Hasan Ali Tax & VAT Consultancy

Hasan Ali Tax & VAT Consultancy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hasan Ali Tax & VAT Consultancy, Financial Consultant, Dhaka.

22/12/2025

ব্যক্তি পর্যায়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
ব্যক্তি পর্যায়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের মেয়াদ বর্তমানে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। তবে করদাতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে এই সময়সীমা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হবে। তাই করদাতাদের প্রতি অনুরোধ—সরকারি ঘোষণা নিয়মিত অনুসরণ করুন এবং শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন করুন।ব্যক্তি পর্যায়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ব্যক্তি পর্যায়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের মেয়াদ বর্তমানে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। তবে করদাতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে এই সময়সীমা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হবে। তাই করদাতাদের প্রতি অনুরোধ—সরকারি ঘোষণা নিয়মিত অনুসরণ করুন এবং শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন করুন।

16/12/2025

📢 আয়কর রিটার্ন বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা!!

👉 আমরা অনেকেই জানি, সরকার ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সবাইকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

🔹 বর্তমানে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ব্যবস্থা চালু হওয়ায় অনেকেই প্রাথমিক ধারণা ও অনলাইন তথ্যের সহায়তায় নিজ উদ্যোগে রিটার্ন জমা দিচ্ছেন—এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক।

- তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে—

অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য অসম্পূর্ণ বা সঠিকভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে না।

ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট যথাযথভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে না

ক্যাশ ফ্লো স্টেটমেন্ট যথাযথ বিশ্লেষণ ছাড়াই রিটার্ন দাখিল করা হচ্ছে।

🔹 আবার অনেকেই সহজ সমাধান হিসেবে কম্পিউটার দোকান বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিচ্ছেন, যেখানে—

করদাতার প্রকৃত আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রতিফলিত হচ্ছে না।

অনেক ক্ষেত্রে করদাতাই জানেন না, কীভাবে ও কোন তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল হয়েছে।

✅ মনে রাখবেন—

আইন মেনে ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল করলে
✔️ জরিমানা হওয়ার সম্ভাবনা কমে
✔️ অডিট ঝুঁকি হ্রাস পায়
✔️ ভবিষ্যতের অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়ানো যায়

📌 আমার আন্তরিক পরামর্শ
রিটার্ন জমা দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই—

অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল কর পরামর্শকের সঙ্গে আলোচনা করুন।

নিজের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় যথাযথভাবে যাচাই করে নিন।

👉 আজকের সচেতনতা আপনাকে আগামীর বড় ঝামেলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।
---
ধন্যবাদান্তে
মোঃ হাসান আলী
আয়কর আইনজীবী
📞 মোবাইল: 01724-875876

28/11/2025

যে ১৫ কারণে করদাতার আয়কর রিটার্নের তথ্য যাচাই–বাছাই করা হয়।

অনেক করদাতার আয়কর রিটার্ন বিভিন্ন কারণে নিরীক্ষায় পড়ে যায়, যার ফলে তারা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যদিও ব্যাপকভাবে নিরীক্ষা করছে না, তবুও করদাতার ফাইল যাচাইয়ের জন্য নানান নোটিশ প্রদান করছে। রিটার্ন নিরীক্ষা বা নজরদারিতে পড়ার সম্ভাব্য ১৫টি কারণ নিচে তুলে ধরা হলো—

১. রিটার্নের তথ্য ও উৎসে কর কর্তনের (TDS/WHT) তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে রিটার্ন নিরীক্ষায় পড়তে পারে। বিশেষ করে আয়-ব্যয়, ব্যাংক লেনদেন ও TDS–এর তথ্যের মিল না থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

২. আগের বছরের তুলনায় হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বেশি সম্পদ দেখালে কর কর্মকর্তাদের সন্দেহ হতে পারে। সম্পদের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা না থাকলে সন্দেহ আরও বাড়ে।

৩. রিটার্নে আয় কম দেখানো হলেও সম্পদ—যেমন বাড়ি, গাড়ি, জমি—বেশি দেখালে নিরীক্ষায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪. ব্যবসায় ব্যয় অস্বাভাবিক বেশি দেখালে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। কারণ অনেকে ব্যয় বাড়িয়ে দেখিয়ে লাভ কম দেখানোর চেষ্টা করেন।

৫. উৎসে কর কর্তনের উপযুক্ত দাবি না করলে বা ভুল দাবি করলে রিটার্ন নিরীক্ষায় যেতে পারে। তাই TDS সম্পর্কিত কোনো ভুল করা যাবে না।

৬. রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকলে বা ভুল তথ্য দিলে নিরীক্ষায় পড়ার ঝুঁকি থাকে।

৭. রিটার্নে হাতে থাকা নগদ অর্থ (Cash in Hand) অস্বাভাবিক বেশি দেখালে কর কর্মকর্তাদের সন্দেহ হতে পারে।

৮. ঋণ বা দায় অস্বাভাবিক বেশি দেখালে তা নিরীক্ষার কারণ হতে পারে। ঋণের উৎস স্পষ্ট ব্যাখ্যা করতে হবে।

৯. উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায়িক খাতে করদাতার দিকে কর কর্তৃপক্ষ বেশি নজর রাখে—যেমন নির্মাণ, ঠিকাদারি, সরবরাহ, জমি ব্যবসা, গাড়ি ব্যবসা ইত্যাদি।

১০. ব্যাংকে বড় অঙ্কের লেনদেন থাকলেও রিটার্নে তা উল্লেখ না থাকলে নিরীক্ষার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

১১. জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ির মতো সম্পদ ক্রয়–বিক্রয়ের তথ্য গোপন করলে রিটার্ন নিরীক্ষায় পড়বে।

১২. বিনিয়োগ সংক্রান্ত ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে নিরীক্ষায় জড়ানোর ঝুঁকি থাকে।

১৩. কর কর্মকর্তারা দৈবচয়ন (Random Selection) পদ্ধতিতে কিছু রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য বাছাই করেন। তাতে কোনো ভুল না থাকলেও নিরীক্ষায় পড়া সম্ভব।

১৪. প্রথমবার রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে অতিরিক্ত সম্পদ দেখালে বা বহু বছর পর রিটার্ন জমা দিলে নজরদারিতে পড়তে পারেন।

১৫. আগের বছরের নিরীক্ষায় কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে পরের বছর সেই করদাতার ফাইলকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।

26/11/2025

আয়কর অফিসের নোটিশ পেলে করণীয়!!

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অধীনে আয়কর কার্যালয় বিভিন্ন কারণে করদাতাদের নোটিশ পাঠায়। সাম্প্রতিক সময়ে নোটিশের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে কর বিশেষজ্ঞদের মতে এটি স্বাভাবিক এবং নিয়মিত একটি আইনি প্রক্রিয়া। নোটিশ পেলে ভয় পাওয়া বা এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়; বরং সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

নোটিশ সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে দেওয়া হয়—

রিটার্ন জমা না দেওয়া

কর পরিশোধে অসঙ্গতি

দলিলে ঘাটতি

অতিরিক্ত তথ্য বা ব্যাখ্যা চাওয়া

এটি মনে রাখা জরুরি—আপনার টিআইএন নম্বরের ঠিকানায় পাঠানো নোটিশ হাতে না পেলেও আইনিভাবে নোটিশ প্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবে।
---
✔️ নোটিশ পেলে ধাপে ধাপে করণীয়

১) বিষয়বস্তু বুঝুন

নোটিশটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কী চাওয়া হয়েছে, কোন তথ্য বা দলিল দরকার—তা স্পষ্টভাবে বুঝে নিন।

২) কোন ধারা উল্লেখ আছে বুঝে নিন

নোটিশটি আয়কর, ভ্যাট বা কাস্টমসের কোন আইনি ধারা অনুসারে দেওয়া হয়েছে—তা ভালোভাবে পড়ে নিন। এতে আপনার প্রস্তুতি সহজ হবে।

৩) সময়সীমা খেয়াল করুন

নোটিশের তারিখ, জবাব দেওয়ার শেষ সময় এবং শুনানির তারিখ ভুলবেন না। নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে।

৪) প্রস্তুতি নিন

যে তথ্য, ব্যাখ্যা বা দলিল চাওয়া হয়েছে তা সময়মতো সংগ্রহ করুন। শুনানি থাকলে উপস্থিত থাকুন।

৫) প্রয়োজনীয় দলিলপত্র জোগাড় করুন

এনবিআরের চাহিদা অনুযায়ী দলিল, সনদ ও প্রমাণাদি জমা দিন। প্রতিটি দাবির জবাবে স্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিন।
৬) পেশাদারের সহায়তা নিন

জটিল বিষয় হলে একজন অভিজ্ঞ কর আইনজীবী বা ট্যাক্স কনসালট্যান্টের পরামর্শ নিন।

৭) অবহেলা করবেন না

নোটিশ উপেক্ষা করলে কর অফিস একতরফা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। তাই এটিকে সর্বদা গুরুত্ব সহকারে নিন।

৮) প্রয়োজন হলে সময় বাড়ান

প্রস্তুতি অসম্পূর্ণ হলে নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে পারেন।

ধন্যবাদান্তে
মোহাম্মদ হাসান আলী
এমবিএস, এলএলবি, সিএ- সিসি
আয়কর আইনজীবী
01724-875876

23/11/2025

আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৩৩৪ এর উপ-ধারা (ক) এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জনস্বার্থে, কোম্পানি ব্যতীত সকল করদাতার ২০২৫-২৬ কর বর্ষের জন্য রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করল।

05/11/2025

ট্যাক্স রিটার্ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ 💼

অনেকেই দেখেছি ট্যাক্স রিটার্ন করার জন্য যেকোনো কম্পিউটার দোকানে চলে যান। কিন্তু মনে রাখবেন — ট্যাক্স রিটার্ন শুধু একটা ফর্ম পূরণ নয়, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া, যেখানে সঠিক নিয়ম-কানুন না মানলে ভবিষ্যতে ট্যাক্স অফিস থেকে নোটিশ, জরিমানা এমনকি বিভিন্ন ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

👉 তাই অনুরোধ রইল — ট্যাক্স রিটার্ন যেন অবশ্যই অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তির মাধ্যমে সঠিকভাবে জমা দেন।
✅ ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে আপনার রিটার্ন জমা দিন এবং নিশ্চিন্ত থাকুন।

🔍 কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শের জন্য ইনবক্স করুন — আমরা আছি আপনাদের পাশে।
মোঃ হাসান আলী (আয়কর আইনজীবী)
Whatsapp Number 01724-875876

01/11/2025

আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষসময় ৩০শে নভেম্বর ২০২৫। ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে স্বাভাবিক ব্যক্তিদের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে, পাঁচ ধরনের ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিলে বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
১. ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব প্রবীন ব্যক্তি
২. বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ন করদাতা (সনদ প্রাপ্ত)
৩. মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি
৪. বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা
৫. বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।
উপরোক্ত করদাতা ছাড়া অন্য কোনো করদাতা পেপার রিটার্ন (অফলাইন রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে, ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কারন ওবং প্রমানপত্রসহ উপকর কমিশনার বরাবর আবেদন করতে হবে।

অনেক করদাতারই বায়োমেট্রিক এ সমস্যা থাকার ধরুন, বায়োমেট্রিক সিমকার্ড নিতে পারছেন না, যার ফলে ঐসকল করদাতা চাইলেও অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন না। এক্ষেত্রে সেসকল করদাতাকে ১৫ নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে স্ব স্ব সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর আবেদন করে পেপার রিটার্ন দাখিলের অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় পেপার রিটার্ন দাখিলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। সুতরাং, সময়মত আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন, সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি, জরিমানা ও সুদদহ অতিরিক্ত কর প্রদান থেকে নিজেকে রক্ষা করুন।

মোঃ হাসান আলী (আয়কর আইনজীবী)
01724-875876

01/11/2025

৩০ শে নভেম্বর এর মধ্যে রিটার্ন জমা দিয়ে জরিমানা থেকে রেহাই পাই।

28/10/2025

দান সংক্রান্ত ভুল ব্যাখ্যার বিষয়ে সচেতন হউন???
২০২৪-২৫ আয়বর্ষে একজন করদাতাকে তার মেয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৫,০০,০০০ টাকা দান করেছিলেন । আইন অনুযায়ী তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে দান গ্রহণ হিসাবে দেখাতে চাচ্ছেন কিন্তু তার মেয়ের ট্যাক্স পরামর্শক বলেছেন যে তিনি যদি তার (করদাতার মেয়ের) ট্যাক্স ফাইলে দান প্রদান দেখান তাহলে ৭৫,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।
আয়কর আইন ২০২৩ এর ৬ষ্ঠ তফশিলের অংশ ১ এর দফা ৩৫ অনুযায়ী - নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে দান করমুক্ত।
স্বামী-স্ত্রী, আপন ভাই বা বোন, মাতা-পিতা বা সন্তানের নিকট হতে দান হিসাবে গৃহীত কোনো পরিসম্পদ যদি দাতা এবং গ্রহীতার আয়কর রিটার্নে যথাযথ ভাবে প্রদর্শিত হয় তাহলে কোনোরুপ আয়কর দিতে হবে না।
*** তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত দান বিদেশ হতে বাংলাদেশে অবস্থিত গ্রহীতার নিকট ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরিত হলে দাতার রিটার্নে প্রদর্শনের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
তাই আয়কর পরামর্শকদের উচিৎ তার মক্কেলের কাছে আইনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করা।

28/10/2025

🚨 টিন সার্টিফিকেট খুলে বিপদে?

😟 ট্যাক্স রিটার্ন না দিলে জরিমানা, নোটিশ, এমনকি সমস্যায় পড়তে পারেন!

👉 চিন্তা নয়!
টিন ও ট্যাক্স রিটার্ন নিয়ে আর ভাবনা নয় — আমরা আছি আপনার পাশে।

💼 পেশাদার সহায়তা, সঠিক পরামর্শ ও দ্রুত সেবা — সব এক জায়গায়!

মোঃ হাসান আলী
আইকর আইনজীবী (Income Tax Lawyer)

📞 যোগাযোগ: 01724-875876

✅ টিন নিবন্ধন
✅ রিটার্ন দাখিল
✅ ট্যাক্স হিয়ারিং
✅ কোম্পানি ও ব্যক্তিগত কর পরামর্শ

📍 বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করুন — আপনার ট্যাক্স সলিউশন এখানেই!

03/10/2025

প্রথম আয়কর রিটার্ন জমায় যে ৫টি ভুল করা যাবে না

প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় অনেকেই অসাবধানতাবশত বা কৌশল করে তথ্য গোপন করেন। এর ফলে পরে বড় ধরনের বিপদে পড়তে হয়—জরিমানা ও আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

মনে রাখবেন, এবার আপনার রিটার্নে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত আয় ও ব্যয়ের বিবরণী দিতে হবে। তাই সতর্ক হয়ে রিটার্ন পূরণ করুন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক—প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় যে পাঁচটি ভুল করা যাবে না:

১. নগদ টাকা গোপন করা

আপনার হাতে যত নগদ টাকা আছে, তার পুরোটা রিটার্নে দেখাতে হবে। অনেকে মনে করেন নগদ বেশি দেখালে সমস্যা হবে—এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আপনার আয় বৈধ হলে নগদ টাকা দেখাতে কোনো ভয় নেই। তাই রিটার্ন ফর্মে “Cash in Hand” অংশে অবশ্যই নগদ অর্থ উল্লেখ করবেন।

২. সঞ্চয়পত্র, এফডিআর, ডিপিএস ও শেয়ার না দেখানো

আপনার নামে যদি সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত (FDR), ডিপিএস বা শেয়ার থাকে তবে তা রিটার্নে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আগে হয়তো আপনার টিআইএন (TIN) ছিল না বা রিটার্ন দেননি, কিন্তু প্রথমবার রিটার্ন দেওয়ার সময় এগুলো আর্থিক খাতে দেখাতে হবে।

৩. জমি, ফ্ল্যাট বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি গোপন করা

নিজের নামে জমি, প্লট বা ফ্ল্যাট থাকলে তা রিটার্নে জানাতে হবে—হোক সেটা ক্রয়, উত্তরাধিকার, দান বা উপহার সূত্রে প্রাপ্ত।

যদি আপনার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি হয়, তবে আইডি-১০বি (Statement of Assets and Liabilities) ফরম পূরণ করে আলাদা সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে।

৪. গাড়ি না দেখানো

আপনার নামে গাড়ি, মোটরবাইক বা এ ধরনের যেকোনো যানবাহন থাকলে রিটার্নে তা অবশ্যই উল্লেখ করবেন। গাড়ির জন্য প্রতিবছর আপনি যে অগ্রিম আয়কর (AIT) পরিশোধ করেন, তা রিটার্নে দেখালে পরবর্তীতে সমন্বয় করা যাবে। ফলে এটি করদাতার জন্য লাভজনক।

৫. স্বর্ণালংকার বা মূল্যবান গয়না গোপন করা

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে—নিজের কাছে থাকা স্বর্ণালংকার, হীরকখচিত বা অন্যান্য দামী গয়না রিটার্নে উল্লেখ করতে হবে। এমনকি উপহারসূত্রেও পাওয়া গয়না দেখাতে হবে।

🔑 মনে রাখবেন:
প্রথমবার রিটার্নে নগদ টাকা, সম্পদ, বিনিয়োগ ও গয়না—সব কিছুই সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি আয়ের উৎসের ব্যাখ্যা অবশ্যই যুক্ত রাখতে হবে। আর এসব সম্পদের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যতের জন্য।

✅ সঠিকভাবে রিটার্ন দিলে আইনগত ঝুঁকি এড়ানো যায় এবং ভবিষ্যতে বড় কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না।

Want your business to be the top-listed Accountant in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
1000