05/05/2025
Tariqul Islam
Work is virtue.
05/05/2025
04/05/2025
In my Control:
-My self talk
-My energy
-My words
-Who I follow on social media
-My self care
-My boundaries
-What I consume
-My attitude
-My work on self.
Out of my Control:
-The past
-The futures
-Algorithms
-The media
-Other people's behaviour/beliefs
-Other people’s opinion of me.
05/04/2023
ওষুধ ছাড়া বিষন্নতার বিরুদ্ধে লড়াই করার ৮ টি কার্যকরী উপায়ঃ
১। থেরাপিঃ
নেগেটিভ চিন্তা বিষন্নতার জন্য দায়ী কারনগুলোর মধ্যে অন্যতম। কগনিটিভ বিহেভিয়ারেল থেরাপি'র (CBT) মাধ্যমে নেগেটিভ চিন্তা তথা বিষন্নতার কারনগুলা যথাযথভাবে উদঘাটন এবং তা নিয়ন্ত্রণের দ্বারা মানসিক স্বাস্থ্যের অনেকটাই উন্নতি করা যায়। কোন কোন বিষয়ে চিন্তাভাবনা আমাদের বিষন্ন করে তোলে তা কিন্তু আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই খুজে পাবো।
২। নিয়মিত ব্যায়ামঃ
ব্যায়ামের উপকারিতা নিয়ে নতুন কিছু বলার নাই। তবে সমস্যা হলো আমরা আমাদের অতি প্রিয় আলসেমির কারনে প্রায়শই ব্যায়াম করা হতে নিজেদের নিবৃত রাখি। আমরা এমনও ভাবি, আগে অসুস্থ হই, তারপর যদি ডাক্তার বলেন, তাহলে ব্যায়াম করার কথা ভেবে দেখা যাবে।
নিয়মিত শারিরীক ব্যায়াম আমাদের মস্তিষ্কে এনডরফিন নামক হরমোনের নি:সরণ ঘটায়, যা আমাদের মানসিক অবস্থাকে স্বাস্থ্যকর রাখতে ভূমিকা রাখে।
৩। রাতে পর্যাপ্ত ঘুমঃ
রাতে ৭-৮ ঘন্টা ভাল ঘুম বিষন্নতাকে কাটাতে খুব ভাল ভূমিকা রাখে। প্রত্যেকদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং একই সময়ে ঘুম থেকে জেগে ওঠার অভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমানোর ঘন্টা খানেক আগে থেকে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস থেকে দূরে থাকতে পারলে ভাল ফল পাওয়া যাবে বলে গবেষকরা মনে করেন।
৪। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণঃ
সুষম খাবার নিয়ে সংক্ষেপে কিছু কথা বলা খুব সহজ কোন কর্ম নয়। তবে মোটাদাগে, কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন, প্রচুর শাকসবজি, সতেজ সবুজ ফলমূল গ্রহন এবং প্রক্রিয়াজাত এবং চিনিজাতীয় স্ন্যাক্স পরিহার করতে পারলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দারুন ভূমিকা রাখে।
৫। বন্ধুবান্ধব পরিবেষ্টিত হয়ে থাকাঃ
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যক্তির সাপোর্ট নেটওয়ার্ক দারুন ভূমিকা রাখে। এই সাপোর্ট নেটওয়ার্কে বন্ধু বান্ধব, পরিবারের সদস্যগণ, থেরাপিস্টসহ আরো অনেকেই থাকতে পারেন; যারা বিভিন্ন কঠিন সময়ে আপনার পাশে থেকে আপনার কথা ধৈর্য্য সহকারে শুনবে এবং প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিবেন।
৬। উপভোগ্য কাজে ব্যস্ত থাকাঃ
যে সব কাজ করতে ভাল লাগে, নিয়মিত সে সব কাজ করার মাধ্যমে আমরা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর পজেটিভ ভূমিকা রাখতে পারি।আমাদের সেই সব কাজগুলোকে খুজে বের করতে হবে যা করতে আমরা আনন্দ পাই। সখের কাজের একটা লিস্ট তৈরি করে ফেললে তা দারুন কাজে দিবে।
৭। সন্তুষ্টচিত্তে থাকা, সবকিছুর বিষয়ে সচেতন থাকা, মেডিটেশন করার মাধ্যমেও বিষন্নতাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
৮। নেগেটিভ চিন্তাকে প্রতিরোধ করাঃ
বিষন্নতা প্রায়শই নেগেটিভ চিন্তা এবং আত্মবিধ্বংসী চিন্তার সাথে সম্পর্কযুক্ত, যা আমাদের মধ্যে মারাত্মক দুঃখের ভাব জাগিয়ে তোলে। এ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য থেরাপিস্টের শরনাপন্ন হতে পারলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
...…............
অনুবাদিত।
ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়।
খেলাধুলা নিয়ে করা আমাদের নিষ্পাপ ট্রলগুলো ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে এবং তা সংক্রামক রোগের মতই ছড়াচ্ছে।
আমাদের দেশে যারা ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সাপোর্ট করে, তারা কেউই ঐ দেশ সমূহের বাসিন্দা নয়, তারা আমাদের দেশেরই লোকজন। তারা আমাদের ভাই, বন্ধু, প্রতিবেশি, শুভাকাঙ্ক্ষী।
প্রত্যেকের নিজ নিজ পছন্দের প্রতি একটা ইমোশন গড়ে ওঠে এবং তা সহজাত। আপনি আমি যতই আমাদের নিজেদের পছন্দের প্রতি (সু/কু)যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করি না কেন, তাতে প্রতিপক্ষের কিছুই যায় আসে না। তার পছন্দের অনুকূলেও সে তার মন মতো অবশ্যই যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করে।
ধর্মীয় বিশ্বাস, রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা, কোন দেশের খেলার প্রতি অন্ধ আবেগ; এই সব বিষয়ের সাথে যুক্তির চেয়ে মানুষের ইমোশন বেশি জড়িত। মানুষ এগুলো নিয়ে তর্কে লিপ্ত হয়ে আবেগে খেই হারায়। এই লাগামহীন তর্ক বিতর্ক থেকেই বিভিন্ন জনের অনুভূতিতে বিভিন্নভাবে আঘাত লাগে যা খুবই সেনসিটিভ।
ধারনা করি, প্রিয়দল হেরে যাওয়ার দুঃখে নয়, প্রতিপক্ষের বন্ধুদের খোচার ভয়েই অনেকে হার্টফেল পর্যন্ত করে ফেলতে পারে। এর মানে হলো আমাদের করা নিষ্পাপ ট্রলগুলো কারও কারও মৃত্যুর কারন পর্যন্ত হতে পারে। সাইকোলজি তে বাটারফ্লাই ইফেক্ট নামে একটা থিউরি আছে, যার মাধ্যমে এটা খুব সহজেই অনুমান করা যায় যে, আপনার আমার করা ট্রলগুলো কারো কারো জন্য হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটাতে পারে। কারন জীবনযুদ্ধে অনুকূল অবস্থায় থেকে আমরা জীবনকে যেভাবে দেখি, প্রতিকূল অবস্থায় থাকা আরেকজন হয়ত জীবনকে অন্যভাবে দেখে। জীবনযুদ্ধে বিপন্ন লোকটাও হয়ত তার প্রিয় দলের জয়ে অপার আনন্দ লাভ করে দুঃখ কষ্ট কে কিছুটা সময় ভুলে থাকতে পারে। আমাদের মোটেও উচিত নয় অন্যের ভাল থাকার সামান্যতম উপলক্ষকেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।
শেষ করার আগে কোক স্টুডিও'র একটা জনপ্রিয় গানের কয়েকটা লাইন মনে পড়লো (যদিও অপ্রাসঙ্গিক)-
"রমেশ বলে মন ভেবে
স্বরূপ দেখা পাবো কবে
এইভাবে কি জনম যাবে বলোনা
নূরের পুতুলা বাবা মাওলানা"।
রিয়ালাইজেশন
বাদল সৈয়দ
