09/06/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:
■ জুলাই – সেপ্টেম্বর: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।
■ অক্টোবর – ডিসেম্বর: এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।
■ জানুয়ারি – মার্চ: এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।
■ এপ্রিল – জুন: এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚ #আয়কর
08/06/2026
ব্যাংকে ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট খোলায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে
11/05/2026
📢 ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর নতুন সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
যারা নতুনভাবে ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর সদস্যপদ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ফি সংক্রান্ত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো। অনেকেই ইতোমধ্যে মেসেজ পেয়েছেন, আবার অনেকে এখনো পাননি। তাই সকলের সুবিধার্থে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করা হলো—
💰 সদস্যপদ গ্রহণের জন্য সম্ভাব্য ফি সমূহঃ
🔹 এডমিশন ফি — ১৫,০০০ টাকা
🔹 বার্ষিক চাঁদা — ১,২০০ টাকা
🔹 বার্ষিক ন্যাশনাল বার ফি — ১০০ টাকা
🔹 ওয়েলফেয়ার ফান্ড — ৫০০ টাকা
🔹 বার্ষিক একোমোডেশন — ৫০০ টাকা
🔹 স্টাফ ওয়েলফেয়ার ফান্ড — ১০০ টাকা
🔹 প্রশিক্ষণ ফি — ৭০০ টাকা
🔸 যাদের বয়স ৪০ বছর বা তার কম, তাদের জন্য অতিরিক্ত
➡️ বেনোভোলেন্ট ফান্ড ফি — ৮,১২৫ টাকা
📌 মোট সম্ভাব্য জমার পরিমাণঃ
✅ বয়স ৪০ বছর বা কম হলে — ২৬,২২৫ টাকা
✅ বয়স ৪০ বছরের বেশি হলে — ১৮,১০০ টাকা
⏳ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ১১ জুন, ২০২৬
📚 সকল নতুন সদস্যকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি জমা সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
21/04/2026
১. আয়কর (Income Tax)
আপনি আয় করলে সেই আয়ের উপর যে কর দেন।
👉 যেমন চাকরি, ব্যবসা, ভাড়া, পেশা থেকে আয় হলে আয়কর লাগতে পারে।
২. ভ্যাট (VAT)
কোনো পণ্য বা সেবা কিনলে দামের সাথে যে কর যুক্ত থাকে।
👉 যেমন রেস্টুরেন্টে খাওয়া, মোবাইল বিল, কাপড় কেনা।
৩. উৎসে কর (Tax Deducted at Source)
টাকা পাওয়ার আগেই কিছু কর কেটে রাখা হয়।
👉 যেমন ব্যাংকের মুনাফা, ঠিকাদারি বিল, চাকরির বেতন থেকে আগেই কেটে নেয়।
৪. কাস্টমস ডিউটি (Customs Duty)
বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করলে সীমান্তে যে কর দিতে হয়।
👉 যেমন বিদেশি গাড়ি, মোবাইল, প্রসাধনী আনলে।
৫. এক্সাইস ডিউটি (Excise Duty)
নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা সেবার উপর বিশেষ কর।
👉 যেমন ব্যাংক হিসাবের নির্দিষ্ট ব্যালেন্সে, বিলাসপণ্যে বা বিশেষ খাতে।
৬. সারচার্জ (Surcharge)
মূল করের উপর অতিরিক্ত কর।
👉 যেমন বেশি আয় বা সম্পদ থাকলে আয়করের সাথে বাড়তি সারচার্জ দিতে হতে পারে।
৭. AIT (Advance Income Tax)
আগাম আয়কর। পরে মূল আয়করের সাথে সমন্বয় হয়।
👉 যেমন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, আমদানি, ব্যবসায় কিছু ক্ষেত্রে আগে কর দিতে হয়।
৮. রোড ট্যাক্স
রাস্তা ব্যবহার ও গাড়ি চালানোর জন্য গাড়ির উপর দেওয়া কর/ফি।
👉 সাধারণত গাড়ির ফিটনেস বা নবায়নের সময় লাগে।
৯. টোল (Toll)
নির্দিষ্ট রাস্তা, সেতু, টানেল ব্যবহার করলে যে টাকা দিতে হয়।
👉 যেমন পদ্মা সেতু পার হতে টোল।
১০. স্ট্যাম্প ফি
আইনি কাগজপত্র, চুক্তিপত্র, দলিল ইত্যাদিতে সরকারকে দেওয়া ফি।
👉 যেমন এফিডেভিট, চুক্তিনামা, দলিল।
১১. রেজিস্ট্রেশন ফি
কোনো সম্পদ, গাড়ি, ব্যবসা বা দলিল সরকারি রেকর্ডে নিবন্ধন করতে যে ফি লাগে।
👉 যেমন জমি রেজিস্ট্রি, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন।
১২. সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duty)
কিছু পণ্যে অতিরিক্ত কর।
👉 যেমন সিগারেট, কোমল পানীয়, বিলাসপণ্য।
১৩. হোল্ডিং ট্যাক্স / পৌরকর
বাড়ি বা দোকানের উপর স্থানীয় কর।
👉 যেমন পৌরসভা এলাকায় বাড়ির মালিককে বছরে কর দিতে হয়।
১৪. ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা)
জমির উপর বার্ষিক কর।
👉 যেমন কৃষি জমি বা অন্যান্য জমির খাজনা।
বাস্তব সত্য কথা:
আপনি যদি আয় না-ও করেন, তবুও বাজারে কিছু কিনলেই ভ্যাট দেন। মোবাইল ব্যবহার করলে কর দেন। রাস্তা পার হলে টোল দেন। অর্থাৎ প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে সরকারকে টাকা দেয়।
এই চৌদ্দ জাতের ট্যাক্স এর মধ্যে কোনটা কোনটা আপনি দেন.? 🤷♂️
Tax Attorny Iftekher Bhuiyan
14/04/2026
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গেম চেঞ্জার’ উদ্যোগ 🔥
আশা করি QR কোড চিনেন।
বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের এপ থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট করার জন্য দোকানে এরকম QR কোড হয়তো দেখেছেন।
কিন্তু এত এত ব্যাংক, এত এত MFS (বিকাশ,নগদ) থাকায় এত ভিন্ন ভিন্ন কোড ব্যবহার করা খুবই ঝামেলার বিষয়!
