🌿ব্যাংক ও লাইফ ইনস্যুরেন্স এর DPS এর মধ্যে পার্থক্যটা আসুন জেনে নেই ---
=====================================
১। কত বছরের জন্য DPS করবেন ?
ব্যাংকে - ১০ বছর
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে - ১০ বছর
২। কত হাজার টাকা মাসে জমা করবেন ?
ব্যাংকে - ৫০০০ হাজার
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে- ৫০০০ হাজার (সামান্য কিছু
টাকা যোগ করে চিকিৎসা খরচ নেয়া যেতে পারে)
৩। ১০ বছরে কত টাকা জমা দিবেন?
ব্যাংকে - ৬ লাখ টাকা
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে - ৬ লাখ টাকা।
৪। কেন জমা করবেন ?
ব্যাংকে জমানো টাকায়- একটি গাড়ি কিনবেন
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে জমানো টাকায়- একটি গাড়ি
কিনবেন।
৫। মেয়াদ শেষে কত পাবেন ?
ব্যাংকে - ধরে নিলাম ০৯ লাখ হতে পারে
লাইফেও -ধরে নিলাম ০৯ ± লাখ হতে পারে।
৬। কোন কারনে ১ বছর পর জরুরী টাকার দরকার
এখন কি করবেন?
ব্যাংকে - সার্ভিস চার্জ কেটে নিয়ে আপনার
জমা দেয়া টাকা ফেরত দিয়ে দিবে ।
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে - না, আপনি কোন টাকা
ফেরত নিতে পারবেন না ।
৭। আপনার স্বপনের গাড়ি কেনার টাকা ?
ব্যাংক থেকে ফেরত নেয়া টাকা খরচ হয়ে গেল আর
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে - অনিচ্ছা সত্যেও জমা হয়ে থাকল।
৮। কঠিন কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলেন, তখন ?
ব্যাংক- আপনাকে কিছুই দিবে না
লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১.৫ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা ১বার
দিবে চিকিৎসার জন্য। যা আর ফেরত নিবে না।
৯। কঠিন কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে আল্লাহ্ না করুক
আপনি মারা গেলেন তখন ?
ব্যাংক- যত টাকা জমা দিয়েছেন তার ততোদিনের
লাভ থেকে বার্ষিক টেক্স কেটে আপনার নমিনীকে
দেয়া হবে।
লাইফ ইন্স্যুরেন্স -টেক্স কাটা ছাড়াই পুরো ৬ লাখ
টাকা ও জমাকৃত টাকার লাভ সহ আপনার
নমিনীকে দেয়া হবে ৭দিনে।
১০। জরুরী কিছু টাকার দরকার হলে কার কাছে পাবেন ?
ব্যাংক থেকে ইন্টারেস্ট এর বিনিময়ে লোন নিতে পারবেন।
কোন লাইফ ইন্স্যুরেন্সে-পলিসি শুরুর ৩ বছর পর আপনি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাবেন, যা দিয়ে (৪৫ দিনের ইন্টারেস্ট ফ্রী) যেকোন সময় টাকার প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন।
১১। কোন এক্সিডেন্টে আপনি সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে গেলেন, তখন ?
ব্যাংকে- হয় আপনাকে DPS বন্ধ করে দিতে হবে নতুবা টাকা জমা দিয়ে যেতে হবে।
লাইফ ইন্স্যুরেন্সে- আপনাকে আর কোন প্রিমিয়াম বা মাসিক কিস্তি জমা দিতে হবে না, লাইফ ইন্সুঃ কোম্পানী তা প্রদান করে যাবে।
🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁
সোনালি লাইফ ইন্সুইরেন্স
০১৬১৭৭৩৩৩০১
Financial Adviser BD
ট্যাক্স,ভ্যাট,অডিট,ইনভেস্টমেন্ট,লাইসেন্স,ই-টিন সহ কোম্পানি নিবন্ধন জন্য সহযোগীতা করা হয়
18/05/2022
12/05/2022
সোনালি লাইফ ইন্সুইরেন্স থেকে সবাই কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
কি বিমা করবেন, কোথায় করবেন, এটাই তো ভাবছেন? 🤔
আমরা আমন্ত্রন জানাচ্ছি আপনাকে। আসুন আমাদের অফিস দেখুন, ভাবুন সিদ্ধান্ত নিন।
০১৬১৭৭৩৩৩০১
10/05/2022
আসসালামু আলাইকুম। সোনালি লাইফ ইন্সুইরেন্স থেকে সবাই কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
11/04/2022
সরকার বাধ্যতামূলক শিক্ষা বীমা চালু করেছে তাই আমার মা বাবা আমাদের জন্য শিক্ষা বীমা করে দিয়েছে, আপনিও করুন আপনার সন্তানের নিশ্চিত সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। 🤗
29/03/2022
এখন ভ্রমণ হবে খুব সহজ।
সোনালী প্রিভিলেজ কার্ড মানেই বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে নির্দিষ্ট পর্যটন প্রতিষ্ঠানে দারুণ ছাড় উপভোগের সুযোগ।
ভ্রমন পরিকল্পনা করে ফেলুন নিশ্চিন্তে। এই সুযোগ উপভোগ করার জন্য সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিকল্পগুলো থেকে আপনার পছন্দের পরিকল্পটি নিন।
সবসময় সব জায়গায় জীবন হবে সহজ, সোনালীর ছায়ায়।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ
01779822102
04/03/2022
আসসালামু আলাইকুম
26/02/2022
ছাত্র অবস্থায় বীমা এজেন্ট কেন হবেন?
আজকের লিখাটা শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা উচ্চমাধ্যমিক, অনার্স/ডিগ্রির ছাত্র এবং যাদের বয়স ১৮-২৫ বছরের মধ্যে। আজকের আলোচনা ছাত্রাবস্থায় আপনি বীমা এজেন্ট কেন হবেন? ছাত্রাবস্থায় আপনি আপনার পড়ালেখার খরচ যোগাতে ১/২ টি টিউশনি করান বা আপনার হাত খরচের জন্য। আর যারা শহরে থাকেন যারা বাবা-মায়ের উপার্জিত অর্থ দিয়ে পড়ালেখা করছেন, কিন্তু তার পরেও যাদের পারিবারিক অস্বচ্ছলতা থাকার কারনে সেরকম সাহায্য পাচ্ছেন না। আবার অনেকে পড়ালেখার খরচ পাওয়ার পরও সেরকম কোন হাত খরচের টাকা পাচ্ছেন না। প্রয়োজন পূরন করতে গিয়ে অনেকেই টিউশনি করছেন ১,২,৩,৪,৫টি পর্যন্ত টিউশনি করিয়ে থাকেন। টিউশনিতে ব্যস্ত থাকার কারনে নিজের পড়ালেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় কিন্তু আর পাওয়া যায় না।
এতে আপনার রেজাল্ট কিন্তু আশানুরুপ হচ্ছে না। এই সকল শিক্ষার্থী চাইলে বীমার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বীমা এজেন্ট হিসেবে কাজ করলে আপনার পড়ালেখার কোন ক্ষতি হবে না, অনায়াসেই আপনি পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেন। আমি নিজেই এর জলন্ত প্রমাণ, ছাত্রাবস্থাতেই আমি লেখাপড়ারর পাশাপাশি বীমার কাজও করেছি। একজনের মাধ্যমে বীমার প্রস্তাব পাই। তারপর থেকে ১/২ টি টিউশনি কমিয়ে দিয়ে ১/২ ঘন্টা বীমার কাজে সময় দিলাম। এভাবে যখন দেখলাম টিউশনির চাইতে অনেক অল্প সময়ে বীমার আয় অনেক বেশি। তখন আস্তে আস্তে টিউশনি কমিয়ে দিয়ে বীমার প্রতি মন দিলাম এবং সবশেষে টিউশনি পুরোপুরিভাবে ছেরে দিয়ে বীমার কাজে মন দিলাম। কারটি হচ্ছে যে তখন বীমা পেশা থেকে আমি ভাল আয় করতে শুরু করলাম।
তাই আমি আপনাকে বলব আপনি যদি ছাত্রাবস্থা থেকেই বীমা পেশায় নিয়োজিত থাকেন তাহলে আপনার আর কোন চাকরি করতে হবে না। যখন আপনার বন্ধুরা অনার্স,মাস্টার্স শেষ করে চাকরীর জন্য ঘুরবে, চাকরীর প্রতিযোগিতায় নামবে, বিভিন্ন জায়গায় ভাইভা দিবে তখন আপনি শুধুই টাকা গুনবেন। কারন টাকা গোনা ছাড়া আপনার তখন আর কোনই কাজ থাকবে না, আরও অনেককেই চাকরী দেওয়ার মতো সামর্থ হয়ে পরবে, এবং চাকরী দিতে পারবেন। তাহলে দেখুন এটি কত ভালো পেশা, আপনি শুধু নিজেই চাকরী করবেন না আপনার পরিচিত জনদেরও চাকরী দিতে পারবেনে আপনার পড়ালেখা শেষ না হতে হতেই। আপনি যে গতানুগতিক ধারায় পড়ালেখা করছেন, চাকরীর এই বাজারের কি অবস্থা।
একটা কথা প্রচলিত আছে, যার মামা-খালু নেই তার চাকরীও নেই। আপনি যাওবা একটি চাকরী পেলেন দেখলেন যে এই টাকা দিয়ে পিতা-মাতা, ভাই-বোনের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব নয়। পড়ালেখা শেষ করবার পর আপনি যখন বিবাহ করার কথা ভাববেন তখন কিন্তু আর সম্ভব হবে না। আর যদিও বিবাহ করবেন তখন আপনার স্ত্রীর খরচ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খরচ। সন্তান-সন্ততী হওয়ার পরে আপনার খরচ কিন্তু আর আগের মতো নেই। খরচ তার নিজস্ব গতিতে বেড়েই চলছে। বেতন কিন্তু খরচের সাথে সামঞ্জস্যরুপে বাড়ে নাই। তাহলে এই অবস্থায় আপনি কি করবেন? আর যদি একজন বীমা এজেন্ট হন, বীমা পেশা ভাল করে বুঝবেন, ব্যবসাটি যখন ভাল করে শিখে নিবেন তখন অগনিত টাকা আয় করতে পারবেন।
