KA TAX Consultancy

KA TAX Consultancy

Share

Tax, VAT & Accounting Solutions for Individual and Companies

30/07/2026
27/07/2026

2026-2027 করবর্ষের@ ব্যবসায়ি ও পেশাজীবীদের আতঙ্কের নাম ১% টার্নওভার (সেলস) ট্যাক্স। লাভ/লস যাইহোক এটা দিতেই হবে!
একটি ট্রেডিং বিজনেসে বছরে ৫০,০০,০০০ টাকা বিক্রির উপর গড়ে ১৫% গ্রস প্রফিট হিসাব করলে মোট মুনাফা ৭,৫০,০০০। এর মধ্যে দোকান পরিচালনা ব্যয় ৪,০০,০০০ টাকা বাদে নিট মুনাফা আসে ৩,৫০,০০০ টাকা যেটিতে আয়করের পরিমাণ শূন্য। অথচ নতুন নিয়মে তাকে ৫০,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতেই হবে। এতে ক্ষুদ্র/মাঝারি ব্যবসায়ী, পেশাজীবীরা প্রত্যেকেই আতঙ্কিত।

25/07/2026

⚖️ একমালিকানা ক্ষুদ্র ও মাঝারি (SME) ব্যবসার ওপর টার্নওভার ট্যাক্স: করনীতি কি আয়ের ওপর, নাকি বিক্রয়ের ওপর?

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে ব্যবসার ক্ষেত্রে Turnover Tax আরোপের বিধান এমনভাবে সম্প্রসারণ করা হয়েছে যে, এখন ব্যবসায়ীর বিক্রয়মূল্য (Turnover) যাই হোক না কেন, নির্ধারিত হারে কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।

এখানেই একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে—
আয়করের ভিত্তি কি "আয়", নাকি "বিক্রয়"?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর মূল দর্শন হলো করযোগ্য আয় (Taxable Income) নির্ধারণ করে তার ওপর কর আরোপ করা। অর্থাৎ একজন করদাতার প্রকৃত লাভ-লোকসান, অনুমোদিত ব্যয় ও করযোগ্য আয় বিবেচনা করেই কর নির্ধারিত হওয়ার কথা।

কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যেখানে—

➡️ ব্যবসায়ী প্রকৃতপক্ষে খুব সামান্য লাভ করেছেন,
➡️ এমনকি লোকসানেও থাকতে পারেন,
➡️ তবুও শুধুমাত্র বিক্রয় হয়েছে বলে তাকে টার্নওভার কর দিতে হবে।

এটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ বাংলাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশই (প্রায় ৮৫% - ৯০%) একমালিকানা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (SME)। এদের অধিকাংশই সীমিত মূলধন, কম লাভের মার্জিন এবং উচ্চ পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করেন।
সম্ভাব্য প্রভাব

🔹 ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের করের প্রকৃত বোঝা বৃদ্ধি পাবে।
🔹 কম লাভের ব্যবসাগুলো তুলনামূলক বেশি চাপে পড়বে।
🔹 নতুন উদ্যোক্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসা শুরু করতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
🔹 করব্যবস্থাকে ব্যবসাবান্ধব নয়—এমন ধারণা ব্যবসায়ীদের মধ্যে তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
🔹 দীর্ঘমেয়াদে সরকার ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

📌 রাষ্ট্রের রাজস্ব বৃদ্ধি অবশ্যই জরুরি। কিন্তু করনীতি এমন হওয়া উচিত, যাতে কর আদায়ের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার সক্ষমতা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগও নিশ্চিত হয়।

একজন ব্যবসায়ী যখন লাভের ওপর নয়, বরং শুধুমাত্র বিক্রয়ের কারণে কর দিতে বাধ্য হন, তখন সেটি করের ন্যায্যতা (Tax Equity) ও কর প্রদানের সক্ষমতার (Ability to Pay Principle) মতো স্বীকৃত করনীতির নীতিগুলো নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দেয়।

করবান্ধব নয়, ব্যবসাবান্ধব করনীতি—এটাই হওয়া উচিত টেকসই অর্থনীতি গড়ার ভিত্তি।

মোঃ কামরুল আরেফীন (শিবলু)
আয়কর আইনজীবী

24/07/2026

📢 টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে—বিশেষ করে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসায়ে

টার্নওভার ট্যাক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ফলে ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়ের ক্ষেত্রে করের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার ক্ষেত্রে এর প্রভাব অনেক বেশি।

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ও ফার্মের ক্ষেত্রে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হওয়ার জন্য গ্রস প্রাপ্তির নির্দিষ্ট সীমা ছিল। কিন্তু বর্তমান বিধানে সেই সীমা আর নেই।

ফলে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার গ্রস প্রাপ্তির পরিমাণ যতই হোক না কেন, নিয়মিত পদ্ধতিতে হিসাব করা কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হলে টার্নওভার ট্যাক্সই পরিশোধ করতে হবে।

চলুন, একটি উদাহরণের মাধ্যমে পরিবর্তনের প্রভাব দেখি—

🔎 পরিবর্তনের প্রভাব—একটি উদাহরণ

ধরা যাক, একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। তার বার্ষিক বিক্রয় বা গ্রস প্রাপ্তি ৪০,০০,০০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে নিট আয় ৫,৩৫,০০০ টাকা।