তাই বাংলাদেশ ব্যাংক একটা চমৎকার কাজ করে ফেলেছে। সবার জন্য একটা কোড বানাই ফেলেছে। ইহার নাম দিয়েছে Bangla QR ✅
এই কোড ব্যবহার করে সব ব্যাংক, সব MFS এর গ্রাহকেরা কেনাকাটার পেমেন্ট করতে পারবে।
দোকানদারকেও আলাদা-আলাদা বার কোড রাখার দরকার হবে না।
আগামী জুনের মধ্যে সব ব্যাংক, এমএফএসের জন্য অভিন্ন বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন চালু বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কোনো ব্যাংক বা এমএফএস এই নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে জরিমানা, শাস্তিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মূলত ক্যাশলেস বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য ২০২৩ সালেই আন্তঃব্যাংক কোডভিত্তিক লেনদেন নিষ্পত্তির এ ব্যবস্থা চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
২০২৭ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ লেনদেন ক্যাশলেস করার লক্ষ্যে এখন মুদি দোকান থেকে শুরু করে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের নতুন ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা নবায়নের জন্য কিউআর পরিশোধের ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সব প্রতিষ্ঠানে এ ব্যবস্থা রয়েছে কিনা তা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯ লাখ ৬৩ হাজার মার্চেন্ট ডিজিটাল পরিশোধ নিচ্ছে।
দেশে বর্তমানে নগদ টাকা ছাপানো, সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় প্রতিবছর ২০ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ হচ্ছে।
এটার চেয়ে বড় সমস্যা হলো ঘুষ, দূর্নীতি, চাদাবাজীসহ যে কোন অবৈধ কাজে নগদ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমে এসব অপকর্মের টাকা লেনদেন করলে সব রেকর্ড থেকে যাবে 😜
এছাড়া নগদ টাকা বহন করা ঝুঁকিপূর্ণ, সময় সাপেক্ষ, জালনোটসহ নানান প্রতারণা জড়িত।
নগদ টাকার ব্যবহার কমানো গেলে মানি লন্ডারিং, কাল টাকা, ট্যাক্স ফাঁকি কমানো যাবে!
তো Bangla QR পুরোপুরি চালু হলে আর কি নতুন টাকার প্রয়োজন হবে আপনাদের.? 😁
Tax Attorny Iftekher Bhuiyan
26/03/2026
I'm not just a tax consultant only. I'm also an investment consultant too.
15/03/2026
১৩ বছর পর মুক্তি পেল হরিশ রানা। সুপ্রিম কোর্ট মুক্ত করল তাকে। স্বেচ্ছা মৃত্যুর এক ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট যা ভারতের ইতিহাসে প্রথম। ২০১৩ সালে, যখন হরিশ পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিল তখন মোহালিতে পেইং গেস্ট থাকা বাড়ির চতুর্থ তলা থেকে পড়ে যায় সে। এই দুর্ঘটনায় তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। সেই থেকে গত ১৩ বছর ধরে, তিনি বিছানায় বন্দি, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, নিরুত্তর। তার শ্বাস চলছে , কিন্তু তিনি কাউকে চিনতে পারেন না , কিছুই করতে পারেননা। লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে তাকে ১৩ বছর ধরে। হরিশের বাবা মা তার স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য আবেদন জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে, কারণ ১৩ বছরে তার অবস্থার সামান্যতম উন্নতিও হয়নি।
হরিশকে প্রোটিন শেক এবং একটি ফিডিং টিউবের মাধ্যমে চূর্ণবিচূর্ণ এবং ফিল্টার করা ডাল খাওয়ানো হয়, যা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করতে হয়। প্রতি দুই ঘন্টা অন্তর অন্তর তার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয় যাতে তার অচল অবস্থার কারণে সৃষ্ট বেডসোরগুলি আরও খারাপ না হয়।
দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদে তার পরিবারের বাড়িতে বিছানায় নিশ্চল শুয়ে থাকা একত্রিশ বছর বয়সী হরিশ রানার দুর্বল দেহের সাথে তার আগের সুদর্শন, ক্রীড়াবিদ যুবক দেহের আর কোনো মিল নেই। তার চোখ খোলা আছে, কিন্তু কিছুই দেখা যায়না সেই চোখে। সে কথা বলতে বা শুনতে পারে না এবং ট্র্যাকিওস্টোমি টিউবের মাধ্যমে শ্বাস নেয়। কেবল হৃদ চলাচল করা মানে সেটা জীবন নয়, তাই সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে, যাতে হরিশের লাইফ সাপোর্ট বন্ধ করে তাকে জীবনের বোঝা থেকে মুক্ত করা যায়। প্যাসিভ ইউথানেসিয়ার মাধ্যমে মৃ। ত্যু হবে হরিশের। এই প্রসঙ্গে আদালত কেন্দ্রকে প্যাসিভ ইউথানেশিয়া সংক্রান্ত একটি আইন আনার কথা বিবেচনা করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে।