27/08/2026
আপনি জানেন কি!!
📢আয়কর নোটিশ না মানলে কী হতে পারে?
🔰মিস্টার আরিফুল হক একজন নিয়মিত করদাতা। একদিন তিনি আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি নোটিশ পেলেন। নোটিশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে।
🔰আরিফুল হক বিষয়টি দেখলেন, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে নোটিশটির কোনো উত্তর দিলেন না। তাঁর ধারণা ছিল, নোটিশের জবাব না দিলেও হয়তো তেমন কোনো সমস্যা হবে না।
🔰কিন্তু এখানেই তিনি ভুল করলেন।আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, কোনো করদাতা যৌক্তিক কারণ ছাড়া আয়কর কর্তৃপক্ষের আইনানুগ নোটিশ অমান্য করলে তার ওপর জরিমানা আরোপ হতে পারে।বিশেষ করে ধারা ১৬৭, ১৬৮, ১৭৯, ১৮১, ১৮৩ অথবা ২১২ অনুযায়ী জারি করা নোটিশ যথাযথভাবে পালন না করলে এই ধরনের জরিমানার বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।যেমন, করদাতাকে যদিঃ
✅পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।
✅হিসাব, ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা অন্যান্য নথিপত্র উপস্থাপন করতে বলা হয়।
✅আয়-ব্যয় বা সম্পদ-দায়ের তথ্য দিতে বলা হয়।
✅নির্দিষ্ট বিষয়ে শুনানি বা উপস্থিতির জন্য ডাকা হয়
এবং তিনি যৌক্তিক কারণ ছাড়া তা পালন না করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী জরিমানার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
🔰ধরা যাক, মিস্টার আরিফুল হককে পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ দেওয়া হলো। তিনি কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই নোটিশটি উপেক্ষা করলেন।তাঁর মোট আয়ের ওপর নির্ধারিত করের পরিমাণ যদি হয় ৩০,০০০ টাকা, তাহলে প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
🔰আবার, ধরা যাক তাঁকে ধারা ১৭৯ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্য উপস্থাপনের জন্য বলা হলো। তিনি কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই তা দাখিল করলেন না।এক্ষেত্রে তাঁর মোট আয়ের ওপর নির্ধারিত কর যদি ৫০,০০০ টাকা হয়, তাহলে জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
🔰আরিফুল হকের উপলব্ধি পরবর্তীতে আরিফুল হক বুঝতে পারলেন, আয়কর বিভাগের নোটিশ মানেই যে সঙ্গে সঙ্গে কর দিতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। অনেক নোটিশের উদ্দেশ্য হলো করদাতার রিটার্ন, হিসাব, আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা।
তাই নোটিশ হাতে পাওয়ার পর সেটি ফেলে না রেখে প্রথমে বুঝতে হবে।
🔰কোন ধারায় নোটিশ দেওয়া হয়েছে, কী তথ্য বা নথি চাওয়া হয়েছে, কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে এবং কোনো যৌক্তিক কারণ থাকলে তা কীভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।করদাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আয়কর কর্তৃপক্ষের নোটিশকে অবহেলা করবেন না।
🔰নোটিশটি সঠিকভাবে পর্যালোচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জবাব ও নথিপত্র দাখিল করুন। কোনো বাস্তব ও যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলে বিষয়টি যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ, একটি নোটিশকে অবহেলা করা কখনো কখনো পরবর্তীতে অপ্রয়োজনীয় জরিমানা ও জটিলতার কারণ হতে পারে। সচেতন করদাতা নোটিশকে ভয় পান না; বরং আইন বুঝে সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেন।
GSP CORPORATE SOLUTION
Md. Ashikul Islam Ashik
Head of Operation & CEO
#আয়করনোটিশ #আয়করআইন২০২৩ #করদাতা #করনোটিশ #নোটিশঅমান্য #করজরিমানা #আয়করজরিমানা #করসচেতনতা
27/08/2026
📢সাবমিটের আগে পুরো রিটার্নটি যাচাই করুন রিটার্নের সব তথ্য পূরণ করার পর সরাসরি Submit না করে প্রথমে Return View থেকে পুরো রিটার্নটি ভালোভাবে পর্যালোচনা করুন।
