27/04/2021
বলা হয় যে সংকট আর সমাধান পাশাপাশি থাকে।
কে কতটা উন্মুক্ত মন নিয়ে একটা ব্যাপারকে দেখছে সেটার উপর নির্ভর করে তার ভবিষ্যত!!
বিজনেসের ক্ষেত্রে প্রোপার ডকুমেন্টেশন থাকলে এরকম সুযোগ আপনিও পাবেন!! 😳🤔👇👇
করোনার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকার ঘোষিত প্রনোদনা প্যাকেজের আওতায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এবার ৪% ইন্টারেস্টে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা পাবে।
উদ্যোক্তারা ১ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।
ঋণের পরিমানটা অর্থাৎ কে কত পাবে সেটা নির্ভর করবে তার প্রিভিয়াস বিজনেস ট্রান্সকেশন ভলিউমের উপর।
এই ঋণ পেতে আপনার যে যোগ্যতাগুলো থাকা লাগবেঃ
👉আপডেটেড বিজনেস ডকুমেন্টস
👉বিজনেস একাউন্টে লেনদেন
👉এসএমই ফাউন্ডেশন থেকে ট্রেনিং/কানেক্টিভিটি
এসএমই ফাউন্ডেশনের রেকমেন্ডেশনে এই ঋণ বিতরণ হবে।
১১ টি ব্যাংক এই বিতরণের কাজটি করবেন।
চলতি অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের বাধ্যবাধকতা আছে আর আগামী অর্থবছরে আরো ২০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।
https://www.prothomalo.com/business/economics/%E0%A7%AD%E0%A7%AB-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%8B%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE?fbclid=IwAR0MuaLd5_uGUhMLABeRhgkAk9oJssEnV77s-Wuu1fm31yx6qAJKjUgQXFw
13/04/2021
বাংলাদেশে আইনসিদ্ধভাবে ব্যবসা করার প্রথম এবং অন্যতম প্রধান ডকুমেন্ট বা দলিল হলো ট্রেড লাইসেন্স।
এই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আমাদেরকে প্রতিদিন অনেক রকমের প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় যারা ব্যবসা শুরু করতে চান বা ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন অনলাইন কিংবা অফলাইনে তাদেরকে!!
অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যম (বিশেষ করে ফেসবুক) ব্যবহার করে যারা তাদের পন্য অথবা সেবার প্রচার করতে চান, তাদের জন্যও ট্রেড লাইসেন্স করা সময়ের দাবি হয়ে উঠছে। কারন ফেসবুকে এড চালানোর জন্য যে বিজনেস ম্যানেজার ব্যবহার করা হয়, সেখানেও কোন কারনে এড একাউন্ট বা বিজনেস ম্যানেজার রেস্টিক্টেড হয়ে গেলে ট্রেড লাইসেন্স নাম্বার দিয়ে ব্যবসা যে লিগ্যাল তা ভেরিফাই করে নিতে হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সচরাচর যেসব প্রশ্ন আমরা পাই সেগুলো এরকমঃ
১। ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন?
২। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি ব্যবসা করা যায়?
৩। কোন কোন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়?
৪। ট্রেড লাইসেন্স আর কি কি কাজে লাগে ?
৫। ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ?
৬। ট্রেড লাইসেন্স করতে খরচ কেমন ?
৭। ই- কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ কেমন ?
৮। কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবো?
৯। সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স এর সাথে আর কি কি প্রয়োজন?
১০। ট্রেড লাইসেন্স ও কোম্পানী রেজিস্ট্রেশন এর মধ্যে পার্থক্য কি?
১১। ব্যবসা শুরু ৩/৬ মাস পর ট্রেড লাইসেন্স করলে চলবে কি?
১২। আমি ব্যবসা করি রংপুরে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। রংপুর থেকে ঢাকায় মাল পাঠতে হবে? আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।
১৩। ট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি?
১৪। একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পন্য বা ব্যবসা করা যায়?
১৫। একই নামে কি একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে?