📌 আগের বিধান অনুযায়ী—

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার গ্রস প্রাপ্তি ৪ কোটি টাকা বা তার বেশি হলেই কেবল টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো। এই উদাহরণে গ্রস প্রাপ্তি ৪০ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৪ কোটি টাকার কম। তাই আগে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো না।

ফলে নিয়মিত কর হিসাবে প্রদেয় কর হতো—

প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা × ০% = ০ টাকা
অবশিষ্ট ১,৩৫,০০০ টাকা × ১০% = ১৩,৫০০ টাকা

অর্থাৎ, আগে প্রদেয় কর ছিল ১৩,৫০০ টাকা।

📌 বর্তমান বিধান অনুযায়ী—

গ্রস প্রাপ্তির ওপর টার্নওভার ট্যাক্স—

৪০,০০,০০০ টাকা × ১% = ৪০,০০০ টাকা

যেহেতু নিয়মিত কর ১৩,৫০০ টাকা, কিন্তু টার্নওভার ট্যাক্স ৪০,০০০ টাকা, তাই বর্তমানে প্রদেয় কর হবে ৪০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, একই আয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইন পরিবর্তনের ফলে—

✅ আগে প্রদেয় কর: ১৩,৫০০ টাকা
✅ বর্তমানে প্রদেয় কর: ৪০,০০০ টাকা
✅ অতিরিক্ত করের দায়: ২৬,৫০০ টাকা

করদাতা ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় অগ্রিম কর হিসেবে ৩,০০০ টাকা পরিশোধ করে থাকলে, রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায়, টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনের ফলে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে নিয়মিত করের তুলনায় অনেক বেশি কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হতে পারে।

22/07/2026

ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

20/07/2026

বিনা বাধায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পারবেন কর কর্মকর্তারা....

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚

19/07/2026

আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ১৪৭ এর বিষয়ে সম্মানিত করদাতাগণের জ্ঞাতব্য

07/07/2026

জনগণের জন্য সুখবর! হেবা ও দান দলিলে উৎসে কর বাতিল করেছে সরকার। হেবা ও দান দলিলে কোনো উৎস লাগবেনা মর্মে আজ এনবিআর থেকে সরকারি আদেশ জারি হয়েছে।

১) পিতামাতা ছেলেমেয়েদের আগের মতোই সম্পত্তি হেবা করতে পারবে। কোনো কর লাগবেনা।

২) স্বামী-স্ত্রী আগের মতোই পরস্পরকে কোনো কর ছাড়াই হেবা করতে পারবে।

৩) একই মায়ের পেটের ভাই বোনের মধ্যে সম্পত্তি হেবা করলেও কোনো কর লাগবেনা।

এসব সম্পর্কের বাইরে হেবা বা দান দলিল করলে তখনও উৎস কর দিতে হবেনা, কেবল প্রযোজ্য হারে দানকর দিতে হবে।

06/07/2026

কম্পিউটারের দোকান বা সাধারণ টাইপিং সেন্টারের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে আপনার গোপনীয়তা ফাঁস,ভুল তথ্য প্রদান, এবং পরবর্তীতে বড় অঙ্কের জরিমানা বা আইনি জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সাধারণত এই ক্ষতির কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

■ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার অভাব: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID),ব্যাংক স্টেটমেন্ট,টিন (TIN) সার্টিফিকেট এবং আয়ের বিস্তারিত তথ্য অন্যের হাতে চলে যায়,যা অপব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

■ ভুল রিটার্ন সাবমিশন: কম্পিউটারের দোকানীরা প্রায়ই কর আইনের খুঁটিনাটি না বুঝে ঢালাওভাবে তথ্য এন্ট্রি করেন। এতে সম্পদের ভুল বিবরণী, ভুয়া বিনিয়োগ বা খরচের তথ্য দেখানো হতে পারে, যা পরবর্তীতে অডিট বা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়।

■ ভুয়া বা অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো: অনেক সময় দোকানীরা কর কমানোর জন্য নিয়মবহির্ভূত খাতে খরচ বা বিনিয়োগ দেখিয়ে দেন।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)এটি ধরতে পারলে মোটা অঙ্কের জরিমানা ও বকেয়া কর আদায় করা হয়।

■ জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা না থাকা: রিটার্নে কোনো ভুল হলে বা নোটিশ আসলে সাধারণ দোকানীরা এর কোনো দায় নেন না।আইনিভাবে করদাতা নিজেই নিজের রিটার্নের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী থাকেন।

■ পাসওয়ার্ড চুরি বা অ্যাকাউন্টের ক্ষতি: আপনার অনলাইন কর অ্যাকাউন্ট(e-TIN)খোলার পাসওয়ার্ড অন্যের কাছে থাকলে,পরবর্তীতে আপনার অজান্তেই বড় ধরনের পরিবর্তন বা আর্থিক লেনদেনের তথ্য মুছে ফেলা হতে পারে।

Want your business to be the top-listed Accountant in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

1386/A, Pathanpur R/A, Oxygen, Chattogram
Chittagong
4213