বিশেষ করে নিচের তথ্যগুলো মিলিয়ে দেখুনঃ
✅করদাতার নাম ও TIN নম্বর সঠিক আছে কি না।
✅আয় ও আয়ের উৎসের তথ্য সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছে কি না।
✅ব্যয় ও জীবনযাপন সংক্রান্ত তথ্য সঠিক আছে কি না।
✅সম্পদ ও দায়ের পরিমাণ যথাযথভাবে দেখানো হয়েছে কি না।
✅বিনিয়োগ, কর রেয়াত ও উৎসে কর্তিত করের তথ্য সঠিক আছে কি না।
✅মোট আয় ও প্রদেয় করের হিসাব ঠিক আছে কি না
কোনো ভুল বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে Submit করার আগেই সংশোধন করুন।
মনে রাখবেন, একবার রিটার্ন সাবমিট করার পর ভুল তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে জটিল হতে পারে। তাই Submit করার আগে পুরো রিটার্ন একবার নয়, প্রয়োজন হলে দুইবার যাচাই করুন।
#করদাতা #আয়কর #ইরিটার্ন #রিটার্নদাখিল #করপরামর্শ #করসচেতনতা
27/08/2026
“বিপাকে এনবিআর! প্রায় সম্পূর্ণ রাজস্ব চলে যাচ্ছে করছাড়ে!”
অর্থাৎ, প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য হলো সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারত, তার একটি বড় অংশ বিভিন্ন করছাড়, অব্যাহতি ও প্রণোদনার কারণে আদায় হচ্ছে না এবং বিষয়টি NBR-এর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
27/08/2026
ব্যবসায়ী করদাতা, কর আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের জন্য আয়কর আইন, ২০২৩-এর **ধারা ৭৩** অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ, এই ধারায় বলা হয়েছে—
✅ কোন কোন প্রতিষ্ঠানকে হিসাব নিরীক্ষা বা Audit করাতে হবে; এবং
✅ কোন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে আয় পরিগণনা বিবরণী জমা দিতে হবে।
ধারা ৭৩-এর গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলো সহজ ভাষায় ও সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
📎 **বিস্তারিত জানতে সংযুক্তিটি দেখুন।**
ধন্যবাদ সবাইকে
**সমীর চন্দ্র সূত্রধর**
Financial Adviser & Trainer (Taxation)
26/08/2026
📢ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জন্য স্বস্তির খবর!!
অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে ব্যবসার টার্নওভার নির্বিশেষে লাভ বা ক্ষতি বিবেচনা না করে ১% টার্নওভার কর আরোপের বিধান করা হয়েছিল। শুরু থেকেই এই বিধান নিয়ে ব্যবসায়ী মহল ও বিশেষ করে আয়কর পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা ছিল।
অবশেষে সেই কাঠামোতে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুযায়ীঃ
✅ বার্ষিক ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার: কোনো ন্যূনতম টার্নওভার কর নেই।
✅ ২ কোটি টাকার বেশি থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত: টার্নওভার কর ০.২৫%
✅ ৩ কোটি টাকার বেশি থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত: টার্নওভার কর ০.৫০%
✅ ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার: টার্নওভার কর ১%
👉 অর্থাৎ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ওপর পূর্বের তুলনায় টার্নওভার করের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
📌 তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: এটি বর্তমানে প্রস্তাবিত কাঠামো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর বিধান গেজেট প্রকাশের পরই নিশ্চিত হবে।
ব্যবসায়ীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি স্বস্তিদায়ক পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
26/08/2026
👉আপনি জানে কি!!
২০২৬–২০২৭ করবর্ষে e-Return-এ আসছে নতুন সুবিধা ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন!!
