও রোজা রাখতে চান তারা আরাফার রোজা রাখতে পারেন ৯ জিলহজ ১৬ জুন রবিবার। এ রোজার ফলে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এক বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যাবে।
صيام يوم عرفة أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله والسنة التي بعده
‘ইয়াওমে আরাফার রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী, তিনি এর দ্বারা এর আগের এক বছরের ও পরের এক বছরের গোনাহ মাফ করবেন।
- সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১১৬২
তাকবীরে তাশরীক
প্রত্যেক মুসল্লীর জন্য যিলহজ্বের নয় তারিখের ফজর হতে তের তারিখের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামায আদায় করে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে (পুরুষের জন্য) উচ্চস্বরে একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। নারীরা নিচু স্বরে তাকবীর বলবে।
- সূরা বাকারা : ২০৩; মুসতাদরাকে হাকেম ১/২৯৯হাদীস : ১১৫২-১১৫৭; ইবনে আবী শায়বা ৪/১৯৫ হাদীস : ৫৬৭৭, ৫৬৭৮, ৫৬৯২; সুনানে দারাকুতনী ২/৪৯-৫০ হাদীস : ২৫-২৯; ইলাউস সুনান ৮/১৪৮-১৬২, আদ্দুররুল মুখতার ৩/১৭৭-১৭৮
সে হিসাবে বাংলাদেশে তাকবীর বলা শুরু করতে হবে ১৬ জুন রবিবার ফজরের নামাজ থেকে। তাকবির বলা শেষ হবে ২০ জুন বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর তাকবির বলার মাধ্যমে।
তাকবীরে তাশরীকের জন্য বিভিন্ন শব্দ হাদীসে উল্লেখ হয়েছে। তন্মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বজনবিদিত পাঠ হল,
الله أكبر، الله أكبر،لا إله إلاالله والله أكبر،الله أكبر ولله الحمد.
অর্থঃ আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান৷ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আল্লাহ মহান৷ আল্লহ মহান এবং সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য৷
- তাবারানী মুজামে কাবীর হাদীস : ৯৫৩৮; মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা হাদীস : ৫৬৭৯, ৫৬৯৬, ৫৬৯৭, ৫৬৯৯; ইলাউস সুনান ৮/১৫৬; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৫৮
তাকবির বলার আমলটি প্রাপ্তবয়ষ্ক নারী-পুরুষ সকলের জন্য ওয়াজিব। পুরুষগণ মসজিদে নামাজ আদায় করলে সেখানে উচ্চস্বরে তাকবির বলায় ভুলে যাওয়ার আশংকা কম। কিন্তু নারীগণ বাসায় থাকে বিধায় প্রতি নামাজের পর ভুলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখা কর্তব্য।
ইয়াউমুল আরাফার রোজার তারিখ ও তাকবীরে তাশরীকের আরো কিছু মাসআলা জানতে ভিজিট করতে পারেন মাসিক আলকাউসারের এই লিংকে:
https://www.alkawsar.com/bn/article/36/
আল্লাহ আমাদের সবাইকে জিলহজের আমলগুলো সুন্নাহ মোতাবেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
13/06/2024
দেশি অথবা বিদেশি সকল প্রকার কোল্ডড্রিংস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই আসুন আমরা সবাই দেশি অথবা বিদেশি সকল প্রকার কোল্ডড্রিংস বয়কট করি। প্রয়োজনে কোল্ডড্রিংসের টাকা দিয়ে লেবুর শরবত বানিয়ে পান করি যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
13/06/2024
সুস্থ থাকতে কলা খান, জানুন কলার অজানা উপকারিতা
#সুস্থ_থাকতে
#কলা_খান
#জানুন_কলার_অজানা_উপকারিতা
#সুস্থতা
#কলা
#উপকারিতা
#স্বাস্থ্য
#কলার_উপকারিতা
#সুস্থ_জীবন
#স্বাস্থ্যকর_খাদ্য
#বাংলা