23/07/2026
📢 কর রিবেট পেতে আজই আয়কর রিটার্ন দাখিল শুরু করুন অনলাইনে!
💰 সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন, সর্বোচ্চ কর রিবেটের সুযোগ গ্রহণ করুন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। তবে আগে রিটার্ন দাখিল করলে কর রিবেটের সুবিধা বেশি পাওয়া যাবে।
কেন এখনই করবেন?
✅ সর্বোচ্চ কর রিবেটের সুযোগ
✅ ঝামেলামুক্ত e-Return দাখিল
✅ অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ
✅ দ্রুত, নির্ভুল ও গোপনীয় সেবা
✅ ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার ও পেশাজীবীদের জন্য বিশেষ সেবা।
✅ জুলাই – সেপ্টেম্বর:
🎁 স্ব-আরোপিত করের ৫% পর্যন্ত কর রিবেট (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা)
✅ অক্টোবর – ডিসেম্বর:
✔️ কোনো বিলম্ব ফি নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রিবেটের সুবিধা বাতিল হবে।
⚠️ জানুয়ারি – মার্চ:
🔸 ন্যূনতম ৩,০০০ টাকা বিলম্ব ফি/জরিমানা।
⚠️ এপ্রিল – জুন:
🔸 ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি/জরিমানা।
📌 তাই শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে এখনই রিটার্ন প্রস্তুত করুন এবং আপনার প্রাপ্য কর রিবেট নিশ্চিত করুন।
আমাদের সেবাসমূহ:
✅ আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল
✅ ই-রিটার্ন (e-Return) সেবা
✅ TIN সংক্রান্ত সেবা
✅ কর পরিকল্পনা (Tax Planning)
✅ কর আপিল ও ট্রাইব্যুনাল বিষয়ক সহায়তা
✅ ব্যক্তি, ফার্ম ও কোম্পানির আয়কর পরামর্শ
মোঃ রাসেল
আয়কর আইনজীবী
সদস্য : চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতি
মেসার্স রাসেল এন্ড এসোসিয়েটস
📞 মোবাইল: 01830-357548
🎯 আজই আপনার রিটার্ন প্রস্তুত করুন, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়ান এবং আপনার প্রাপ্য কর সাশ্রয় নিশ্চিত করুন
📩 ইনবক্স করুন অথবা আজই ফোন করুন।
#আয়কর
19/07/2026
আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ১৪৭ এর বিষয়ে সম্মানিত করদাতাগণের জ্ঞাতব্য
11/06/2026
*করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে*
করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে। এই করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন। শুধু আগামী অর্থবছরে নয়; ২০২৭–২৮ অর্থবছরেও করমুক্ত আয়সীমা পৌনে চার লাখ টাকা অব্যাহত থাকবে।
অবশ্য গত বছর বাজেটেই করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষনা দিয়েছিলেন তৎকালীন অন্তবর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার তা অব্যাহত রাখল। এতে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বস্তির আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরেরা।
অন্যবারের মতো এবারও কিছু বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমায় বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের পাশাপাশি নারী করদাতা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী করদাতার জন্য সোয়া চার লাখ টাকা; তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা ও প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য পাঁচ লাখ টাকা; গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা ও গেজেটভুক্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর আহত জুলাই যোদ্ধা করদাতাদের জন্য সোয়া ৫ লাখ টাকা করমুক্ত আয়সীমাও বাড়বে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাতা-পিতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে ৫০ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে দেশে ১ কোটি ২৮ লাখ কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৪২ লাখ করদাতা রিটার্ন দেন। এসব করদাতাকে রিটার্ন দাখিলের সময় করমুক্ত আয়সীমা হিসাব করে কর দিতে হয়।
৫% কর হার নেই
এবার আয়করের কর হার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। যেমন– এবার করমুক্ত আয়সীমার পরের প্রথম এক লাখ টাকার জন্য যে ৫ শতাংশ কর আছে, তা বাদ দেওয়া হেয়েছে। যাঁদের বার্ষিক আয় পৌনে চার লাখ টাকার বেশি তাঁদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা পরবর্তী প্রথম ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, পরবর্তী ২০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট আয়ের জন্য ৩০ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে। এতে করদাতাদের ওপর করের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।
সারা বছর আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে
আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে বেশি করছাড় পাবেন করদাতারা। বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম তাই ছাড় পাবেন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন যা কর তাই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।
আর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।
09/06/2026
বাংলাদেশ সরকার ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিদ্যমান ব্যাংক হিসাবগুলো সচল রাখার জন্য টিআইএন (TIN - Taxpayer's Identification Number) বা কর শনাক্তকরণ নম্বর বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে।
এর মানে হলো, ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হলে আপনার টিআইএন থাকা অপরিহার্য হতে পারে।
তাই যাদের টিন আছে তাদের সমস্যা হবে না।
মো: রাসেল
আয়কর আইনজীবী
ফোন : ০১৮৩০-৩৫৭৫৪৮
28/05/2026
🌙✨ Eid-ul-Adha Mubarak ✨🌙
On this blessed occasion of Eid-ul-Adha, may Allah accept our sacrifices, forgive our shortcomings, and fill our lives with peace, prosperity, and endless blessings. 🤲
Wishing you and your family a joyful Eid filled with happiness, unity, and good health.
May this Eid strengthen our faith, compassion, and gratitude towards humanity.
🕋 Eid Mubarak to everyone!
—
Mohammad Rashel
Income Tax Lawyer
M/S Rashel & Associates
Member of Chittagong Taxes Bar Association