12/07/2026
সম্মানিত করদাতা, আপনার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ণ দাখিল করার গুরুত্ব সম্পর্কে আপনাকে অবগত করা হচ্ছে। আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আপনার ট্যাক্স রিটার্ণ দাখিল করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য SUVO & SHOFIK ASSOCIATES এর সাথে যোগাযোগ করুন।
Mobile: 01310496987; 01922503374
Email: [email protected]
25/06/2026
আয়কর আইন, ২০২৩, সংশ্লিষ্ট SRO, এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর সর্বশেষ নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে। আপনার ৫ কাঠা জমি আছে এবং আপনি সেটি একজন ডেভেলপারকে দিয়েছেন।
১. ডেভেলপারকে জমি দেওয়ার সময়
ডেভেলপার প্রদত্ত সাইনিং মানি বা বিবেচ্য মূল্যের উপর ১৫% কর দিতে হবে।
২. ডেভেলপারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট বুঝে পাওয়ার সময়
জমির বিনিময়ে প্রাপ্ত ফ্ল্যাট গ্রহণের সময় আবার ১৫% কর দিতে হবে।
৩. উত্তরাধিকার সূত্রে ফ্ল্যাট পেলে
উত্তরাধিকারীর নামে হস্তান্তরের ক্ষেত্রেও ১৫% কর দিতে হবে বলে দেখানো হয়েছে।
৪. পরবর্তীতে বিক্রয় বা হস্তান্তর করলে
ফ্ল্যাট বিক্রি বা অন্যের কাছে হস্তান্তরের সময়ও ১৫% কর দিতে হবে।
24/06/2026
আয়কর আইন, ২০২৩ (ITA, 2023) এবং আয়কর রিটার্ন ফরম্যাট অনুযায়ী মোট আয়কে ১০টি শিরোনামে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। সেগুলো হলো—
১.চাকরি থেকে প্রাপ্ত আয় (Income from Employment)
২.বাড়ি ভাড়া থেকে প্রাপ্ত আয় (Rental Income)
৩.কৃষি আয় (Agricultural Income)
৪.ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত আয় (Income from Business)
৫.মূলধনী মুনাফা (Capital Gain)
৬.আর্থিক সম্পদ থেকে প্রাপ্ত আয় (Income from Financial Assets)
৭.অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত আয় (Income from Other Sources)
৮.অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় অংশ (Share of Profit in a Firm)
৯.স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয় (Income of Spouse or Minor Child)
১০.বিদেশি আয় (Foreign Income)
23/06/2026
🚨 আয়কর রিটার্ন জমা দিতে দেরি করলেই বড় বিপদ!
⚠️ শেষ তারিখ মিস করেছেন? তাহলে জেনে নিন কী অপেক্ষা করছে আপনার জন্য—
🔴 জরিমানা (Penalty) আইন অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া রিটার্ন জমা না দিলে সর্বশেষ করযোগ্য আয়ের ১০% অথবা ১,০০০ টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হতে পারে।
🔴 বিলম্ব সুদ (Delay Interest) বকেয়া করের ওপর প্রতি মাসে সাধারণত ২% বা ৪% হারে সুদ যোগ হতে পারে।
🔴 কর রেয়াত (Tax Rebate) বাতিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে বিনিয়োগের বিপরীতে পাওয়া কর রেয়াত বাতিল হয়ে যেতে পারে।
🔴 সরকারি সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঝুঁকি এনবিআর (NBR) প্রয়োজন মনে করলে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির মতো জরুরি সরকারি সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিতে পারে।
🔴 আইনি জটিলতা জরিমানা ও সুদের পাশাপাশি মামলা-মোকদ্দমাসহ নানা ধরনের আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
✅ সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে পাবেন— • কর আইন মেনে চলার নিশ্চয়তা
• কর রেয়াতের সুবিধা
• সরকারি সুবিধা অব্যাহত রাখা
• জরিমানা ও সুদ থেকে মুক্তি
• মানসিক স্বস্তি
22/06/2026
লুকানো করদাতা ও কর ফাঁকি শনাক্তে এনবিআরের সম্ভাব্য কার্যক্রম : আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী করজাল সম্প্রসারণ, লুকানো করদাতা শনাক্তকরণ এবং কর ফাঁকি প্রতিরোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ঝুঁকিভিত্তিক (Risk-Based) পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। সম্ভাব্য কার্যকর পদক্ষেপসমূহ: 🔹 তথ্যভান্ডার সমন্বয় (Data Integration) BRTA, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, RAJUK, সিটি কর্পোরেশন, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, শেয়ার বাজার, ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্পদ ও আয় উৎসের মধ্যে অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা। 🔹 ব্যাংক ও আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ আইনসম্মত কর্তৃত্বের আওতায় ব্যাংক হিসাবের লেনদেন, আমানত ও আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে অঘোষিত আয় বা সম্পদের তথ্য যাচাই করা। 🔹 কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (CIC) এর কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ করদাতা, অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি বা সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন শনাক্ত করে তদন্ত পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 🔹 ঝুঁকিভিত্তিক অডিট ও তদন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডাটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে উচ্চ ঝুঁকির করদাতা নির্বাচন এবং লক্ষ্যভিত্তিক অডিট পরিচালনা করা। 🔹 মাঠপর্যায়ের জরিপ ও পরিদর্শন নতুন ব্যবসা, পেশাজীবী, ভাড়াবাড়ি মালিক, অনলাইন ব্যবসায়ী ও উচ্চমূল্যের সম্পদের মালিকদের শনাক্ত করতে বিশেষ জরিপ ও সরেজমিন অনুসন্ধান পরিচালনা করা। 🔹 বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন কর, ভ্যাট, কাস্টমস, ভূমি নিবন্ধন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তথ্য যাচাই ও করজাল সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা। মূল লক্ষ্য ✔ করজাল সম্প্রসারণ ✔ কর ফাঁকি হ্রাস ✔ ন্যায্য করব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ✔ রাজস্ব বৃদ্ধি ✔ সৎ করদাতাদের জন্য সমতাভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা "করের আওতা বৃদ্ধি মানেই করের হার বৃদ্ধি নয়; বরং সবাইকে ন্যায্যভাবে কর ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করাই আধুনিক রাজস্ব প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।