19/07/2026
বান্দা কখন নিজেকে মুমিন মনে করবেন???
Assalamu Alaikum. I am Md. Didarul Alam, Digital Creator. I have experience in Facebook Marketing. Promote your Brand via Facebook Marketing.
স্বাগতম Muslim Mindset চ্যানেলে! 🌟
আমাদের উদ্দেশ্য হলো আধুনিক জীবনের মানসিক ও আত্মিক চ্যালেঞ্জগুলোকে সুন্নাহ এবং মনস্তাত্ত্বিক (Psychological) দৃষ্টিকোণ থেকে মোকাবেলা করা। একজন সফল মুমিনের চিন্তাভাবনা ও লাইফস্টাইল কেমন হওয়া উচিত, তা-ই তুলে ধরা
19/07/2026
বান্দা কখন নিজেকে মুমিন মনে করবেন???
11/07/2026
মন ভালো করার মতো এবং অন্তরে প্রশান্তি এনে দেওয়ার মতো একটি চমৎকার হাদিস শরীফ ও তার ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
হাদিস শরীফ:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"ঈমানের স্বাদ সেই ব্যক্তি পেয়েছে, যে আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে।"
— (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৩৪)
মন ভালো করার মতো আরেকটি সংক্ষিপ্ত বাণী ও সান্ত্বনা:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "মুমিনের বিষয়টাই চমৎকার! তার প্রতিটি কাজেই কল্যাণ রয়েছে। যদি সে সুখ পায় আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে, তবে তা তার জন্য কল্যাণকর। আর যদি সে বিপদে পড়ে এবং ধৈর্য ধারণ করে, তবে তাও তার জন্য কল্যাণকর।" (সহীহ মুসলিম)
হাদিসের মূল কথা:
আমাদের জীবনে যখনই কোনো মন খারাপ বা হতাশা আসে, তখন এই চিন্তাটি মনে আনলে মন ভালো হয়ে যায় যে—আমাদের একজন পরম দয়ালু সৃষ্টিকর্তা আছেন, যিনি আমাদের সবসময় দেখছেন। আমরা যা কিছু হারাই বা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে যাই, সবকিছুর পেছনেই আল্লাহর কোনো না কোনো উত্তম পরিকল্পনা থাকে।
"ধৈর্যের চরম পুরস্কার!"
ঢাকায় ভূমিকম্প হল এখন।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক, আমিন।
আহলে বাইতের মর্যাদা
#ইমাম_হাসান_হুসাইন
#কারবালা
🕌 মহানবী (সাঃ) এর রওজা মোবারকের বেষ্টনীর অজানা ইতিহাস
১. ভূমিকা (Intro)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রওজা মোবারক পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর একটি। আমরা বাইরে থেকে যে সোনালী জালি বা বেষ্টনী দেখি, তার ভেতরে আসলে কী আছে? এর ইতিহাস কতটা অলৌকিক এবং সুরক্ষিত? আজকের ভিডিওতে আমরা রওজা শরীফের ভেতরের সেই অজানা ইতিহাস ও দেয়ালগুলোর বিবরণ জানবো।
২. রওজার ভেতরের আসল ঘর (হুজরা শরীফ)
আমরা বাইরে থেকে যে জালি দেখি, তার ভেতরে মূলত হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর সেই ঘরটি অবস্থিত, যেখানে রাসূলুল্লাহ (সাঃ), হযরত আবু বকর (রাঃ) এবং হযরত ওমর (রাঃ) শায়িত আছেন।
কোনো দরজা বা জানালা নেই: এই মূল ঘরটির চারপাশে কোনো দরজা বা জানালা নেই। এটি সম্পূর্ণ চারদিক থেকে বন্ধ।
প্রথম বেষ্টনী: উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর শাসনামলে (হিজরি ৯১ সালে) কালো পাথর দিয়ে এই হুজরা শরীফের চারপাশে একটি মজবুত পঞ্চভুজ (৫ কোণ বিশিষ্ট) দেয়াল নির্মাণ করা হয়।
৩. দেয়ালটি ৫ কোণ বিশিষ্ট কেন?
এটি ইসলামের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত চমৎকার সিদ্ধান্ত ছিল। উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) যখন দেয়ালটি নির্মাণ করেন, তখন তিনি এটিকে ৪ কোণ না করে ৫ কোণ বিশিষ্ট করেন।
কারণ: যাতে দূর থেকে এটিকে কোনোভাবেই পবিত্র কাবার মতো মনে না হয় এবং কেউ যেন কাবার মতো করে এটিকে তাওয়াফ বা সিজদা করার ভুল না করে।
৪. সুলতান নুরুদ্দিন জঙ্গী (রহ.)-এর সেই অলৌকিক ঘটনা ও সীসা ঢালা প্রাচীর
রওজা মোবারকের নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছিল ৫৫৭ হিজরিতে।
ষড়যন্ত্র: দুজন খ্রিস্টান সাধুর বেশে মদিনায় এসে রওজা শরীফের ভেতর থেকে পবিত্র মরদেহ চুরির উদ্দেশ্যে সুড়ঙ্গ খোদাই করা শুরু করে।
স্বপ্নদেশ: রাসূলুল্লাহ (সাঃ) স্বপ্নে সিরিয়ার বাদশাহ সুলতান নুরুদ্দিন জঙ্গীকে সেই দুই ব্যক্তির চেহারা দেখিয়ে মদিনায় যাওয়ার নির্দেশ দেন।
সীসার দেয়াল: সুলতান মদিনায় এসে চোরদের ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করেন। এরপর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য তিনি রওজা শরীফের চারপাশের মাটির গভীর থেকে একদম নিচ পর্যন্ত গলিত সীসা ঢেলে একটি ধাতব প্রাচীর নির্মাণ করে দেন। ফলে মাটির নিচ দিয়েও রওজা শরীফে পৌঁছানো অসম্ভব।
৫. বর্তমান সোনালী জালি (The Golden Grille)
আমরা বর্তমানে মদিনায় গিয়ে যে সোনালী রঙের সুন্দর জালিটি দেখি, তা মূলত 'আল-মাকসুরা' বা বাইরের বেষ্টনী। এটি হিজরি ৮৮৬ সালে সুলতান আশরাফ কাইতবেই-এর আমলে তামার তৈরি জালি দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়।
এই জালিতে ৩টি প্রধান ছিদ্র বা রন্ধ্র রয়েছে। বড় ছিদ্রটি দিয়ে সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর চেহারা মোবারক বরাবর সালাম পেশ করা হয়। বাকি দুটি ছিদ্র দিয়ে হযরত আবু বকর (রাঃ) এবং হযরত ওমর (রাঃ)-কে সালাম দেওয়া হয়।