১৬। ট্রেড লাইসেন্স কি দ্বৈত হতে পারে?
১৭। একজন ব্যক্তির কি একাধিক ট্রেড লাইসেন্স থাকতে পারে?
১৮। গ্রাম থেকে ই কমার্স চালালেও কি ট্রেড লাইসেন্স লাগবে?
১৯। একটি ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন? মেয়াদ পূর্ণ হলে কি করতে হবে?
২০। পুরনো ট্রেড লাইসেন্স থাকার সুবিধা কি?
২১। এক এলাকার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি অন্য এলাকায় ব্যবসা করা যায়?
২২। বাসার ঠিকানা কি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি কি কোন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন?
ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনার জিজ্ঞাসার কথা আমাদেরকে জানাতে পারেন কমেন্টে বা ইনবক্সে।
09/04/2021
👉👉আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে যে ধরনের বিপদে পড়তে পারেন!! এর সমাধান কী?😎👇👇
শেষ পর্ব
🤔 সমাধান কি?😎
আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে যদি জরিমানা এবং অন্যান্য ঝামেলায় পড়তে হয়, তা থেকে মুক্তির অবশ্যই সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে প্রতি বছর সময় মতো রিটার্ন জমা দেয়া।
কিন্তু কোন কারণে যদি তা না দিতে পারেন তাহলে রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য দুই মাস পর্যন্ত বাড়তি সময়ের আবেদন করতে পারেন।
এই আবেদন করতে হবে উপ-কমিশনার বরাবর। যদি বাড়তি সময় দেয়া হয় তাহলে রিটার্ন জমা দেবার সময় জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।
যদি কেউ বাড়তি সময় না নেয় তাহলে তাকে পেনাল্টি দেবার আগে, কী কারণে রিটার্ন দেননি বা দিতে পারেননি সেটা ব্যাখ্যা করার জন্য অবশ্যই শুনানির সুযোগ দিতে হবে।
শুনানির জন্য করদাতাকে নোটিশ পাঠানো হয়। অনেক ক্ষেত্রেই একের অধিক শুনানির দরকার হতে পারে।
যদি করদাতা কোন গ্রহণযোগ্য কারণ, কাগজপত্র দেখাতে পারেন তাহলে খুব একটা ঝামেলায় তাকে পড়তে হয় না। কর্তৃপক্ষ কারণ শুনে সন্তুষ্ট হলে জরিমানা নাও করতে পারেন।
শুনানিতে করদাতা নিজে অংশ নিতে পারেন অথবা সনদপ্রাপ্ত আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ দিতে পারেন। সেজন্য অবশ্য আরও বাড়তি অর্থ খরচ হবে।
জরিমানা হলে তার বিপক্ষে করদাতার আপিলের সুযোগ রয়েছে। কর কমিশনার ও ট্রাইব্যুনালে আপিল করার পরও যদি করদাতা হেরে যান তাহলে হাইকোর্টেও আপিল করতে পারেন।
জরিমানার অর্থ জমা দেয়ার জন্য কর অফিসের একটি নির্ধারিত ফর্ম রয়েছে। সেটি পূরণ করে সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকে ক্যাশ, অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক, পে অর্ডার করে এই অর্থ জমা দিতে হবে।
অথবা উপ-কমিশনারের কাছে সরাসরি অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক কিংবা পে অর্ডার দিতে পারেন।
08/04/2021
👉👉আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে যে ধরনের বিপদে পড়তে পারেন!! এর সমাধান কী?😎👇👇
👉ঘটনা-১
মিঃ সামাদ। ঢাকার এই চাকুরিজীবী নিয়মিত কর দিতেন এবং সময়মত রিটার্নও জমা দিতেন। এক পর্যায়ে বেশ কিছুদিন তার চাকরি ছিল না। বেশ কিছুদিন পর তিনি খুব অল্প বেতনে নতুন যে চাকরি পেলেন তখন আর তিনি করযোগ্য ছিলেন না। প্রথমত আয় নেই, তারপর আর করযোগ্য নন চিন্তা করে পরপর তিন বছর রিটার্ন জমা দেননি তিনি। কিন্তু সমস্যা শুরু হল যখন তিনি একটা ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করাতে গেলেন।
