02/06/2025
প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি করহার
#আয়কর
আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও পরামর্শ সেবা
(আয়কর বিষয়ক যেকোন সমস্যা ম্যাসেঞ্জার/ হোয়াটসএপে জানান) #incometax #income_tax #income_tax_bd #tax_BD #incometaxBD
02/06/2025
প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি করহার
#আয়কর
আয়কর রিটার্ন দাখিল না করায় নোটিশ আসলে করণীয় কী?
প্রথম কথা, টিআইএন থাকলেই (আয় না থাকলেও) আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
দ্বিতীয় কথা, আয় থাকলে রিটার্নের সাথে আয়কর দিবেন।
যদি আয় না থাকে, আয়কর দিবেন না, মানে শুন্য আয়কর প্রদর্শন করে রিটার্ন দিবেন। (যেটা শুন্য রিটার্ন বা জিরো রিটার্ন নামে পরিচিত, যদিও আইনে এই নাম নেই)।
টিআইএন থাকা সত্ত্বেও যারা বিভিন্ন কারণে আয়কর রিটার্ন জমা দেন নি, আয়কর অফিস থেকে নোটিশ যাচ্ছে। রিটার্ন দাখিল না করার জন্য আয়কর অফিস থেকে আপনিও যদি নোটিশ পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার করণীয় কী?
নোটিশ পেলে যা করণীয়ঃ
>> নোটিশটি ভালোভাবে পড়ে জেনে নিন অফিস আপনাকে কোন কর বর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন না দেওয়ায় আপনাকে নোটিশ করেছে। ২০২৪-২০২৫ কর বর্ষের হলে জুন/২০২৫ এর মধ্যে জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দিতে পারবেন, যদি আপনি প্রথমবারের মতো রিটার্ন দিয়ে থাকেন।
>> ২০২৪-২৫ এর পূর্বের কর বছরের জন্য নোটিশ দিলে যে বছরের জন্য নোটিশ করা হয়েছে জরিমানা সহ রিটার্ন দেয়ার প্রস্তুতি নিন।
>> নোটিশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে দ্রুত অনলাইন অথবা অফলাইনে (যেকোনো করবর্ষ) উক্ত করবর্ষের আয়কর রিটার্ন ফাইল তৈরি করে দাখিল করুণ। এক্ষেত্রে সময় মতো আয়কর রিটার্ন না দেওয়ায় আপনাকে জরিমানা প্রদান করতে হবে।
>> অবশ্যই নোটিশে উল্লিখিত দিনে নির্ধারিত
সময়ে কর কর্মকর্তার নিকট শুনানিতে অংশ নিবেন, যদি নোটিশে উল্লেখ থাকে। আপনি কেন সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তা লিখিতভাবে আয়কর অফিসে জমা দিবেন।
#অনলাইনে_রিটার্ন_জমা
িটার্ন
#রিটার্ন
#আয়কর
ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে। অর্থাৎ, আগামীতে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতেই হবে!!!
িটার্ন দাখিলের সুবিধাসমূহ:
* আয়কর অফিসে না গিয়ে যেকোনো যায়গা থেকে মোবাইলফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহার করে রিটার্ন দাখিল করা যায়।
* করদাতাকে কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে বা জমা দিতে হবে না। শুধু ওই সব দলিলের তথ্য দিলেই হবে।
* জমাকৃত রিটার্ন ভুল হলে সংশোধিত রিটার্ন এবং সারা বছরই ই-রিটার্ন দেয়া যায়।
* স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটিক আয়করের হিসাব করে দেয় বিধায় আয়কর বিষয়ক হিসাব নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন হয় না।
* আয়করের টাকা পরিশোধের জন্য কোথাও যেতে হবে না। অনলাইন ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমেই টাকা পরিশোধ করা যাবে।
* রিটার্ন দাখিলের পর সাথে সাথেই প্রাপ্তিস্বীকার ও আয়কর সনদও নিতে পারবেন।
* রিটার্ন, প্রাপ্তিস্বীকার ও আয়কর সনদ সিস্টেমে জমা থাকবে, পরবর্তীতে যেকোন সময় প্রয়োজনে ডাউনলোড করা যায়।
#অনলাইনে_রিটার্ন_জমা দেয়ার উপায়:
অনলাইনে রিটার্ন জমার আগে প্রথমে করদাতাকে নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধন নিতে করদাতার নিজের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন ) ও বায়োমেট্রিক করা মোবাইল নম্বর লাগবে। করদাতার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্টার্ড কি না তা যাচাই করতে *16001 # নম্বরে ডায়াল করতে হবে। কর শনাক্তকরণ নম্বর ও বায়োমেট্রিক মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে এই পদ্ধতিতে https://etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ই রিটার্ন জমা দেয়া যাবে।
ই-রিটার্ন বিষয়ক েন্টার
করদাতারা অনলাইনে নিবন্ধন ও রিটার্ন জমা দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে তারা এনবিআরের কল সেন্টারের সহায়তাও নিতে পারবেন। এ জন্য কল সেন্টার চালু রয়েছে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কল সেন্টারের নম্বর ০৯৬৪৩৭১৭১৭১। কল সেন্টারে ফোন করলে একজন কর কর্মকর্তা করদাতাদের এ সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যার সমাধানে সহায়তা দেবেন। এছাড়া www.etaxnbr.gov.bd এর ই-ট্যাক্স সার্ভিস অপশন থেকে করদাতারা ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যে কোন সমস্যা লিখিতভাবে জানাতে পারবেন এবং সমাধান পাবেন।
#ট্যাক্স #আয়কর #রিটার্ন
কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকা সত্ত্বেও যারা আয়কর রিটার্ন দেন না, তাদের নোটিশ দেওয়া শুরু হয়েছে।
যাদের টিআইএন আছে কিন্তু এখনো রিটার্ন দিবেন কিনা ভাবছেন, নোটিশ আসার আগেই রিটার্ন জমা দিয়ে দিন।
অনলাইনে সংশোধিত আয়কর রিটার্ন দাখিল
ই-রিটার্ন ওয়েবসাইটে (https://etaxnbr.gov.bd) প্রবেশ করে সংশোধিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যায়। এজন্য প্রথমে ওয়েবসাইটের বাম পাশে থাকা 'রিভাইসড রিটার্ন 'Revised Return U/S-180(2)' অপশনে ক্লিক করতে হবে।
সতর্কতার সাথে ধাপগুলো অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে রিটার্ন দাখিল করুন।
উল্লেখ্য, আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৮০(১) ধারা অনুযায়ী মূল রিটার্ন দাখিলের ১৮০ দিনের মধ্যে ১৮০(২) ধারায় সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
e-Return e-Return
#দেরিতে_রিটার্ন_দাখিল
যদি কোনো করদাতা ৩০ নভেম্বর বা কর দিবসের পরে রিটার্ন দাখিল করতে না পারেন, তাহলে অন্তত ছয় ধরনের সুবিধা পাবে না, যেমন:
১. কর অব্যাহতির সুবিধা পাবে না, অর্থাৎ যেকোনো ধরনের কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
২. কর মুক্ত আয়ের সুবিধা পাবে না।
৩. হ্রাসকৃত হারে কর প্রদানের সুবিধা পাবে না।
৪. বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা পাবে না।
৫. আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৪ অনুযায়ী অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
৬. আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হারে জরিমানা দিতে হবে।
আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে আরও কিছু সমস্যা হতে পারে:
- নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে পরবর্তীতে ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন না। আয়কর জমা দেওয়ার তথ্য ভিসার জন্য প্রয়োজন হবে।
- সময়মতো রিটার্ন না দিলে এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের ট্যাক্সের ১০% জরিমানা হতে পারে, যেটি বেশি হবে সেটি পেনাল্টি হিসেবে ধরা হবে।
- কয়েক বছর ধরে রিটার্ন দাখিল না করলে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে জরিমানা হতে পারে।
- পুরোনো করদাতাদের ক্ষেত্রে গত বছরের করের ৫০% পর্যন্ত বাড়তি দিতে হতে পারে।
- করযোগ্য হলেও কর না দিলে তিন ধরনের জরিমানা হতে পারে: বকেয়া করের ২৫% বাড়তি জরিমানা, প্রতি মাসে ২% সরল সুদ এবং বকেয়া করের সমপরিমাণ জরিমানা।
14/09/2024
িবস
08/09/2024
অনলাইনে দেয়া যাবে ২০২৪-২০২৫ কর বছরের রিটার্ন
02/07/2024
#করহার_২০২৫
01/01/2024
ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা🥳🥳🥳
বিগত বছরের ভুলত্রুটি উপেক্ষা করে শুদ্ধতার বছর শুরু হউক- সুন্দর কাটুক আপনার প্রতিটি মুহুর্ত।
29/11/2023
রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি
09/11/2023
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিন, জরিমানা এড়িয়ে চলুন।
রিটার্ন পূরণে সহায়তার জন্য ইনবক্স করুন।