📢 ২০২৬–২০২৭ করবর্ষে e-Return ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন সুবিধা। করদাতাদের রিটার্ন দাখিল আরও সহজ ও তথ্যনির্ভর করতে সিস্টেমে কিছু তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
⃣ সঞ্চয়পত্রের তথ্য Import করার সুবিধা এবার সঞ্চয়পত্রের আয় সংক্রান্ত তথ্য পূরণের জন্য আলাদাভাবে সঞ্চয়পত্রের সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে না।
সঞ্চয়পত্রের আয়ের অপশনে “Import from NSD” বাটনে ক্লিক করলে NSD থেকে পাওয়া আপডেটেড তথ্য দেখা যাবে এবং তা সরাসরি রিটার্নের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে।
🔹 তবে ১ জুলাই ২০১৯-এর পূর্বে ক্রয় করা সঞ্চয়পত্র থাকলে সংশ্লিষ্ট তথ্য ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হবে।
⃣ কর্তিত/সংগৃহীত কর Claim করার সুবিধা
Import করা তথ্যের ক্ষেত্রে ধারা ১২০ অনুযায়ী কর্তিত বা সংগৃহীত করের তথ্যও “Claim” বাটনে ক্লিক করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নের সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে।
ফলে করদাতার কর সমন্বয়ের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।
⃣ ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের সুযোগ
স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত স্ব-নির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। তবে রিটার্ন দাখিলের সময় অনুযায়ী প্রদেয় করের পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
📌 ১ জুলাই – ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ➡️ নীট প্রদেয় করের ৫% কর প্রণোদনা
➡️ সর্বোচ্চ ৳২৫,০০০ পর্যন্ত।
📌 ১ অক্টোবর – ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ ➡️ কোনো কর প্রণোদনা নেই
➡️ কোনো অতিরিক্ত করও প্রযোজ্য নয়।
📌 ১ জানুয়ারি – ৩১ মার্চ ২০২৭ ➡️ নীট প্রদেয় করের ২% অতিরিক্ত কর
➡️ ন্যূনতম ৳৩,০০০।
📌 ১ এপ্রিল – ৩০ জুন ২০২৭ ➡️ নীট প্রদেয় করের ৫% অতিরিক্ত কর
➡️ ন্যূনতম ৳৫,০০০।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: রিটার্ন দাখিলের আগে e-Return-এ প্রদর্শিত তথ্য, কর কর্তন, অগ্রিম কর এবং অন্যান্য হিসাব অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত।
#সঞ্চয়পত্র #করদাতা #আয়কর #করপ্রণোদনা
26/08/2026
এটি আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৯ অনুযায়ী হিসাব, ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়, সম্পদ-দায় এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিলের নোটিশ। এটি সরাসরি কর দাবি বা চূড়ান্ত কর নির্ধারণের আদেশ নয়; বরং রিটার্নের তথ্য যাচাই ও assessment-এর জন্য নথি চাওয়া হয়েছে। NBR-এর বর্তমান প্রকাশিত আয়কর আইনেও ধারা ১৭৯-এর একই বিধান রয়েছে।
🔰নোটিশে আসলে কী বলা হয়েছে?
নোটিশে করদাতাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে কর অফিসে উপস্থিত হয়ে/প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে।
✅সকল ব্যাংক হিসাবের বিবরণী।
✅রিটার্নে প্রদর্শিত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের সমর্থনে প্রমাণপত্র।
✅আয়কর মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র ও প্রমাণাদি।
✅রিটার্নে যা দেখানো হয়েছে → তার পেছনে বাস্তব প্রমাণ আছে কি না।
🔰ধারা ১৭৯ কী বলে?
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৯(১) অনুযায়ী Deputy Commissioner of Taxes বা উপ কর কমিশনার লিখিত নোটিশ দিয়ে করদাতার কাছ থেকে হিসাব, statement, document, data বা electronic record চাইতে পারেন, যদি সেগুলো audit বা assessment-এর জন্য প্রয়োজনীয় মনে হয়।
🔰এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধারা ১৭৯ অনুযায়ী চাওয়া তথ্য সাধারণভাবে আয়বর্ষের আগের তিন বছরের বেশি পুরোনো নয় এমন তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
ধারা ১৭৯(২) কর কর্মকর্তা প্রয়োজনে কাগজপত্রের পাশাপাশি electronic form বা electronic media-তেও records, books, accounts, statements বা documents চাইতে পারেন।
🔰এই নোটিশ কি Audit Notice?
শুধু এই নোটিশ দেখে এটিকে Section 182-এর Audit Notice বলা ঠিক হবে না।এটি মূলত Section 179-এর production of accounts and documents notice।
তবে এই তথ্য পরবর্তীতে assessment বা audit কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতে পারে। আইনের কাঠামো অনুযায়ী audit হলে কর কর্তৃপক্ষ আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায়, transaction, financial statement এবং অন্যান্য records যাচাই করতে পারে।
🔰করদাতা এখন কী করবেন?
আমার পরামর্শ হলো নোটিশটি উপেক্ষা না করে নির্ধারিত তারিখের আগেই পুরো ফাইল প্রস্তুত করুন।
প্রথম কাজ: রিটার্নটি পুনরায় যাচাই করুন যে করবর্ষের রিটার্ন নিয়ে নোটিশ এসেছে, সেই রিটার্ন বের করে মিলিয়ে দেখুনঃ
✅মোট আয়
✅বেতন/ব্যবসায়িক আয়
✅অন্যান্য আয়
✅ব্যাংক সুদ
✅সঞ্চয়পত্র
✅Dividend
✅Capital gain
✅করমুক্ত আয়
✅উৎসে কর্তিত কর
✅Investment/Rebate
✅পারিবারিক ব্যয়
✅সম্পদ
✅দায়
✅ব্যাংক ব্যালেন্স
✅সবকিছু পুনরায় reconcile করতে হবে।
#ধারা_১৭৯ োটিশ োটিশ #করদাতা #করদাতার_অধিকার #জাতীয়_রাজস্ব_বোর্ড ামর্শ ির্ধারণ
25/08/2026
নোটিশটি দেখে বোঝা যাচ্ছে এটি বকেয়া আয়কর পরিশোধের জন্য কর অফিস থেকে জারি করা একটি Recovery Notice। নোটিশে ২০২৩-২০২৪ করবর্ষের জন্য ৳১৯,৫৫০ টাকা বকেয়া কর দেখানো হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পরিশোধ করে প্রমাণ দাখিল করতে বলা হয়েছে।
নোটিশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি হলো আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২২১। বর্তমান প্রকাশিত আইনের পাঠেও ধারা ২২১-এ বকেয়া কর আদায়ের বিভিন্ন কঠোর পদ্ধতি নির্ধারণ করা আছে।
তাহলে এই করদাতার এখন কী করা উচিত?
এখানে আমি প্রথমে ৳১৯,৫৫০ টাকার দাবিটি যাচাই করার পরামর্শ দেব। যদি বকেয়া সত্য হয় ১৯,৫৫০ টাকা পরিশোধ করুন।
আপিলের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ যদি বকেয়া দাবির মূল ভিত্তি কোনো কর নির্ধারণী আদেশ হয় এবং করদাতা সেই আদেশে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে ধারা ২৮৬ অনুযায়ী আয় নির্ধারণ, পরিশোধযোগ্য করদায়, জরিমানা, সুদ ইত্যাদির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে।
তবে আপিলের ক্ষেত্রে ধারা ২৮৬(৫)-এর payment condition এবং ধারা ২৮৭-এর সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে আপিলের সময়সীমা ৪৫ দিন, যদিও যথেষ্ট কারণ থাকলে বিলম্বিত আপিল গ্রহণের সুযোগ আছে।
A-Challan/Tax payment receipt সংগ্রহ করুন।
সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে payment proof জমা দিন।
লিখিতভাবে বকেয়া নিষ্পত্তির বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
পরবর্তীতে আবার একই বকেয়া দেখাচ্ছে কি না, তা e-Tax/e-Return এবং tax office record থেকে যাচাই করুন।
এই নোটিশে ৳১৯,৫৫০ বকেয়া দেখানো হয়েছে বলেই ধরে নেওয়া যাবে না যে দাবিটি অবশ্যই সঠিক। প্রথমে দেখতে হবে।(কোন করবর্ষ → কোন রিটার্ন/assessment → কত tax liability → কত tax paid → কত balance → কীভাবে ৳১৯,৫৫০ বকেয়া হলো।
এই reconciliation না করে শুধু টাকা পরিশোধ করা ঠিক হবে না।
#আয়কর #আয়করআইন২০২৩ #করনোটিশ #বকেয়াকর #করদাতা #করদাতারঅধিকার #ধারা২২১ #ধারা২৮৬ #ধারা২৮৭ #জাতীয়রাজস্ববোর্ড #বাংলাদেশকর