টিন (টিআইএন) নম্বর যেহেতু ছিল, তাই সেটা হালনাগাদ হতে হবে। তা না হলে লাইসেন্স পাওয়া যাবে না। কিন্তু ব্যবসা চালু করতে অনেক সমস্যা দেখে সিদ্ধান্ত বদল করে বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা করলেন। সেখানে আরেক ঝামেলা। ভিসার জন্য সর্বশেষ তিন বছরের ট্যাক্স ফাইল চাওয়া হল। তখন আয়কর বিষয়ক প্রফেশনাল কারো কাছে না গিয়ে তার উপায় ছিল না।
একজন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে, শুনানি করে, একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা দিয়ে তবেই তিনি রিটার্ন জমা দেয়ার ঝামেলা মেটাতে পেরেছিলেন।
কিন্তু ঝামেলা এখানেই শেষ হয়নি। আয়কর সনদ নিতে গিয়ে তাকে রাজস্ব বোর্ডের আয়কর অফিসে যেতে হয়েছে কয়েক দফায়।
👉ঘটনা-২
মিঃ খায়ের যিনি নির্ধারিত সময়ের মাস চারেক পর রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে জানলেন কেন তিনি সময়মত কাজটি করেননি তার জবাব দিতে শুনানি হবে।
শুনানির নোটিশ পেয়েছেন। কিন্তু এরপর আট মাস পার হয়ে নতুন বছরের রিটার্ন জমা দেয়ার সময় চলে এসেছে তবুও তিনি নোটিশেরই জবাব দেননি।
এভাবে কিন্তু রিটার্ন জমা না দিয়ে বা সমস্যা সমাধান না করে তিনি নিজের জন্য বড় ধরনের ঝামেলার পথ তৈরি করছেন।
👉ঝামেলার কোন শেষ নাই - হতে পারে আর্থিক দন্ডঃ😳😳
যদি কোন ব্যক্তি সময়মত আয়কর রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হন, এক্ষেত্রে অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের ট্যাক্সের দশ শতাংশ জরিমানা করা যাবে। এ দুটির ভেতরে যেটি পরিমাণে বেশি সেই অংকটি পেনাল্টি হতে পারে!!
কয়েক বছর ধরে যদি কেউ রিটার্ন দাখিল না করেন তাহলে ওই জরিমানা ছাড়াও যতদিন ধরে তিনি রিটার্ন দেননি ওই পুরো সময়ের দিনপ্রতি ৫০ টাকা করে জরিমানা হতে পারে।
তবে তা যতদিনই হোক না কেন নতুন করদাতা হলে সবমিলিয়ে জরিমানার পরিমাণ পাঁচ হাজার টাকার উপরে নেয়া হবে না।
আর পুরনো করদাতা হলে আগের বছর যে পরিমাণ অর্থ আয়কর হয়েছে সেটিসহ ওই অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি দিতে হতে পারে।
👉যারা একদমই কর দেন না তাদের বিপদ ক্যামন!!🤔🤔
যারা করযোগ্য হওয়ার পরও একেবারেই কর দেন না, তাদের ক্ষেত্রে, তিন ধরনের জরিমানা করা যায়।
১) যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে সেটি ছাড়াও আরও ২৫ শতাংশ বাড়তি জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
২) যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে তার উপর ২ শতাংশ হারে মাসিক সরল সুদ।
৩) যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে তার সমপরিমাণ জরিমানা।
তবে জরিমানার বিষয়টি নির্ভর করে কার অপরাধ কতটুকু তার উপর। এমনকি জেল জরিমানার বিধানও রয়েছে।
ব্যক্তির ক্ষেত্রে যদিও সম্পদ জব্দ করার সুযোগ রয়েছে, তবে তার খুব একটা বাস্তবায়ন হতে দেখা যায় না।
যদি কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ী কর জমা না দেয় তাহলে অনেক সময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সম্পদ জব্দ করার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ রয়েছে।
দ্বিতীয় এবং শেষ পর্বঃ সমাধান কি?