খুব উচ্চ পদস্থ একজন কর্মকর্তা। তার অতি সাধারণ জীবন যাপন আমাকে বিস্মিত করতো। একদিন জিজ্ঞেস করলাম, স্যার, আপনি এতো সাধারণ জীবন বেছে নিলেন কেন? আপনার তো অনেক ক্ষমতা।
তিনি হাসলেন, তারপর কয়েকটি কথা বললেন-
১. চাকুরির শুরুতে বেশ কয়েক বছর ক্ষমতার উত্তাপ বেশ উপভোগ করতাম। বাড়তি খাতির বেশ আনন্দ দিতো- পরিবার আত্মীয়স্বজনদের সামনে ভাব নিতে সুবিধা হতো।
২. কয়েকটি অভিজাত ক্লাবের সদস্য ছিলাম। তাও চাকুরির কারণে- নরমালি এসব ক্লাবের সদস্য হতে হলে ত্রিশ/চল্লিশ লাখ টাকা লাগে।
৩. বিমানবন্দরে ভিআইপি সুযোগ নিতাম-গর্বে মাথা উঁচু করে গটগট করে র্যাম্প কারে প্লেনের গোড়ায় নামতাম। প্লেনে ভিআইপি সিটে বসতাম।
৪. ডাক্তারের কাছে গেলে সিরিয়াল ভেঙ্গে চেম্বারে ঢুকে যেতাম। আগেই খবর দেওয়া থাকতো- সবাই অপেক্ষা করতো কখন আমি পৌঁছাব?
৫. বিশাল গাড়ির ঠান্ডা হাওয়ায় বসে ভাবতাম, এই না হলে চাকুরি!
তারপর একদিন অফিস শেষে বাড়ি ফেরার সময় দেখলাম আমার এক অতি ক্ষমতাবান রিটায়ার্ড বস হোটেল শেরাটনের সামনে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। হাতে আধময়লা একটি ফাইল। কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না।
দুম করে মাথায় কয়েকটি প্রশ্ন এলো-
১. চাকুরির বাড়তি খাতির কদিনের জন্য?
২. অভিজাত ক্লাবের মেম্বারশিপ কদিনের জন্য?
৩. ভিআইপি সুবিধা কদিনের জন্য?
৪. ডাক্তার কতদিন সিরিয়াল ভেঙ্গে আমাকে দেখবেন?
৫. বিশাল গাড়ির ঠান্ডা বাতাস কদিনের জন্য?
উত্তর একটাই- যতদিন চাকুরি আছে ততদিন। তারপর আমি নো বডি। তাহলে এই যে এত আরামে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি- রিটায়ার করার পর তো এসব হারানোর কারণেই হার্ট অ্যাটাক করবে। পরদিন থেকে বাড়তি খাতির নেওয়া বাদ দিলাম। সব ক্লাবের মেম্বারশিপ বাদ দিলাম। ভিআইপি সুবিধা বাদ দিলাম। সিরিয়াল ভেঙ্গে ডাক্তার দেখানো বাদ দিলাম। অফিসে আসাযাওয়া ছাড়া সরকারি গাড়ি ব্যবহার বাদ দিলাম।
না- আমি কোনো মহামানবের কাজ করিনি। নিজের ভুল বুঝে অস্বাভাবিক আচরণ থেকে স্বাভাবিক আচরণে ফিরে আসলাম মাত্র।
ফলাফল?
আগে রিটায়ারমেন্টকে ভয় পেতাম- এখন মনে হয় সময়ের কিছু আগে অবসর নিয়ে নিলে খারাপ হয় না। কেমন যেন নিজেকে মুক্ত মুক্ত মনে হয়।
তার কথাগুলো আমার মগজে ছোটোখাটো একটি বিস্ফোরণ ঘটালো। পরিবর্তনের বিস্ফোরণ।
#আসুনমায়াছড়াই
Syed Mohammad Abu Daud
Click here to claim your Sponsored Listing.