05/08/2025
২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিলে করদাতাগণের অভূতপূর্ব সাড়া।
Vat & Tax service BD.
05/08/2025
২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিলে করদাতাগণের অভূতপূর্ব সাড়া।
23/07/2025
06/07/2025
'অর্থ-বছর ২০২৪-২০২৫ আয়কর হার'।
03/07/2025
২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য ভ্যাট প্রাদানের লিস্ট। কোন পেশায়/ সেবায় ভ্যাট কত দেখে নিন।
09/06/2025
👍👍বাজেটে আয়কর খাতের যেসব পরিবর্তন হচ্ছে 👍👍
07/06/2025
করমুক্ত আয়সীমা।
05/06/2025
প্রস্তাবিত বাজেট-২০২৫-২২৬ অর্থ বছরে : ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের পরিবর্তিত নতুন সময়সীমা। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করার সুযোগ! এখন করদাতাগণ নিম্নলিখিত সময় পাবেন:
#.ব্যক্তি করদাতার রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩০ নভেম্বর বহাল।
#.কোম্পানি করদাতার ক্ষেত্রে অর্থ বছরে শেষ হবার নবম মাসের ১৫ তারিখ। (অর্থ বছর জুন ক্লোজিং হলে পরের বছরের ১৫ই মার্চ শেষ দিন)।
#.নতুন করদাতার ক্ষেত্রে কর বর্ষের শেষ দিন (অর্থাৎ ৩০ জুন)।
#. বিদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে তার দেশে ফেরার ৯০ তম দিন।
#.সবচেয়ে আকর্ষণীয় সুবিধা হল কোন ব্যক্তি করদাতা উপরোক্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করতে পারলে তিনি কমিশনার বরাবর সময় বৃদ্ধির আবেদন করে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ দিন সময় পাওয়া যাবে!
02/06/2025
👍👍👍২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য আয়কর হার 👍👍👍
👍👍👍টিন বিন এবং রিটার্নের সকল কাজ করে দেওয়া হয়। অনলাইন ভেরিফিকেশন সহ 👍👍👍
কমবেশি কমন প্রশ্ন
টিন করেছি এখন কি রিটার্ন দিতে হবে কিংবা না দিলে কি হবে?
১. একজন করদাতা আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৬৬ এর অধীনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে বাধ্য।
২. ধারা ১৬৬ এর অধীনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
দায়বদ্ধ থাকবেন-
(ক) ধারা ২৬৬ এর অধীনে জরিমানা; এবং
(খ) আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩১১ এর অধীনে মামলা।
ইনকাম ট্যাক্স বা ভ্যাটের কোনো জটিলতায় আছেন,যে কোন সমস্যার সমাধান পেতে যোগাযোগ করতে পারেন।
ই-টিআইএন ( E-TIN) এর সুবিধা:
প্রথম সুবিধা হচ্ছে আপনি একজন আয়কর প্রদান কারী হিসেবে নিবন্ধিত হবেন। নিবন্ধিত হওয়ার পর আপনাকে নিয়ম মেনে প্রতিবছর জুলাই ১ থেকে নভেম্বর ৩০ সময় সীমার মধ্যে আপনাকে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। উল্লেখযোগ্য যে আপনার বার্ষিক আয় যদি করমুক্ত উক্ত সীমা অতিক্রম না করে তাহলে আপনাকে আয়কর দিতে হবে না। আপনার বার্ষিক আয় কর মুক্ত অতিক্রম করে তাহলে কর হার অনুযায়ী আয়কর প্রদান করতে হবে। আপনার আয় করার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।যা দেশের উন্নয়ন মূলক কাজের ব্যবহৃত হবে। এছাড়া ব্যাংক আপনার গচ্ছিত অর্থ থেকে যে লভ্যাংশ পাবেন আপনার ই-টিআইএন সার্টিফিকেট/রিটার্ন দাখিল করলে ১০% কর কেটে রাখার পর বাকি অংশ আপনার হাতে পাবেন। আর যদি ই - টিআইএন না থাকা/ রিটার্ন দাখিল না করিলে আপনার থেকে ১৫ শতাংশ কর কাটার পর উক্ত অংশ হাতে পাবেন। সরকারি বিভিন্ন পেশাজীবী বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রণোদনা দিয়ে থাকেন সরকার যার কোনটা টিআইএন ছাড়া পাওয়া সম্ভব না।