05/04/2021
বাংলাদেশে আয়কর সম্পর্কে যেসব তথ্য আপনাকে জানতেই হবে!! 😎😱😳
শেষ পর্বঃ
👉👉 আয়কর রিটার্ন কি
প্রতি অর্থ বছরে ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে একটি ফর্মে আপনার আয়, সম্পত্তি, আয়কর ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য হালনাগাদ করতে হয় যা আয়কর রিটার্ন নামে পরিচিত।
যেহেতু আপনার আয় ও সম্পদ সম্পর্কিত তথ্য প্রতি বছর বদলে যেতে পারে, তাই একবার টিন নম্বর নিয়ে নিলে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে আপনার বর্তমান অবস্থান।
ট্যাক্স রিটার্ন না দিলে শাস্তির ব্যবস্থাও আছে।
👉👉 করে ছাড়ের সুবিধা পাবেন কোন ক্ষেত্রে
কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি কিছু ছাড় পাবেন। আপনার যদি
ক) বিভিন্ন মেয়াদে সরকারি সঞ্চয়পত্র কেনা থাকে,
খ) শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা থাকে,
গ) জীবন বীমা করা থাকে
সঞ্চয়পত্রকে সবচাইতে ঝুঁকিমুক্ত মনে করা হয়। সরকারি সঞ্চয়পত্র কিনে রাখাই সবচেয়ে ভালো। সঞ্চয় ব্যুরো, পোষ্ট অফিস অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে আপনি এটি কিনতে পারবেন।
👉👉 অভিযোগ থাকলে করনীয়
আপনি যদি মনে করেন কর দেয়ার ক্ষেত্রে আপনার সাথে কোন অন্যায় হয়েছে সেক্ষেত্রে আপনার কি করনীয় আছে কোন?
আপনার প্রথম করনীয় হচ্ছে কমিশনার অফ ট্যাক্সেজ আর কাছে আপিল করা। আপনার অভিযোগের ভিত্তিগুলো বিস্তারিত জানিয়ে লিখিতভাবে আপিল করতে হবে।
তিনি শুনানির জন্য সময় দেবেন। তাকে যদি সেখানে যুক্তিতর্ক দিয়ে বোঝাতে সক্ষম হন তাহলে সেখানেই আপনার সমস্যার সমাধান হতে পারে।
তিনি যদি আপনার বিপক্ষে রায় দেন সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় আপিল করা যায়। ট্রাইব্যুনালে গিয়েও যদি আপনি হেরে যান তাহলে হাইকোর্টে গিয়েও আপনি সর্বশেষ আরেকবার আপিল করতে পারবেন।
নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশে সরকারের যেসব সুবিধা আমরা পাচ্ছি তার কিছুই বিনে পয়সায় নয়। আমার, আপনার দেয়া করের অর্থেই আসলে সেবাগুলো পাওয়া যায়।
তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে আসুন আমরা নিয়মিত কর দেই।
04/04/2021
যে ২টি কারণে বৈধ হয়েছে প্রচুর পরিমাণ কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয়😎🤔🤓
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে ১০ হাজার ২২০ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় প্রায় সাড়ে নয়শ কোটি টাকা কর দিয়ে বৈধ করেছেন সাত হাজার ৪৪৫ জন করদাতা।
আর এই ব্যাপারটি বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
কেন?