মাসে ২0,000/- (বিশ হাজার) টাকা থেকে শুরু করে ৫0,000/- (পঞ্চাশ হাজার) ১,00,000/-(এক লক্ষ) , ২,00,000/- (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। একথা শুনে হয়তো আপনার আশ্চর্য মনে হতে পারে, ভাবতে পারেন এগুলো আমি কি শুনছি। যা শুনছেন এটাই বাস্তব। আপনি যদি এই পেশা সম্পর্কে ভালভাবে জানেন কোন এজেন্টের সাথে কথা বলেন তাহলে বিষয়টি বুঝতে পারবেন। বীমা পেশায় প্রতিদিন ১-২ ঘন্টা সময় ব্যয় করেই ভাল আয় করা সম্ভব। আপনি হয়তো ভাবছেন বীমা পেশায় কাজ করলে অনেক মানুষের কাছে যেতে হয়, মানুষকে বুঝাতে হয় ইত্যাদি। তাহলে আমি আপনাকে বলব পৃথিবীতে এমন কোন কাজটি রয়েছে যে কাজে মানুষকে Convince করতে হয় না। আমি ধরে নিলাম আপনাকে কাউকে Convince করতে হয় না। কিন্তু আপনার ঘরে আপনরা মা-বাবা রয়েছে ভাই-বোন রয়েছে তাদেরকে আপনাকে Convince হয়।
ঘরে আপনার স্ত্রী, সন্তান রয়েছে তাদেরকে আপনাকে Convince করতে হয়। আপনার বাচ্চা যদি কোন কিছুর জন্য বায়না ধরে যেমন- কোন খেলনা, কোন পোষাক, ভাল রেস্টুরেন্টে খেতে, কোথাও বেড়াতে যাবে বা অন্য কোন জিনিস পেতে তখন কিন্তু আপনাকেও Convince করতে হয়। এরই মধ্যে আপনি কিন্তু Convince করতে শুরু করে দিয়েছেন। এই একই কাজটি আপনি বীমা পেশায় করেন তাহলেই দেখবেন আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। বীমা পেশায় কাজ করতে গেলে আপনাকে কি কি করতে হবে, কোন কোন প্রশিক্ষন গ্রহণ করতে হবে, কোন কোন ধাপ অতিক্রম করতে হবে সে সম্বন্ধে জানতে হবে। এই সমস্ত কিছু আপনি তখন অবগত হবেন যখন আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন বীমা পেশায় কাজ করার।
বীমা এজেন্ট হিসেবে কাজ করার মাধ্যমেই আপনি ছাত্রাবস্থা থেকেই সাফল্যের মুখ দেখতে পাবেন। আপনার পড়ালেখার শেষে কোন চাকরী খুঁজতে হবে না, আর কোন চাকরীতে যেয়েও মন বসাতে পারবেন না। কারন বীমা পেশায় 5 (পাঁচ) বছর কাজ করার পর আর কোন চাকরী আপনার ভাল লাগবে না এটা বলাই যায়। কারন বীমা পেশায় যে টাকা আয় করতে পারতেন সেই পরিমান টাকা আপনাকে কোন কোম্পানীই দিবে না। জীবনযাপনের জন্য টাকার কোন বিকল্প নাই এবং সেই সাথে ব্যক্তি স্বাধীনতারও দরকার আছে। আপনি ব্যক্তি স্বাধীনতার সাথে বীমা পেশায় কাজ করতে পারবেন, সেই সাথে টাকাও আয় করতে পারবেন। আর আপনি যদি চাকরী খুঁজেন চাকরী পাবেন না, চাকরী পেলেও ভাল বেতন পাবেন না।
আর এই অল্প বেতন দিয়ে আপনাকে আইসমাইলবদ্ধ জীবনযাপন করতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে এমন বয়সে আপনি আসবেন যখন চাকরী ছারতেও পারবেন না আবার করতেও পারবেন না। তাই বীমা পেশায় নিযুক্ত হওয়ার জন্য ছাত্রাবস্থাই উপযুক্ত সময়। এই বীমা পেশার মাধ্যমে আপনি ধাপে ধাপে কোম্পানীর মূখ্য নির্বাহী করমোকরতা হতে পারেন। এজন্য আপনার সময়কে কাজে লাগান, সততার সাথে বীমা পেশায় নিজেকে আত্ননিয়োগ করুন। সফলতার স্বাদ আস্বাদন করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Prothikka Bhaban, 70/71, Jonota Housing Society Road # 3, Adabor
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |