Tax Consultancy, Service & Solutions

Tax Consultancy,  Service & Solutions

Share

Tax Preparation Service

03/05/2025

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য সুখবর আসতে পারে। আগামী অর্থবছরে বাড়তে পারে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা। বর্তমানে বার্ষিক আয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমা রয়েছে। এই সীমা আরও ২৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
আসন্ন বাজেটে একজন করদাতার বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ করদাতাদের স্বস্তি দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, কর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এমনটা জানা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আগামী ২ জুন আগামী অর্থবছরের বাজেট দেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। এটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বাজেট।

এ ছাড়া করহার পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে বলে জানা গেছে। করমুক্ত আয়সীমার পরের এক লাখ টাকার ওপর বর্তমানে প্রচলিত ৫ শতাংশ কর আরোপ হয়। এ স্তরের পরিধি বাড়ানো হতে পারে। তবে করের হার অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। বর্তমানে করহার হতে পারে ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, এক বছরের বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে নিম্ন আয়ের করদাতারা চাপে আছেন। তাঁদের কিছুটা স্বস্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর আলোচনা চলছে।

গত দুই অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করা হয়। কিন্তু পরের দুই বছরেই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। কিন্তু করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়নি।

এক বছর ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি ছিল। টানা ১০ মাস (২০২৪ সালে মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত) খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের বেশি। গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৪ দশমিক ১০ শতাংশে উঠে, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে এ বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত, অর্থাৎ গত এক বছরে গড় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

09/03/2025

টিআইএন নিলেই রিটার্ন জমা দিন, নইলে নোটিশ

টিআইএন নিলেই রিটার্ন জমা দিন, নইলে নোটিশ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্পষ্ট করেছেন, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেওয়ার পর থেকেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। বুধবার (০৫ মার্চ) ঢাকার আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, বর্তমানে দেশে ১ কোটির বেশি টিআইএনধারী থাকলেও মাত্র ৪০% আয়কর রিটার্ন জমা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, "টিআইএন নেওয়ার পর কেউ আর নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারবেন না। আমাদের কর্মকর্তারা নোটিশ দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে বাধ্য করবেন।" এ প্রসঙ্গে পিএসআর (আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র) ও ই-টিআইএন সংক্রান্ত সংস্কারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "যাদের এখনই রিটার্ন চাই, তাদের পিএসআরে আনছি। বাকিদের জন্য শুধু টিআইএন দেখালেই চলবে।"

কর অব্যাহতি ও হ্রাসকৃত হারের সুবিধা ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আবদুর রহমান। তিনি বলেন, "যারা বছরের পর বছর রিডিউসড রেটে কর দিচ্ছেন, তাদের নিয়মিত হারে ফেরত আনতে হবে। এবারের বাজেটে এর বড় উদাহরণ দেখবেন। বৈষম্য কমানোর অজুহাতে করের হার বাড়ানো হতে পারে।" এনবিআরের লক্ষ্য কর আদায় বাড়ানো উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, "দীর্ঘদিন কর অব্যাহতির সুবিধা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে ভাবতে হবে। এবারের অর্থবিলে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতিফলন থাকলেও রাজস্ব বাড়াতেই হবে।"

বাজেট প্রস্তাবনার অংশ হিসেবে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স রপ্তানিতে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫% এবং ৫ লাখ টাকার নিচে ক্রেডিট কার্ড ইস্যুতে আয়কর রিটার্ন স্লিপ বাধ্যতা বাতিলের প্রস্তাব করে। অন্যদিকে, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ভারত থেকে পণ্য সরাসরি নারায়ণগঞ্জে জাহাজে খালাসের সুযোগ চেয়ে আবেদন জানায়। এছাড়া, পণ্যের মূল্য নির্ধারণে পরিমাণ (১০ টন বনাম ১০০ টন) ও তিন মাসের ঘোষিত মূল্য বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়।

মেটলাইফ, সিটি ব্যাংক, কোকাকোলা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এনবিআরের এ প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেন।

03/06/2023

যেসব সেবা পেতে ন্যূনতম দুই হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আছে এমন করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম না করলেও আয়ের পরিমাণ নির্বিশেষে ন্যূনতম করের পরিমাণ দুই হাজার টাকা হবে।

সে ক্ষেত্রে প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩৮ ধরনের সেবা নিতে হলে করদাতাকে দুই হাজার টাকা ন্যূনতম আয়কর দিয়ে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তাঁর যদি আয়কর দেওয়ার মতো আয় না-ও থাকে, তারপরও তাঁকে দুই হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত নতুন আয়কর আইনে এ ক্ষেত্রে আরও ৬টি সেবা যুক্ত করা হচ্ছে। ফলে আরও ছয় ধরনের সেবা পাওয়ার জন্য দুই হাজার টাকার ন্যূনতম আয়কর রিটার্নের প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে অবশ্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। এখন একজন ব্যক্তির তিন লাখ টাকা আয়ের ওপর তাঁকে কোনো কর দিতে হয় না। আগামী বছরে এটা বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

দেশের প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ আছেন, যাঁদের কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন আছে। নানা কারণে তাঁরা এটি নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৩০ লাখের কিছু বেশি মানুষ তাঁদের রিটার্ন জমা দেন। তাঁদের অনেকেই শূন্য কর দেখিয়ে রিটার্ন জমা দেন, অর্থাৎ আয়কর দেওয়ার মতো আয় তাঁদের নেই।

বর্তমানে যে ৩৮ ধরনের সেবা নেওয়ার জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়, জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী।
১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখ টাকা বা তার বেশি অঙ্কের ঋণের আবেদন করলে;
২. কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তা পরিচালক হলে;
৩. আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র পেতে;
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার অধীনে ট্রেড লাইসেন্স লাভ বা নবায়ন, সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভ;
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভের ক্ষেত্রে;
৬. সাধারণ বিমা কোম্পানির সার্ভেয়ার হিসেবে লাইসেন্স পেতে বা তালিকাভুক্ত হতে;
৭. নিবন্ধন, স্থানান্তর চুক্তি, বায়নানামা, আমমোক্তারনামা, জমি বিক্রয়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা সদরে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ, যেখানে চুক্তিমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি;
৮. ক্রেডিট কার্ড নেওয়া বা ধারাবাহিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে (শিক্ষার্থীদের জন্য দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়);
৯. চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার বা অন্যান্য সমজাতীয় পেশাদারদের পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ বা টিকিয়ে রাখতে;
১০. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইনের অধীনে লাইসেন্স লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;
১১. বাণিজ্য ও পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;
১২. ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স পাওয়া ও টিকিয়ে রাখা, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ক্লিয়ারেন্স পেতে;
১৩. যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্যাসের আবাসিক সংযোগ;
১৪. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, ফিশিং ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্ব বার্জ ইত্যাদিসহ যেকোনো জলযানের জরিপ সার্টিফিকেট লাভ বা তার মেয়াদ অব্যাহত রাখার চালিয়ে যাওয়া;
১৫. জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বা পরিবেশ অধিদপ্তরের দ্বারা ইট তৈরির অনুমতি প্রাপ্তি বা অনুমতি নবায়ন করা, যেখানে যেটা প্রযোজ্য;
১৬. সিটি করপোরেশন, জেলা সদর দপ্তর ও পৌরসভা এলাকায় আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রম বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি সংস্করণের অধীনে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ে সন্তান বা পোষ্যের ভর্তির ক্ষেত্রে;
১৭. সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগ পাওয়া;
১৮. কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ পাওয়া ও অব্যাহত রাখা;
১৯. অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়া বা অব্যাহত রাখা;
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে একটি ঋণপত্র খোলা;
২১. পাঁচ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের পোস্টাল সঞ্চয়ী হিসাব খোলা;
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি ক্রেডিট ব্যালান্সসহ যেকোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব খোলা ও অব্যাহত রাখা;
২৩. পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয়;
২৪. যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা যেমন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ;
২৫. মোটর গাড়ি, স্থান, বাসস্থান বা অন্য কোনো সম্পদ দিয়ে অভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা;
২৬. ব্যবস্থাপক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিযুক্ত বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধায়ক পদে নিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তির ‘বেতন’ হিসেবে অর্থ গ্রহণ;
২৭. বছরের যেকোনো সময় ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল বেতন গ্রহণ করলে, সরকারি বা কর্তৃপক্ষের, করপোরেশনের, আইন দ্বারা সৃষ্ট সরকারি সংস্থার কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য;
২৮. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর বা মোবাইল ফোন অ্যাকাউন্টের রিচার্জের ক্ষেত্রে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনো কমিশন, ফি বা অন্য ন্যূনতম প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;
২৯. কোনো উপদেষ্টা বা পরামর্শ পরিষেবা, ক্যাটারিং পরিষেবা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পরিষেবা, জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা পরিষেবা প্রদানের জন্য কোনো সংস্থার কাছ থেকে কোনো নিবাসীর অর্থ গ্রহণ;
৩০. মাসিক পেমেন্ট অর্ডারের (এমপিও) অধীনে সরকারের কাছ থেকে কোনো পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা, যদি তার পরিমাণ প্রতি মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হয়;
৩১. বিমা কোম্পানির এজেন্সি প্রত্যয়নপত্রের নিবন্ধন বা নবায়ন;
৩২. দুই-তিন চাকার গাড়ি ব্যতীত যেকোনো ধরনের মোটর গাড়ির ফিটনেস নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা নবায়নের ক্ষেত্রে;
৩৩. এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোতে নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থাকে বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির লাইসেন্সধারী ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী সংস্থার বিদেশি অনুদান দেওয়া;
৩৪. বাংলাদেশের ভোক্তাদের কাছে যেকোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রি করা;
৩৫. কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) ও সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ (১৮৬০ সালের আইন নং XXI) এর অধীনে নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে;
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে একজন নির্বাহীর দরপত্র নথি জমা দেওয়া;
৩৭. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া;
৩৮. রাজউক, সিডিএ, কেডিএ, আরডিএ বা সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় যেকোনো ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা জমা দেওয়া।

26/05/2023
Want your business to be the top-listed Accountant in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


House-10, Road-02, Block-E, Section-6, Mirpur
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 23:00