অপ্রদর্শিত আয় সম্পর্কিত আইনে পরিবর্তন এসেছে চলতি বছরের বাজেটে, যা করদাতাদের অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে উৎসাহিত করছে।
১। আস্থা তৈরি
আগে ভয় কাজ করতো যে এনবিআরকে অপ্রদর্শিত আয়ের তথ্য দিলে দুদক বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন করবে। কিন্তু এবারে পূর্ণ অ্যামনেস্টি দেয়া হয়েছে যে কোনো অথরিটি কোনো প্রশ্ন করতে পারবেনা। এটাই আস্থা তৈরি করেছে অনেকের ক্ষেত্রে ।
২। কর হারে বিশাল ছাড়
আগে নিয়ম ছিলো যে অপ্রদর্শিত আয় থাকলে সেটার নিয়মিত কর এবং সাথে অতিরিক্ত দশ শতাংশ কর দিতে হবে। আর এবার সব মিলিয়ে মোট দশ শতাংশ করের বিধান করা হয়েছে।
04/04/2021
বাংলাদেশে আয়কর সম্পর্কে যেসব তথ্য আপনাকে জানতেই হবে!! 😎😱😳
পর্বঃ ১
বাংলাদেশে অনেকেই আছেন যারা বেশ দক্ষতার সাথে প্রতি অর্থ বছর শেষে আয়কর দেবার ব্যাপারটি সামাল দেন।
কিন্তু বহু মানুষ আছেন যারা রীতিমতো হিমসিম খান। তথ্যের অভাবে ভুল করে থাকেন। কিংবা নানা ঝামেলায় পরেন।
যারা নতুন আয়কর দিচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রেই এটি বেশি হয়ে থাকে।
তাই চলুন দেখে নিই আয়কর সম্পর্কিত নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।👇👇
👉👉 আয়করের আওতায় কে পরেন🧐🤓
আয়কর সম্পর্কে প্রথম যেটি জানতে হবে সেটি হল একজন ব্যক্তির আয় কত। আর সেটি আয়করের আওতায় পরে কিনা।
ইনকাম ট্যাক্স আইন অনুযায়ী সাত ধরনের আয় করের আওতায় পরে।
ক) চাকরী থেকে পাওয়া বেতন,
খ) ব্যবসা থেকে আয়,
গ) বাড়িভাড়া থেকে পাওয়া অর্থ,
ঘ) কোন সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তর ফলে প্রাপ্ত অর্থ,
ঙ) জামানতের সুদ (সঞ্চয়পত্র, বন্ড, ব্যাংকের সুদ ইত্যাদি),
চ) কৃষি হতে আয়; এবং
ছ) অন্যান্যঃ এর মধ্যে পরতে পারে অনেক কিছু।
👉👉 কত আয়ে কত আয়কর🤔🤔
👨💼🧑 পুরুষঃ
আপনার কোন আয়কর নেই যদি বাৎসরিক আয়
31/03/2021
Income Tax বা আয়কর এবং VAT বা মূল্য সংযোজন কর (মূসক) সম্পর্কে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।
সাধারন যেসব প্রশ্ন আমাদের উদ্যোগতাদের মনে উকিঝুকি দেয় সেগুলোর উত্তর জানতে https://nbr.gov.bd/ এর নিচের লিংকে ভিজিট করুনঃ
https://nbr.gov.bd/faq/income-tax-faq/eng
https://nbr.gov.bd/faq/vat-faq/ban
বিস্তারিত জানতে বা কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে আমাদেরকে কমেন্টে জানান।
By the Way, আপনি একজন উদীয়মান কিংবা প্রতিষ্ঠিত উদ্যোগতা যাই হোন না কেন, ট্যাক্স এবং ভ্যাট এর সাধারন কিছু জ্ঞান কিন্তু আপনাকে রাখতেই হবে!!
আপনাকে সাহায্যের জন্য আমরা SK Das & Associates টিম সদা প্রস্তুত!!
nbr.gov.bd
28/03/2021
অনলাইনে ব্যবসায় প্রতারণা বন্ধ ও ক্রেতাদের আস্থা তৈরি জন্য “ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১” শীর্ষক একটি খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী, ফেসবুকে ব্যবসা করতে গেলেও ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। একই সঙ্গে রয়েছে পণ্যের অর্ডার থেকে শুরু করে গ্রাহকের হাত অবধি পৌঁছাতে বিভিন্ন নিয়মকানুন যা ভোক্তার স্বার্থকে সংরক্ষণ করে।
বর্তমানে ই-ক্যাবের ১৩০০ সদস্য ছাড়াও আরও ৫ লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র ই-কমার্স ব্যবসায়ী রয়েছেন, যারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ব্যবসা করছেন। এসব ব্যবসায়ীদের প্রত্যেক্যের তথ্যপ্রাপ্তি, ভ্যাট নিবন্ধন, কর আদায়ের পাশাপাশি ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসায়েও লাগবে ট্রেড লাইসেন্স
ট্রেড লাইসেন্স ফি দিতে হবে ১১০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এর বাইরে ভ্যাট, সাইনবোর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্সসহ প্র.....
06/01/2021
How to Start Business within a Legal Framework as Bangladesh Citizen?🤓😎🤓
It is really very appreciable that our young generation is now more inclined to start their own ventures rather than doing petty jobs for others. Young people prefer greater independence which is the main motivator for their lifestyle!!
COVID-19 pandemic has created a different dimension in thinking to the mindset of people who are already doing jobs. These people are either forced or influenced by some sort of inner self-calling for trying to make a second income source. They do it to support their already shrinking income and to minimize the unprecedented threats of losing the job.
Some are already trying quite seriously to focus on their new start-ups so that they can quit the boring, monotonous jobs as soon as possible.
👉👉Start of Business:🔥
For the prevalent uses of the internet and mobile devices around the Globe including off-course Bangladesh, Digital Marketing has gained its momentum. In our country, Facebook marketing is the most commonly used medium for digital marketing. There are hardly any smartphone users who don’t have a Facebook account.
Our younger generation is grabbing this opportunity to reach people with their products or services through marketing on the digital platform of Facebook. However, many of the already established corporate businesses or groups of companies are also focusing on this new dimension of marketing.
So, we see that F-Commerce (commerce on Facebook) is a great way of starting a venture!! The most interesting part of the F-Commerce business is that it doesn’t require any legal permission to start!!
However, when the business on F-Commerce becomes larger, the issue of framing the structure within a legal framework starts to emerge!!
To understand the legal structure of doing business, one must have a clear sense of the various types of business entities in Bangladesh and the differences among them. Each of these is subject to different regulatory and tax regimes reflecting their organization and ownership.
👉👉Sole Proprietorship🔥
A sole proprietorship is the simplest type of business form in Bangladesh. From a legal perspective, a sole proprietorship is not a separately incorporated entity and therefore the owner and the business are one and the same.
The owner personally owns all assets and liabilities of the business. There is no protection of personal assets from business risks and liabilities.
As the sole proprietor of a business, the owner has unlimited liability, meaning that if the business can’t pay all its liabilities, the creditors to whom his/her business owes money can come after his personal assets.
Many entrepreneurs are usually unaware of this enormous financial risk. If the business is sued or can’t pay its bills, the owner is personally responsible for the business’s liabilities.
👉👉Partnership🔥
Under Bangladeshi law, a partnership must consist of a minimum of two and a maximum of 20 partners. An agreement for the partnership is required for obtaining a trade license and opening a bank account.
The agreement is not required to be registered with the Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC). The liability of a partnership is borne by the partners.
The concept of Limited Partnership or Limited Liability Partnership does not exist in Bangladesh.
👉👉Company🔥
In Bangladesh companies are either – i) limited by shares; or ii) limited guarantee. Though it is technically possible to register an unlimited company, those companies are rare.
A limited liability company is a company limited by shares i.e. its liabilities are limited to the amount of share capital.
A limited liability company is a business entity registered under the Bangladeshi laws and a separate legal entity from its members.
In a limited liability company, the liabilities of the owners are limited to the assets in the company and their personal assets are protected from business liabilities.
A Bangladeshi Limited Liability Company can be – i) a private limited company, or ii) a public limited company.
🍁🍁Private Limited Company
A private limited company is a limited liability company in which the shares are held by less than 50 persons and are not available to the general public.
Most privately incorporated businesses in Bangladesh are registered as private limited companies.
The shareholders of a private limited company can either be individuals or corporate entities or both.
A private limited company is the most advanced, flexible, and scalable type of business incorporation in Bangladesh.
It’s also the most preferred type of Bangladesh business entity for serious entrepreneurs (as opposed to a sole proprietorship or limited liability partnership).
🍁🍁Public Limited Company
A public limited company is a limited liability company that may offer its shares to the general public.
A public limited company must have at least 7 shareholders and is subject to significantly more stringent rules and regulations since they have the power to raise funds from the public. Usually, a public limited company is listed on a stock exchange.
🍁🍁OPC (One Partner Company) - Company
From Fy 2020 one company shareholder pattern limited company formation is possible.
04/01/2021
ট্রেড লাইসেন্সঃ ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য লিগ্যাল ডকুমেন্ট😎😱💥
পৃথিবীতে যেকোন স্বীকৃত কাজ করতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হয়!! ব্যবসায়ের কাজ আইনসম্মত ভাবে করার জন্য রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয় যেটাকে ট্রেড লাইসেন্স বা ব্যবসায়ের অনুমতিপত্র বলা হয়!!
সাধারণত উদ্যোগতাদের আবেদনের ভিত্তিতেই এই লাইসেন্স দেওয়া হয়। City Corporation Taxation Rules, 1983 অধীনে বাংলাদেশ সরকার ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে থাকে।
অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। এটা কিন্তু সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধী!!
ট্রেড লাইসেন্স করার সঠিক নিয়মাবলী অনুসরণ না করার জন্য অনেককে বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়!!
🔥 ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানঃ
সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের যেকোন এক জায়গা থেকেই এই ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
🔥 কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করবো?
ট্রেড লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফর্মে আবেদন করতে হবে। ব্যবসার ধরনের উপর নির্ভর করে উদ্যোগতাকে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
🔥 প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকাঃ
সাধারন ব্যবসার (General Business) ক্ষেত্রেঃ
১। পূরনকৃত নির্দিষ্ট আবেদন ফর্ম।
২। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থান ব্যাক্তিগত হলে সিটি করপোরেশনের হাল নাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ। নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিলের কপি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়ায় হলে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
৩। আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪। ব্যবসা যৌথভাবে পরিচালিত হলে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী।
🔥 ট্রেড লাইসেন্স ফিঃ
ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করার ফি নির্ভর করে ব্যবসার ধরনের উপর। এই ফি নির্ধারণ করা হয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-১ শাখা থেকে জারি করা বিশেষ প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে। এ বিষয়ক তথ্য স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যাবে।
🔥 কারা করতে পারবেন ট্রেড লাইসেন্স?
১৮ বছর এবং এর বেশি বয়সী বাংলাদেশে বসবাসকারী যে কোন নাগরিক যিনি কোন না কোন ব্যবসার সাথে যুক্ত, তিনি ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন করার জন্য যোগ্য।
🔥 ট্রেড লাইসেন্সের ব্যাবহারঃ
যে ব্যবসায়ের জন্য ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে সেই ব্যবসা ছাড়া অন্য কোন ব্যবসা পরিচালনার জন্য এটি ব্যাবহার করা যাবে না। নতুন ব্যবসার জন্য নতুন ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।
ট্রেড লাইসেন্স হস্তান্তর যোগ্য নয়। অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী বা উদ্যোগতার নামে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু হয়েছে শুধুমাত্র তিনিই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
🔥 নবায়নঃ
ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে ১ বছর যা প্রতি বছরে রিনিউ করতে হয়। পুরোনো ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নির্ধারিত ফি দিয়ে এর নবায়ন পাতায় কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর নিলেই হয়ে যায়। ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুকারীর অফিস থেকেই এটির নবায়ন করতে হয়।